Dhaka, Thu, 3 Sep 2015, 6:47 pm | লগ-ইন করুন | নিবন্ধন করুন   | English News   |   Search

মহাসমাবেশ নিয়ে জাতীয় দৈনিকে যত খবর

arman's picture
Submitted by arman on Sat, 09/02/2013 - 11:14am

শাহবাগের মহাসমাবেশ নিয়ে বিভিন্ন মিডিয়ায় শনিবার প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলো...

প্রথম আলো

ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি
লাখো জনতার এই মহাসমুদ্রের কেন্দ্রবিন্দু শাহবাগের ‘প্রজন্ম চত্বরের’ নবজাগরণ মঞ্চ। তবে পশ্চিমে কাঁটাবনের মোড়, পূর্বে মৎস্য ভবন, উত্তরে রূপসী বাংলা হোটেল আর দক্ষিণে টিএসসি ছাড়িয়ে গেছে জনতার সেই ঢল। সমবেত এই জনতার কণ্ঠে নানা স্লোগান, চোখেমুখে রাজপথে থাকার দৃপ্ত শপথ।

এই যৌবনজলতরঙ্গ রুধিবি কি দিয়া বালির বাঁধ?
এই যৌবনজলতরঙ্গ রুধিবি কি দিয়া বালির বাঁধ? কাজী নজরুল ইসলামের এই পঙিক্ত ১৯৬৯ সালে ইত্তেফাক-এর শিরোনাম করেছিলেন তখনকার বার্তা সম্পাদক সিরাজুদ্দীন হোসেন। ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে তিনি আলবদর ও পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে শহীদ হন।

সুশৃঙ্খল প্রতিবাদই বড় শক্তি: ইমরান
‘আন্দোলনটি তরুণদের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে এগোচ্ছে। এটা যেভাবে এত দিন চলেছে, কাদের মোল্লাসহ সব যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসির রায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই আন্দোলন চলবে। আমরা মাঠ ছাড়ছি না।’

কালের কণ্ঠ

গর্জে উঠল আরেক ৭১
আমরা শপথ করছি- একাত্তরে যে সমস্ত ঘৃণ্য রাজাকার-আলবদর গণহত্যা ও ধর্ষণের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড না হওয়া পর্যন্ত এই গণজাগরণের মঞ্চ গণমানুষের নেতৃত্বে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া আন্দোলন চালিয়ে যাবে।

'জনতার গর্জন' শুনে স্তব্ধ গোলাম আযম
লাখো মানুষের কণ্ঠে 'যুদ্ধাপরাধীদের' ফাঁসির দাবি উচ্চারণ কানে গেছে জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির গোলাম আযমের। শাহবাগ প্রজন্ম চত্বরসংলগ্ন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের প্রিজন সেলে চিকিৎসাধীন তিনি।

দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধের যাত্রা শুরু!
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে আমাদের এই বাংলাদেশের জন্ম হয়েছিল, কিন্তু তার লালনটা ঠিকঠাক হয়নি। তার ভূগোলটা রূপ পেয়েছিল, চরিত্রটা পায়নি। মানচিত্রটা চূড়ান্ত হয়েছিল, মানসিকতাটা নয়। সুযোগে পরাজিত অপশক্তির বীজ দিনে দিনে বিষবৃক্ষ হয়ে আমাদের প্রায় গিলে ফেলে। বিয়াল্লিশ বছর পর কাল সেই সর্বনাশের ভিত্তিমূলে আবেগ আর ভালোবাসার শক্তিতে কুঠারাঘাত করল এ প্রজন্ম।

আমার দেশ

শাহবাগে ফ্যাসিবাদের পদধ্বনি
রাজধানীর শাহবাগের মহাসমাবেশে গতকাল ফ্যাসিবাদের পদধ্বনি শোনা গেছে। জামায়াত নেতা কাদের মোল্লার ফাঁসির দাবিতে ব্লগারদের ব্যানারে চার দিন ধরে চলা কর্মসূচি গতকাল আওয়ামী লীগ ও বাম রাজনৈতিক দল, তাদের সাংস্কৃতিক ফ্রন্ট এবং একই ঘরানার চিহ্নিত বুদ্ধিজীবী ও নেতাদের দখলে ছিল।

