ছবি সংগৃহীত

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘আত্ম-মূল্যায়নে কৌশল’ শীর্ষক কর্মশালা

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘আত্ম-মূল্যায়নে সচেতনতা তৈরির কৌশল’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সেলফ এ্যাসেসমেন্ট কমিটি এ কর্মশালার আয়োজন করে।

priyo.com
লেখক
প্রকাশিত: ২৩ আগস্ট ২০১৬, ১১:০০ আপডেট: ০৭ জুলাই ২০১৮, ০৬:৪৭
প্রকাশিত: ২৩ আগস্ট ২০১৬, ১১:০০ আপডেট: ০৭ জুলাই ২০১৮, ০৬:৪৭


ছবি সংগৃহীত


ইলিয়াস মেহেদী, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

(প্রিয় ক্যাম্পাস) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘আত্ম-মূল্��ায়নে সচেতনতা তৈরির কৌশল’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সেলফ এ্যাসেসমেন্ট কমিটি এ কর্মশালার আয়োজন করে। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় বিভাগের সভাপতির অফিসে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মশালায় গফুর গাজীর সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. জাহাঙ্গীর হোসাইন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও ইন্সটিটিউট অব কোয়ালিটি এ্যাসিউরেন্স সেলের (আইকিউএসি) পরিচালক অধ্যাপক ড. হারুন উর রাশিদ আসকারী, বিশেষ অতিথি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শাহিনুর রহমান, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সেলিম তোহা।

কর্মশালায় প্রধান গবেষক হিসেবে আলোচনা করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. এস.এম. কবির।

এসময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. অলীউল্ল্যাহ, ড. আবদুল বারি, ড. ইকবাল হোছাইন, শাহাবুল আলমসহ প্রমুখ। কর্মশালায় শিক্ষক, কর্মকর্তা নেতৃবৃন্দ ও বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

মূল আলোচনায় অধ্যাপক ড. এস.এম. কবির বলেন, ‘শিক্ষাগত যোগ্যতা, নিশ্চিত করা রাইট স্টুডেস্ট বাছাই করতে হবে। ছাত্রদের ক্যারিয়ারের জন্য সচেতন থাকতে হবে। শিক্ষকদের সচেতনতা তৈরি করতে হবে। শিক্ষার্থীর আচরণ দেখে বুঝা যাবে সে শিক্ষার্থী’।

উপ-উপাচার্য ড. মো. শাহিনুর রহমান বলেন, শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য শিক্ষক এবং শিক্ষার্থী উভয়কেই লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হবে। সে-লক্ষ্যে পৌঁছার জন্য যে উপকরণগুলো ব্যবহার করা প্রয়োজন সেগুলো আন্তরিকতার সাথে ব্যবহার করতে হবে।

তিনি বলেন, আত্ম-মূল্যায়ন (সেল্ফ এ্যাসেসমেন্ট) ব্যতিরেকে, লক্ষ্যে পৌঁছতে কোন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে, সেগুলো চিহ্নিত করা না গেলে শিক্ষার মান উন্নয়ন সম্ভব নয় এবং এটি শিক্ষক ও শিক্ষার্থী উভয়ের জন্যই প্রযোজ্য। এ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই কোয়ালিটি এডুকেশন নিশ্চিত করা সম্ভব।

উপাচার্য ড. রাশিদ আসকারী বক্তব্য বলেন, যদি আমরা শিক্ষার গুণগতমান উন্নত করতে চাই তাহলে আমাদের আত্ম-মূল্যায়ণ করতে হবে।