
লালন সঙ্গীত এর জননী বলতে ফরিদা পারভীনকেই বোঝানো হয়। দীর্ঘদিন তিনি দূর কুষ্টিয়া শহরে বসে লালন সঙ্গীতের চর্চা করেছেন এবং সেখান থেকেই তাঁর প্রতিষ্ঠা।
জন্ম এবং পরিবার
তার জন্মস্থান নাটোর জেলার সিংড়া থানার শাঔঁল গ্রামে। ফরিদা পারভীনের বাবা প্রয়াত দেলোয়ার হোসেন পেশায় ছিলেন সাধারণ চিকিৎসক। মা রৌফা বেগম। ফরিদা পারভীনের স্বামী প্রখ্যাত গীতিকার ও কন্ঠশিল্পী আবু জাফর। ফরিদা পারভীন চার সন্তানের জননী। এক মেয়ে জিহান ফারিয়া আর তিন ছেলের মধ্যে বড় ছেলে ইমাম নিমেরি উপল, মেজ ছেলে ইমাম নাহিল সুমন এবং ছোট ছেলে ইমাম নোমানি রাব্বি।
শিক্ষা
ফরিদা পারভীনের স্কুল জীবন কেটেছে বিভিন্ন শহরে। তবে তাঁর স্কুল জীবনের সূচনা হয়েছিল মাগুরায়। তারপর একে একে কুষ্টিয়া গভর্নমেন্ট গার্লস স্কুল, কুষ্টিয়ার মীর মোশাররফ হোসেন বালিকা বিদ্যালয় এবং মেহেরপুর গভর্নমেন্ট গার্লস স্কুলে অধ্যয়ন করেন। তিনি ম্যাট্রিক পাস করেন মীর মোশাররফ হোসেন বালিকা বিদ্যালয় থেকে। এরপর কলেজ জীবনে তিনি কুষ্টিয়াতে পড়ালেখা করেছেন। ১৯৭৪ খ্রিস্টাব্দে তিনি কুষ্টিয়া গার্লস কলেজ থেকে এইচ.এসসি. পাশ করেন এবং একই কলেজ থেকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ১৯৭৬-৭৯ খ্রিস্টাব্দে অনার্স পাশ করেন।
পুরুস্কার
কুষ্টিয়াতে অবস্থানকালেই তিনি লালন সঙ্গীতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ ১৯৮৭ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশ সরকারের একুশে পদক এবং অনন্ত প্রেম ছবিতে 'নিন্দার কাঁটা' গানটি গেয়ে ১৯৯৩ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান।
এর বাইরে পূর্ণদৈর্ঘ্য বাংলা চলচ্চিত্র 'অন্ধ প্রেম'-এ সঙ্গীত পরিবেশন করে শ্রেষ্ঠ সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে ১৯৯৩ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন।
তিনি জাপান, সুইডেন, ডেনমার্ক, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা, ইংল্যান্ডসহ আরো বহু দেশে লালন সঙ্গীত পরিবেশন করেছেন।
|
প্রিয়.কম একটি স্বতন্ত্র ইন্টারনেট মিডিয়া। আমাদের দৈনন্দিন জীবনের প্রিয় বিষয়গুলোকেই তুলে আনার চেষ্টা করছি আমরা। এখানে প্রতিনিয়ত যোগ হচ্ছে নতুন নতুন বিষয়। সঙ্গে থাকুন প্রতি মুহুর্তে। যারা আমাদের সাইটে লেখা দিচ্ছেন, তারা অবশ্যই নিজেদের অ্যাকাউন্টে ছবি যুক্ত করুন। সঠিক নাম এবং ছবি ছাড়া সাধারনত কোনও লেখা প্রকাশ করা হয় না। সহযোগী: ইউএনবি, চ্যানেল আই © ২০১৩ প্রিয়.কম ॥ ইমেল: info@priyo.com ফোন: +৮৮০-২-৯৬৬ ৫৩২৫-৬, +৮৮০-১১-৯৩১৭ ৬৩৫৬ |
আমাদের অন্যান্য সাইট: |