|
প্রিয়.কম একটি স্বতন্ত্র ইন্টারনেট মিডিয়া। আমাদের দৈনন্দিন জীবনের প্রিয় বিষয়গুলোকেই তুলে আনার চেষ্টা করছি আমরা। এখানে প্রতিনিয়ত যোগ হচ্ছে নতুন নতুন বিষয়। সঙ্গে থাকুন প্রতি মুহুর্তে। যারা আমাদের সাইটে লেখা দিচ্ছেন, তারা অবশ্যই নিজেদের অ্যাকাউন্টে ছবি যুক্ত করুন। সঠিক নাম এবং ছবি ছাড়া সাধারনত কোনও লেখা প্রকাশ করা হয় না। সহযোগী: ইউএনবি, চ্যানেল আই © ২০১৩ প্রিয়.কম ॥ ইমেল: info@priyo.com ফোন: +৮৮০-২-৯৬৬ ৫৩২৫-৬, +৮৮০-১১-৯৩১৭ ৬৩৫৬ |
আমাদের অন্যান্য সাইট: |
We are truly waiting for the day when this bastard lady will take exit from this world to where her this close associate Zillur Rahman gone. For both I wish for "HAVIA" hotel hereafter.
We are truly waiting for the day when this bastard lady will take exit from this world to where her this close associate Zillur Rahman gone. For both I wish for "HAVIA" hotel hereafter.
Don't worry, country will be better now. Just think about yourself. It was your support, not ours. Try to understand.
বেহেশত আর দোযখের মাঝখানে তো কোনো "নো ম্যান্স ল্যান্ড" নাই।
নিরপেক্ষ হওয়া যায় না। নিরপেক্ষতার ভান করা যায় মাত্র। যা স্রেফ প্রতারনা বৈ আর কিছু নয়। বলা উচিত পক্ষপাতদুষ্ট না হতে। নিরপেক্ষ নয়।
কে বলেছে নো ম্যান লেন্ডস নাই? দোযখ ও বেহেসতের মাঝখানের জায়গাটা হল আ'রাফ! বুঝলেন মামুন ভাই!
@#?
I suggest CREMATION for the dead body.
I told it at the very first time when this brother of IBLIS was in CMH. We pray for his departed soul be united with his wife in JAHANNAM.
FEE NARE JAHANNAM.
DID NOT I SAY THAT??????
পরিচিত একজন মানুষ চলে গেলেন। ঢাবিতে থাকার সময় ক্যাম্পাসের নানা সংগ্রামে তাকে দেখেছি। সবকিছু মনে থাকেনা। ক'দিন আগে টিভিতে তার মুখটি দেখলাম। দেখে ভাবছিলাম, একে তো চিনি। গতকাল পত্রিকায় এবং আজ ব্লগে তার মুখটি দেখে এবং তিনি প্রপদের সাথে জড়িত ছিলেন তা দেখে নিশ্চিত হলাম, হ্যাঁ, তাকে তো চিনি।
জীবন যে পদ্মপাতার জল তা জানা হলো এই জীবনের পথে পথে.
বাবা বেচে থাক, আন্দোলন করতে হবে ক্ষমতায় যেতে হবে। অনেক তো বাকি।
“কী কথার কী উত্তর! আমি এই মেসেজের কোনো রিপ্লাই দিলাম না। আস্তে করে মেসেজটা 'বেকুব' সেকশনে পাঠিয়ে দিলাম। যদি এই ভদ্রলোক সত্যি সত্যি আইফোন পান, তাহলে মেসেজটি সেখান থেকে সরিয়ে নিব, বদলা হিসেবে 'বেকুব' সেকশনে আমার নিজের নাম ঢুকিয়ে রাখব।”
কী আর বলিব...আপনিই বলিলেন। ডিজিটাল এখন টালমাটাল অবস্থা। সবার হাতে মোবাইল, সবার আছে ইন্টারনেট। তথাপি ইহার অধিকাংশ দিকই ভালো।
মজার লেখাটিতে অনেক ‘গেনের কথা’ পাইলাম।
আমাদের হাইপ্রোফাইল নেতানেত্রীরা যেভাবে এর পেছনে ওঠেপড়ে লেগেছেন, যে শক্তিতে মিথ্যা ছড়াচ্ছেন এদের বিরুদ্ধে আর যেভাবে নতুন নতুন দল গজিয়ে ওঠছে এদেরকে প্রতিহত করার জন্য - তাতে বুঝাই যাচ্ছে প্রজন্ম চত্বরের ওই গণজাগরণ কী প্রভাব ফেলেছে। ওরা ঠিকই সারা বাংলায় ছড়িয়ে দিয়েছে বুকের আগুন। এটি যেন বিজয় অবধি জ্বলতেই থাকে!
Pages