ছবি সংগৃহীত

জিয়া ট্রাস্ট মামলা স্থগিতে খালেদা জিয়ার লিভ টু আপিল

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় তদন্ত কর্মকর্তাকে পুনরায় জেরাসহ ওই মামলার কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে করা রিভিশন আবেদন খারিজ হয়ে গেলে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল (আপিল অনুমতি আবেদন) দায়ের করা হয়েছে।

priyo.com
লেখক
প্রকাশিত: ৩১ মে ২০১৬, ১৫:২৪ আপডেট: ১৭ এপ্রিল ২০১৮, ০৯:৫৯
প্রকাশিত: ৩১ মে ২০১৬, ১৫:২৪ আপডেট: ১৭ এপ্রিল ২০১৮, ০৯:৫৯


ছবি সংগৃহীত

ফাইল ছবি

(প্রিয়.কম) জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় তদন্ত কর্মকর্তাকে পুনরায় জেরাসহ ওই মামলার কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে করা রিভিশন আবেদন খারিজ হয়ে গেলে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল (আপিল অনুমতি  আবেদন) দায়ের করা হয়েছে। 

মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ আবেদন করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী।

ব্যারিস্টার রাগীব রউফ বলেন, ‘আমরা এ মামলার বিষয়ে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে (রায়ের কপি হাতে পাওয়ার পর) আজ নিয়মিত লিভ টু আপিল করেছি।’

খালেদা জিয়ার আইনজীবী ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী বলেন, হাইকোর্টের রায়ের পূর্ণাঙ্গ রায় ২৬ মে আমরা হাতে পাই। এর প্রেক্ষিতে মামলার কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে পৃথক দুটি লিভ টু আপিল করা হয়েছে। এখন শুনানির জন্য পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। 

বর্তমানে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলাটির কার্যক্রম বিচারিক আদালতে শেষ পর্যায়ে রয়েছে। ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আবু আহমেদ জমাদারের আদালতে আগামী ২ জুন এ মামলা শুনানির পরবর্তী দিন নির্ধারিত আছে। এ সময় খালেদা জিয়ার আত্মপক্ষ সমর্থন করে বক্তব্য দেয়ার কথা রয়েছে।

গত ১৭ এপ্রিল বিচারিক আদালতে তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক হারুন-অর রশিদের পুনরায় সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরার দু’টি পৃথক আবেদন করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। আবেদন দু’টির পক্ষে শুনানি করেন খালোদার আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী। শুনানি শেষে আবেদন দু’টি খারিজ করে দেন আদালত।

এর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিভিশন আবেদন করেন খালেদা জিয়া। ওই আবেদনে মামলার কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশও চাওয়া হয়। ১৫ মে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি আমির হোসেনের বেঞ্চ শুনানি নিয়ে আবেদন দু’টি খারিজ করে দেন। গত ২৬ মে হাইকোর্টের আদেশের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হলে এর বিরুদ্ধে আজ লিভ টু আপিল আবেদন করলেন খালেদা জিয়া।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে আসা ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় এই মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। খালেদা জিয়া ছাড়া অন্য চার আসামি হলেন তার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব, বিআইডব্লিউটিএর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান। 

 

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...