যুদ্ধাপরাধের বিচার স্বচ্ছ হচ্ছে না
বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধের বিচার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে জাতিসংঘের নিযুক্ত দুজন স্বাধীন মানবাধিকার বিশেষজ্ঞ বলেছেন, বিচার স্বচ্ছ হচ্ছে না এবং যথাযথ আইনি প্রক্রিয়াও অনুসরণ করা হচ্ছে না। যুদ্ধাপরাধ ট্রাইবু্যুনালের বিচারক ও সরকারি আইনজীবীদের নিরপেক্ষতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে বলেও মন্তব্য করেছেন তারা।

কেউ সেদিন ভাবতে পারেনি আমরা ইতিহাস রচনা করছি
চলতি ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাভাষা চর্চা, শেখা ও গবেষণা করার বিষয়ে কত কথা বলাবলি হচ্ছে। এবারের ভাষার মাসে একদিকে মিডিয়া ও আলোচনা অনুষ্ঠানে বাংলাচর্চার কথা বলছি আমরা, সরকারও বলছে; অন্যদিকে শিক্ষাঙ্গনে চলছে মারামারি, খুনোখুনি আর ছাত্র উন্মাদনা। ভাষা, সাহিত্য, শিল্প তো শেখানো হয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে।

বাংলাদেশ প্রতিদিন

শাহবাগ তোমাকে সালাম
যমুনার ওপারের ছেলে মাহমুদ হাসান সাগর এমবিএ পাস করে স্বপ্ন দেখেছিলেন ব্যাংকার হবেন। ইসলামী ব্যাংকে আবেদন করেছিলেন। গতকাল শুক্রবার বেলা ৩টায় লিখিত পরীক্ষার জন্য প্রবেশপত্রও পেয়েছিলেন। নিয়েছিলেন প্রস্তুতি। শাহবাগের উত্তাল মহাসমাবেশ তাকে দ্বিধাগ্রস্ত করে দেয়। এই প্রজন্মের সন্তান সাগরের চেতনাজুড়ে মুক্তিযুদ্ধের অহঙ্কার জেগে ওঠে।

'তুই রাজাকার তুই রাজাকার'
শাহবাগে লাখো কণ্ঠে উচ্চারিত হচ্ছে গগনবিদারি একটি স্লোগান 'তুই রাজাকার', 'তুই রাজাকার'। পেশা ও বয়স নির্বিশেষে সব মানুষের মুখে মুখে ফেরা এ স্লোগানের মাধ্যমে চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীদের প্রতি অন্তরের সব ঘৃণা। শাহবাগ আজ রাজাকারদের ফাঁসির দাবিতে উত্তাল। একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে গণহত্যা, ধর্ষণ, লুণ্ঠন ও অগি্নসংযোগের ন্যক্কারজনক ঘটনার সঙ্গে জড়িত স্বাধীনতা বিরোধী শক্তির প্রতীক হয়ে আছে 'রাজাকার' শব্দটি।

জামায়াত নিষিদ্ধে মিত্রের সন্ধানে আওয়ামী লীগ
যুদ্ধাপরাধের বিচার সম্পন্ন ও জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে দেশব্যাপী ব্যাপক জনসমর্থন সৃষ্টিতে মিত্রের সন্ধানে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসি দাবিতে গড়ে ওঠা গণজোয়ার কাজে লাগাতে ১৪ দলীয় জোটের বাইরেও সব পেশা-শ্রেণীর মানুষকে এক কাতারে আনার পরিকল্পনা নিচ্ছেন শাসক দলের নেতারা।

সমকাল

চরম হুঁশিয়ারি
১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে বাঙালি জনতার মহাসমুদ্র দেখেছিল। সে দিন বঙ্গবন্ধু বজ্রকণ্ঠে শুনিয়েছিলেন অমর কাব্য, 'এবারের সংগ্রাম, স্বাধীনতার সংগ্রাম'। শুক্রবার শাহবাগের প্রজন্ম চত্বরে জাতি দেখল জনতার আরেক মহাসমুদ্র। শ্রেণী-পেশা, নারী-পুরুষ, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে লাখো জনতার মহাসমাবেশ। এতে যুদ্ধাপরাধী ও তাদের দোসরদের প্রতি উচ্চারিত হয়েছে কড়া হুঁশিয়ারি।

প্রজন্ম চত্বরে লাখো মানুষের শপথ
শাহবাগ চত্বরের মহাসমাবেশে যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার শপথ নিয়েছে লাখো মানুষ। ব্লগার অ্যান্ড অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট নেটওয়ার্কের আহ্বায়ক ডা. ইমরানের এ আহ্বানের সঙ্গে সমবেত জনসমুদ্র তার সঙ্গে হাত তুলে এ শপথ গ্রহণ করে। শপথের পূর্ণবিবরণ নিম্নরূপ :

