ছবি সংগৃহীত

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার পরবর্তী শুনানি ২৫ এপ্রিল

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার তদন্ত কর্মকর্তার পুনরায় সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরার জন্য বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার করা আবেদন খারিজ করে দিয়ে মামলার পরবর্তী শুনানির দিন আগামী ২৫ এপ্রিল নির্ধারণ করেছেন আদালত।

priyo.com
লেখক
প্রকাশিত: ১৭ এপ্রিল ২০১৬, ০৮:২১ আপডেট: ১৮ জুন ২০১৮, ১০:১৯
প্রকাশিত: ১৭ এপ্রিল ২০১৬, ০৮:২১ আপডেট: ১৮ জুন ২০১৮, ১০:১৯


ছবি সংগৃহীত

ছবি: ফোকাস বাংলা 

(প্রিয়.কম) জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার তদন্ত কর্মকর্তার পুনরায় সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরার জন্য বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার করা আবেদন খারিজ করে দিয়ে মামলার পরবর্তী শুনানির দিন আগামী ২৫ এপ্রিল নির্ধারণ করেছেন আদালত।  

রোববার ঢাকার বকশীবাজারে কারা অধিদফতরের প্যারেড মাঠে স্থাপিত তৃতীয় বিশেষ জজ আবু আহমেদ জমাদার এসব আদেশ দেন। আজ আদালতে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য দিন ধার্য ছিল।

এর আগে সকালে আদালতে হাজির হন খালেদা জিয়া। সকাল নয়টা ৫০ মিনিটে গুলশানের বাসা থেকে আদালতের উদ্দেশ্যে রওনা দেন খালেদা। সকাল সাড়ে দশটায় আদালত চত্বরে এসে পৌঁছে দশটা ৩৫ মিনিটে এজলাসকক্ষে ঢোকেন তিনি। এরপর দশ মিনিট আসামির কাঠগড়ার সামনে দাঁড়িয়ে থাকেন তিনি। দশটা ৪৫ মিনিট বিচারক এজলাসে বসার পর খালেদা জিয়ার আইনজীবী অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া তার বসার অনুমতি প্রার্থনা করেন। আদালত অনুমতি দিলে কাঠগড়ার সামনে রাখা তার জন্য নির্ধারিত চেয়ারে বসেন খালেদা। 

প্রথমে আদালতে তার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া তদন্ত কর্মকর্তার পুনরায় সাক্ষ্য গ্রহণের আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক তা নাকচ করে দেন। পড়ে খালেদার আইনজীবীরা তদন্ত কর্মকর্তাকে আবারও জেরা করার আবেদন করেন। এ আবেদনের ওপর শুনানি শেষে এটি খারিজ করে দেন আদালত। 

খালেদা জিয়ার পক্ষে আদালতে শুনানি করেন আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, এ জে মোহাম্মদ আলী, জয়নুল আবেদীন, আবদুর রেজাক খান। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে ছিলেন মোশাররফ হোসেন কাজল।

শুনানির সময় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুল আউয়াল মিন্টু, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ও বিএনপি নেতা নাজিম উদ্দিন আলম উপস্থিত ছিলেন।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ৭ এপ্রিল আদালতে হাজির হওয়ার কথা ছিল খালেদা জিয়ার। কিন্তু ওই দিন আদালতে হাজির হননি তিনি। পরে তার আইনজীবীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ১৭ এপ্রিল আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন আদালত।   

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় মোট আসামি চারজন। অন্য আসামিরা হলেন— খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটিএ’র নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান। খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী মামলার শুরু থেকেই পলাতক।  

২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা দায়ের করা হয়। জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগ এনে এ মামলা দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।   

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...