You are here

জামায়াত নেতা সেলিমসহ দু'জন গ্রেপ্তার

জামায়াতের কর্ম পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল সেলিম উদ্দিন ও উত্তরা থানা জামায়াতের সভাপতি মাহমুদুর রহমানকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-২ এর একটি দল।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে রাজধানীর কারওয়ানবাজারের একটি বাসা থেকে তাদের আটক করা হয়।

তাদের আগারগাও র‌্যাব-২ এর প্রধান কার্যালয়ে রাখা হয়েছে।

বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম খান, জামায়াতের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হামিদুর রহমান আযাদ ও সেলিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে।

এছাড়া শিবিরের সাবেক এই সভাপতির বিরুদ্ধে পুলিশের সঙ্গে জামায়াত-শিবিরে সংঘর্ষ, গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগসহ কয়েকটি মামলা রয়েছে।

প্রসঙ্গত, ৪ ফেব্রুয়ারি মতিঝিলে জামায়াতের বিক্ষোভ কর্মসূচিতে সেলিম উদ্দিন বলেছিলেন, ‘একটা রায়ই শেষ নয়। রায়ের পরে রায়, এর পরও বহু প্রতিক্রিয়া আছে। বিষয়টি হালকাভাবে দেখলে চলবে না। দেশকে গৃহযুদ্ধের থেকে বাঁচাতে হলে বিতর্কিত ট্রাইব্যুনাল থেকে রায় দেওয়ার সুযোগ নেই।’

ট্রাইব্যুনাল-২ তার বক্তব্য আমলে নিয়ে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে ৭ ফেব্রুয়ারি ওই তিনজনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগে নোটিশ দেন। সেদিন আদেশে বলা হয়, ২০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে তাঁদের ট্রাইব্যুনালে সশরীরে হাজির হয়ে জবাব দিতে হবে। সেদিন তাঁরা হাজির না হয়ে সময়ের আবেদন জানালে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়। সেদিনও তাঁরা হাজির না হওয়ায় ৬ মার্চ হাজিরের শেষ সুযোগ দেওয়া হয়। কিন্তু সেদিনও তাঁরা হাজির না হলে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

বিভাগ: