ছবি সংগৃহীত

অবশেষে গ্রিস থেকে মেসিডোনিয়ায় প্রবেশ করল শত শত শরণার্থী

শনিবার সকালের দিকে শরণার্থীদের মাথার উপর দিয়ে গুলি চালানো হয়। তারা অনেক ঝুঁকি নিয়ে এ পর্যন্ত এসেছে। তারা প্লাস্টিকের নৌকায় করে সাগর পাড়ি দিয়েছে। এরপর পায়ে হেটে সীমান্ত পার হয়। কিন্তু পুলিশের কাছে এমন আচরণ তারা কোনোভাবেই আশা করেনি।

priyo.com
লেখক
প্রকাশিত: ২৩ আগস্ট ২০১৫, ১০:৪০ আপডেট: ১৮ জুন ২০১৮, ১৪:৫১
প্রকাশিত: ২৩ আগস্ট ২০১৫, ১০:৪০ আপডেট: ১৮ জুন ২০১৮, ১৪:৫১


ছবি সংগৃহীত
(প্রিয়.কম) শনিবার দিনভর সহিংসতার পর অবশেষে গ্রিক সীমান্তে অপেক্ষমান শত শত সিরীয় শরণার্থীকে মেসিডোনিয়ায় ঢুকতে দিলো দেশটির পুলিশ। শনিবার সীমান্তে গ্রেনেডের মাধ্যমে তাদেরকে থামানোর চেষ্টা করেছিলো তারা। কাতারের সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা’র প্রতিনিধি জোনাহ হল জানান, শনিবার রাতে এটা স্পষ্ট হয়ে যায় যে, পুলিশ কোনোভাবেই তাদের থামাতে পারছিল না। এর আগে অনেকেই খালি মাঠ দিয়ে সীমান্ত পার হয়। বাকিদের গ্রিসে ফেরত পাঠানো হয়। কিন্তু সেখানে তাদেরকে পুলিশের নির্যাতনের শিকার হতে হয়। জোনাহ হল জানান, শনিবার সকালের দিকে শরণার্থীদের মাথার উপর দিয়ে গুলি চালানো হয়। তারা অনেক ঝুঁকি নিয়ে এ পর্যন্ত এসেছে। তারা প্লাস্টিকের নৌকায় করে সাগর পাড়ি দিয়েছে। এরপর পায়ে হেটে সীমান্ত পার হয়। কিন্তু পুলিশের কাছে এমন আচরণ তারা কোনোভাবেই আশা করেনি। সিরিয়ার অভিবাসী আহমেদ সাতুফ বলেন, ‘আমি কোনো সন্ত্রাসী নই, আমরা মানুষ। মানবিকতা কোথায়? আমরা কিছু চাই না, আমাদের টাকার দরকার নেই আমাদের শুধু জার্মানি যেতে দেয়া হোক।’ বৃহস্পতিবার মেসিডোনিয়ান সরকার সীমান্তে জরুরি অবস্থা ঘোষণার পর গ্রিস এবং মেসিডোনিয়া সীমান্তে কয়েক হাজার শরণার্থী আটকা পড়ে আছে। শুক্রবার পুলিশ কিছু পরিবারকে তাদের শিশুদের নিয়ে সীমান্ত পার হতে দেয়। যারা পার হতে পারেনি, তারা সারারাত বৃষ্টির মধ্যে খোলা আকাশের নিচে ছিল। বেশিরভাগ শরনার্থীই গৃহযুদ্ধের কারণে পালিয়ে আসছে। বাকিরা হয়তো অর্থনৈতিক সংকটের শিকার। শরণার্থীদের বাধা দেয়ার ব্যাপারে ক্ষোভ জানিয়ে গ্রিসে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এর প্রধান জিওরস কসমোপলস বলেন, ‘পুলিশ শরণার্থীদের সঙ্গে এমন আচরণ করছে যেন তারা বিক্ষোভকারী ‘ তিনি বলেন, ‘কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই পার্থক্য বুঝতে হবে যে এই মানুষগুলো আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার রাখে ‘ এদিকে মেসিডোনিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আইভো কতেভস্কির দাবি, ‘সীমান্তরক্ষীরা কোনোরকম সহিংসতায় জড়ায়নি। তবে আত্মরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ তারা নিতেই পারে।’ শরনার্থীদের সহায়তায় মেসিডোনিয়া সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। মেসিডোনিয়া পার হয়ে ট্রেনে করে সার্বিয়া দিয়ে হাঙ্গেরি পৌঁছাতে পারবে বলে আশা করছে শরণার্থীরা।

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...