You are here

স্বাস্থ্য রক্ষায় টমেটো

সারা বিশ্বে টমেটো একটি অতি পরিচিত সবজি। সবজি এবং সালাদ হিসেবে ভিটামিন এবং খনিজ সমৃদ্ধ টমেটোর বেশ চাহিদা। আকর্ষণীয়তা, ভাল স্বাদ, উচ্চ পুষ্টিমান এবং বহুবিধ উপায়ে ব্যবহার যোগ্যতার কারণে সর্বত্রই এটি জনপ্রিয়। এ সবজিতে প্রচুর পরিমাণে আমিষ, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন-এ এবং ভিটামিন-সি রয়েছে। টমেটোতে লাইকোপেন নামে বিশেষ উপাদান রয়েছে, যা ফুসফুস, পাকস্থলী, অগ্ন্যাশয়, কোলন, স্তন, মূত্রাশয়, প্রোস্টেট ইত্যাদি অঙ্গের ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করতে পারে। এটি যেমন কাঁচা খাওয়া যায়, ঠিক একইভাবে রান্না করে বা রান্না সুস্বাদু করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

পুষ্টি গুণ-

প্রতি ১০০ গ্রাম টমেটোতে আছে - প্রোটিন ১.৯ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেট ৩.৬ গ্রাম, ভিটামিন ৩২০ আই . ইউ, থায়ামিন ০.০৭ মিগ্রা, ফ্যাট ০.১ গ্রাম, আঁশ ০.৭ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ২০ মিগ্রা, ফসফরাস ৩৬ মিগ্রা, আয়রন ১.৮ গ্রাম, পটাশিয়াম ১১৪ মিগ্রা, ভিটামিন সি ৩১ মিগ্রা।

টমেটোর গুনাগুণ-

হার্টের জন্য ভালো টমেটো। কোলেস্টেরলের মাত্রা ও রক্তচাপ কমাতে সহায়ক এটি। তাই নিয়মিত টমেটো খেলে, হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকিও কমে আসবে।

টমেটোতে রয়েছে ভিটামিন এ যা দৃষ্টিশক্তিকে আরও উন্নত করে।

অর্জুন গাছের রসের সঙ্গে টমেটোর রস মিশিয়ে জেলি করে প্রতিদিন খেলে হার্ট ও বুকের ব্যথা কমে যায়।
মজবুত হাড় গঠনে সহায়তা করে টমেটো।

ধূমপান ছাড়তে সহায়ক ভূমিকা পালনের সঙ্গে সঙ্গে ধূমপানের কারণে শরীরে সৃষ্ট ক্ষতি পুষিয়ে নিতেও কার্যকরী এ সবজি।

টমেটো শরীরে প্রয়োজনীয় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সরবরাহ করে যা শরীরের কোষকে ক্ষতির হাত থেকে করে।
চুল ও দাঁতের জন্য উপকারী এ সবজি।

কিডনিকে সুস্থ-সবল রাখতে ভূমিকা পালন করে টমেটো।

ডায়াবেটিসের জন্য টমেটো বেশ উপকারী। এ সবজি রক্তে গ্লুকোজের মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে রাখে।

মাথার খুশকি দূর করতে টমেটোর রসের সঙ্গে ১.৪ ভাগ পানি মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন।

বিশেষ কয়েক ধরনের ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। এর মধ্যে পাকস্থলী, কোলোরেক্টাল ও প্রোস্টেট ক্যান্সার অন্যতম।

পাকা টমেটো খাবারের আগে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।