ছবি সংগৃহীত

তদন্ত কর্মকর্তাকে ফের জেরার আবেদন খালেদার

তবে তার পক্ষে মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক হারুন-অর রশিদের পুনরায় জেরার আবেদন করেছেন তার আইনজীবীরা।

priyo.com
লেখক
প্রকাশিত: ১৭ এপ্রিল ২০১৬, ০৭:০৫ আপডেট: ১৮ জুন ২০১৮, ০৮:১১
প্রকাশিত: ১৭ এপ্রিল ২০১৬, ০৭:০৫ আপডেট: ১৮ জুন ২০১৮, ০৮:১১


ছবি সংগৃহীত

ফাইল ছবি

(প্রিয়.কম) জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পক্ষে করা তদন্ত কর্মকর্তার পুনরায় সাক্ষ্য নেওয়ার আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। তবে তার পক্ষে মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক হারুন-অর রশিদের পুনরায় জেরার আবেদন করেছেন তার আইনজীবীরা।

রোববার বেলা সোয়া ১২টা থেকে দ্বিতীয় আবেদনটির শুনানি চলছে।   

রোববার ঢাকার বকশীবাজারে কারা অধিদপ্তরের প্যারেড মাঠে স্থাপিত তৃতীয় বিশেষ জজ আবু আহমেদ জমাদারের অস্থায়ী আদালতে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য দিন ধার্য ছিল।

এর আগে সকালে আদালতে হাজির হন খালেদা জিয়া। সকাল নয়টা ৫০ মিনিটে গুলশানের বাসা থেকে আদালতের উদ্দেশ্যে রওনা দেন খালেদা। সকাল সাড়ে দশটায় আদালত চত্বরে এসে পৌঁছে দশটা ৩৫ মিনিটে এজলাসকক্ষে ঢোকেন তিনি। এরপর দশ মিনিট আসামির কাঠগড়ার সামনে দাঁড়িয়ে থাকেন তিনি। দশটা ৪৫ মিনিট বিচারক এজলাসে বসার পর খালেদা জিয়ার আইনজীবী অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া তার বসার অনুমতি প্রার্থনা করেন। আদালত অনুমতি দিলে কাঠগড়ার সামনে রাখা তার জন্য নির্ধারিত চেয়ারে বসেন খালেদা।

প্রথমে আদালতে তার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া তদন্ত কর্মকর্তার পুনরায় সাক্ষ্য গ্রহণের আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক তা নাকচ করে দেন। এখন খালেদার আইনজীবীরা তদন্ত কর্মকর্তাকে আবারও জেরা করার আবেদন করেছেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এখন সে আবেদনের ওপর শুনানি চলছে।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ৭ এপ্রিল আদালতে হাজির হওয়ার কথা ছিল খালেদা জিয়ার। কিন্তু ওই দিন আদালতে হাজির হননি তিনি। পরে তার আইনজীবীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ১৭ এপ্রিল আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন আদালত।  

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় মোট আসামি চারজন। অন্য আসামিরা হলেন— খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটিএ’র নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী মামলার শুরু থেকেই পলাতক। 

২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা দায়ের করা হয়। জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগ এনে এ মামলা দায়ের করা হয়। 

 

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...