'রাজাকারমুক্ত দেশ চাই'
'সরকারের কাছে অস্ত্র বিক্রি করিনি। জমা দিয়েছি মাত্র। যে অস্ত্র হাতে দেশ স্বাধীন করেছি, এবার প্রয়োজনে সেই অস্ত্রই ফেরত নেব। '৭১-এ যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছি। এবারের যুদ্ধে দেশকে রাজাকারমুক্ত করব।' বয়সের ভারে অনেকটাই ন্যুব্জ ৬৭ বছরের বৃদ্ধ মুক্তিযোদ্ধা আবদুল লতিফ (গেজেট নম্বর ৩৩৬)। কাদের মোল্লার ফাঁসি দাবিতে সংহতি প্রকাশ করতে টঙ্গীর এরশাদনগর থেকে তিনি শাহবাগের প্রজন্ম চত্বরে হাজির হন। তার বক্তব্যে যেমন ছিল ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ, তেমনি ছিল তরুণ প্রজন্মকে নিয়ে অনেক আশার আলো। শুধু লতিফের নয়, শাহবাগে প্রজন্ম চত্বরে হাজির হওয়া সকল শ্রেণী-পেশার কথায় উঠে আসে ক্ষোভ আর ঘৃণার আগুন।

যুগান্তর

আজ জেগেছে সেই জনতা
প্রজন্ম চত্বর বা শাহবাগ স্কয়ার, যে নামেই ডাকা হোক গন্তব্য একটাই। শাহবাগ মোড়। ৫৬ হাজার বর্গমাইলের মোহনা যেন এখন শাহবাগ। জনতার চতুর্মুখী স্রোত গিয়ে মিশেছে শাহবাগে। শুক্রবার বিকালে সেখানে ফাঁসির রায় না আসা পর্যন্ত সংগ্রামের দৃপ্ত অঙ্গীকার নিয়েছেন লাখো মানুষ। দেশের প্রতিটি শহরে একই দাবিতে প্রতিবাদ গড়ে উঠেছে। রাজাকারদের ফাঁসির দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে ১৬ কোটি মানুষ। জনতার গর্জন শোনা যাচ্ছে সারাদেশ থেকে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে চেতনার যে প্রদীপ জ্বেলেছে তারুণ্য, তা অগ্নিশিখা হয়ে ছড়িয়ে গেছে চারিদিকে

ক্ষোভের আগুন ছড়িয়ে গেল সবখানে
কাদের মোল্লাসহ যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে সারাদেশে প্রতিবাদ বিক্ষোভ সমাবেশ ও অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে। বুদ্ধিজীবী, পেশাজীবী, রাজনৈতিক ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মী, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সর্বস্তরের জনগণের উপস্থিতিতে এসব কর্মসূচি ক্রমেই উত্তাল হয়ে উঠছে। কর্মসূচির সঙ্গে একাÍতা প্রকাশ করেছেন শিল্পী, সাহিত্যিক, পেশাজীবীসহ বিভিন্ন পেশা ও শ্রেণীর লোকজন। বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের কণ্ঠে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ জনতার সমাবেশে পরিণত হয় সমাবেশস্থল। চট্টগ্রামে প্রেস ক্লাবে তোপের মুখে পড়েন মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী।

ওরা ১৪ বারুদকন্যা অগ্নিকন্যা
অটুট শৃংখলায় বাঁধা পুরো শাহবাগ চত্বর। গত চারদিন ধরে যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে এ চত্ব¡র মাতিয়ে রেখেছেন ওরা ১৪ জন। আন্দোলনকারী আমজনতা এ ১৪ তরুণীকে ‘বারুদকন্যা’ ও ‘অগ্নিকন্যা’য় আখ্যায়িত করেছেন। তাদের মুহুর্মুহু স্লোগানে শাহবাগসহ সারাদেশে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি ক্রমেই অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠছে। তাদের স্লোগানে কচিকাঁচা আর নানা বয়সী মানুষের স্লোগানে যেন ক্ষোভে পরিণত হয়েছে। আর এসব কন্যা গত চারদিন ধরে খোলা আকাশের নিচে শাহবাগ চত্ব¡রে রাত-দিন কাটাচ্ছেন এক কাপড়ে। জনজোয়ারে উত্তেজনা ছড়ানো ১৪ বারুদ-অগ্নিকন্যা হলেন-