আমল-ইবাদত

গরমে সিয়াম সাধনা: আমাদের করণীয়

রমজান মাসের প্রথম রাত্রি থেকে শেষ রাত অবধি আল্লাহ তায়ালা জান্নাতের দরজাসমূহ খোলা রাখেন। জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ রাখেন। শয়তানকে শৃংখলাবদ্ধ করে রাখেন।

ফারজানা রিংকী ২৮ মে ২০১৭, ০৯:১১

তাহাজ্জুদের নামাজ কি, কেন এবং কীভাবে আদায় করতে হয়?

রাসূল (সা.) যেভাবে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়তেন- কখনও মধ্যরাতে, কখনও তার কিছু আগে অথবা পরে ঘুম থেকে উঠতেন এবং আসমানের দিকে তাকিয়ে সূরা আলে ইমরানের শেষ রুকুর কয়েক আয়াত পড়তেন। তারপর মিসওয়াক ও অজু করে নামাজ পড়তেন। অর্ধ রাতের পরে, রাতের শেষ তৃতীয়াংশে পড়া উত্তম।

মিরাজ রহমান ৩০ আগস্ট ২০১৬, ০৪:২২

শাওয়ালের ছয় রোজার ফজিলত ও নিয়ম

আন নাসাঈ তার ‘সুবুল উস সালাম’ গ্রন্থে বলেছেন, যদি রমজানের ৩০টি রোজার সঙ্গে শাওয়ালের ছয়টি রোজা যুক্ত হয়, তাহলে মোট রোজার সংখ্যা হয় ৩৬টি। শরিয়ত অনুযায়ী প্রতিটি পুণ্যের জন্য ১০ গুণ পুরস্কারের কথা উল্লেখ রয়েছে। তাহলে ৩৬টি রোজা ১০ গুণ পুরস্কারে পরিণত করলে তা ৩৬০টি রোজার সমতুল্য হবে।

মিরাজ রহমান ০৯ জুলাই ২০১৬, ০৫:০৭

ইতিকাফ : কেন করবেন, কীভাবে করবেন?

নবীজি ইতিকাফকে খুব গুরুত্ব দিতেন। হজরত আয়েশা (রা.) বলেছেন, ‘রাসুলুল্লাহ (সা.) প্রতি রমজানের শেষ দশক (মসজিদে) ইতিকাফ করতেন। এ আমল তাঁর ইন্তেকাল পর্যন্ত কায়েম ছিল।’ (বুখারি ও মুসলিম)

মিরাজ রহমান ২৫ জুন ২০১৬, ০৪:৪৭

প্রতিটি দিনের শুরু হোক পবিত্র কোরআনের তেলাওয়াতের মাধ্যমে

প্রতিদিন আমাদের দিনের সূর্য উদিত হোক তেলাওয়াতে কোরআনের মাধ্যমে । এজন্য প্রয়োজন সুনিদৃষ্ট পরিকল্পনা, দৃঢ় সংকল্প, আল্লাহর দরবারে রোনাজারি। আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে অধিকহারে কোরআন তেলাওয়াত করে দোজাহানের কামিয়াবি হাসিল করার তাওফিক দান করুন। আমীন।

মাওলানা সাকিব মুস্তানসির ২৯ মে ২০১৬, ০৩:০৫

গৃহিণীদের কাজে সহযোগিতা করাও ইবাদত

পরিবারের নারীদেরকে এই সামান্য সহযোগিতাও ইবাদত। পারস্পরিক সহযোগিতা ও সহমর্মিতা একটি স্বতন্ত্র ও অনেক বড় নেক আমল। আর মাহে রমজানে তো যে কোনো নেক আমলের গুরুত্ব ও তাৎপর্য অন্য মাসের চেয়ে বেশি। এই মর্মে কোরআন বলছে, “তোমরা সৎকর্ম ও তাকওয়ার ক্ষেত্রে একে অন্যকে সহযোগিতা করবে। গুনাহ ও জুলুমের কাজে একে অন্যের সহযোগিতা করবে না। আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয়ই আল্লাহর শাস্তি খুবই কঠিন।”(সূরা মায়েদা, আয়াত ২)

priyo.Islam ২৬ মে ২০১৬, ০১:২৯

খাবারে তৃপ্তি লাভ করার আমল

মানুষের মৌলিক চাহিদার অন্যতম হচ্ছে খাবার গ্রহণ। খাবারে পরিপূর্ণ তৃপ্তি আনতে সুন্নতে রাসুল [সা.] -এর অনুসরণের বিকল্প নেই । যে খাবার বরকতময় হয় তা ডাল ভাল হলেও মানুষকে তৃপ্ত করতে সক্ষম হয়। আর বরকতহীন খাবার পোলাও কোরমা হলেও তৃপ্তি আনতে পারেনা বরং তা আরো বিভিন্ন রোগ-বালাই ও অসুস্থতার কারন হয়।

মাওলানা সাকিব মুস্তানসির ১৩ এপ্রিল ২০১৬, ০৪:১৩

ব্যবসায়ে অধিক মোনাফা লাভের আমল

জীবিকা উপার্জনের সবচে কার্যকরী মাধ্যম হলো হালাল ব্যবসা। নবী (সা.) নিজে ব্যবসা করেছেন। অন্যকে ব্যবসা করতে উৎসাহিত করেছেন। ব্যবসায়ীর উচ্চ মর্তবার কথাও ঘোষণা করেছেন। ইরশাদ হয়েছে-- হযরত ইবনে উমর রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূল সা. বলেছেন, 'সৎ ব্যবসায়ী কিয়ামতের দিন শহীদের সাথে থাকবে'। (সুনানে কুবরা- ২৬৬, তাবরানী- ৫৮৫)

মাওলানা সাঈদ কাদির ১২ এপ্রিল ২০১৬, ০৫:১৭

রিজিক-উপার্জনে বরকত লাভের আমল!

নবীজি সা. বলেছেন:"আল্লাহ বান্দাকে যা দিয়েছেন, তা দিয়ে পরীক্ষা করেন। বান্দা যা তাকে দেয়া হয়েছে, তা নিয়ে সন্তুষ্ট থাকে, আল্লাহ বরকত বাড়িয়ে দেন। প্রাচুর্য দান করেন। অন্যথায় বরকত লাভে বঞ্চিত হয় (মুসনাদে আহমাদ)"।

মাওলানা সাকিব মুস্তানসির ০৪ এপ্রিল ২০১৬, ০৩:৩৯

শয়তানের প্ররোচনায় পাপ করে ফেলেছি, এখন কী করবো?

যদি কোনো বান্দা কোনো পাপ কাজ করে ফেলে, অতঃপর সে উত্তমরূপে পবিত্রতা অর্জন করে এবং দাঁড়িয়ে যায় ও দু রাক‘আত সালাত আদায় করে, তারপর আল্লাহ্‌র কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে, তাহলে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেবেন।

priyo.Islam ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৬, ০৪:১৪

loading ...