ছবি সংগৃহীত

নিজের অজান্তেই যেভাবে বাজে খরচ করে চলেছেন আপনি

সারাজীবন আপনি হাত খুলে খরচ করতে অভ্যাস্ত। একটা সময়ে আপনার চোখ খুলে গেলো, টাকা জমানোর গুরুত্ব বুঝলেন। কিন্তু এর পরেও টাকা জমছে না কিছুতেই। আপনি বুঝতেই পারছেন না কোথা দিয়ে এতোগুলো টাকা বের হয়ে যাচ্ছে প্রতি মাসে। দেখুন তো, নিজের অজান্তেই এসব খরচ করে ফতুর হয়ে যাচ্ছেন কি আপনিও?

দেয়া
লেখক
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০১৫, ০৪:০৮ আপডেট: ১৭ জুন ২০১৮, ১৮:৫৯
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০১৫, ০৪:০৮ আপডেট: ১৭ জুন ২০১৮, ১৮:৫৯


ছবি সংগৃহীত

ছবি- kurier.at

(প্রিয়.কম)- সারাজীবন আপনি হাত খুলে খরচ করতে অভ্যাস্ত। একটা সময়ে আপনার চোখ খুলে গেলো, টাকা জমানোর গুরুত্ব বুঝলেন। কিন্তু এর পরেও টাকা জমছে না কিছুতেই। আপনি বুঝতেই পারছেন না কোথা দিয়ে এতোগুলো টাকা বের হয়ে যাচ্ছে প্রতি মাসে। দেখুন তো, নিজের অজান্তেই এসব খরচ করে ফতুর হয়ে যাচ্ছেন কি আপনিও?

১) বাইরে খাওয়া দাওয়া করা

আগে কিন্তু ঢাকায় এতগুলো রেস্টুরেন্ট ছিলো না। আর বিশেষ কোনো কারণ ছাড়া বাইরে খাওয়াদাওয়ার কথা কেউ চিন্তাও করতো না। ইদানিং বিভিন রেস্টুরেন্টে খাওয়াটা অভ্যাসে পরিণত হয়েছে বেশীরভাগ মানুষের জন্যই। এ কারণে যে অনেকগুলো টাকা বের হয়ে যায় সেটা আমাদের চিন্তাতেও নেই। একই জিনিস হয়তো আপনি বাড়িতেই রান্না করে ফেলতে পারতেন অনেক কম খরচে। বাজে খরচ হবার একটা বড় কারণ বাইরে খাওয়া।

২) বার বার গাড়ি নিয়ে বাইরে যাওয়া

গ্যাস এবং তেলের মতো খরচের জিনিস এখন খুব কমই আছে। এমন অবস্থায় আপনি প্রথমে বাচ্চাকে স্কুলে নিয়ে গেলেন। এরপর স্ত্রী কে নামিয়ে দিলেন তার অফিসে। সবশেষে নিজে অফিসে গেলেন। এভাবে কতো গ্যাস নষ্ট হচ্ছে ভাবুন তো! এ কারণে সম্ভব হলে সবাই এক ট্রিপে নিজের নিজের গন্তব্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করুন। এমন যদি হয় যে আপনি একাই কোনো কাজে বাইরে যাচ্ছেন, তাহলে বিশেষ অসুবিধে না হলে বাস বা অন্য কোনো পাবলিক ট্রান্সপোর্টে যাওয়ার চেষ্টা করুন। কতো কম খরচ হবে আপনি চিন্তাও করতে পারবেন না। শুধু তাই না, এতে গাড়িটার ওপরে চাপ কমবে এবং মেরামতের খরচ নিয়ে বেশি ভাবতে হবে না।

৩) বেশি কিনে খাবার নষ্ট করা

পাইকারি দামে বেশি করে বাজার করে রাখাটা খরচ কমানোর একটা উপায় বটে। কিন্তু বেশি করে কিনে পরে যদি খেতে না পারেন এবং ফেলে দেন তাহলে সেটা ভীষণ অন্যায়। এছাড়া সব খাবার এতো বেশি করে কেনাও ঠিক না। এটা সমাধানের সহজ একটা উপায় আছে। আপনি যদি সপ্তাহের শুরুতে ঠিক করে ফেলেন কোন দিন কী কী রান্না হবে এবং সেই অনুযায়ী বাজার করেন, অথবা বাজার অনুযায়ী রান্নার প্ল্যান করেন তাহলে খাবার নষ্ট হবে না, খরচটাও বেঁচে যাবে। হাফিংটন পোস্ট চমৎকার একটি চার্টের মাধ্যমে দেখিয়েছে কীভাবে আপনি খাবার প্ল্যান করতে পারেন। এছাড়াও আরেকটা কাজ করতে পারেন। আপনার ফ্রিজের পাশে বা রান্নাঘরে একটা স্লেট বা হোয়াইট বোর্ড ঝুলিয়ে তাতে লিখে রাখতে পারেন ফ্রিজে কী কী আছে। এতে অপচয় কম হবে।

টাকা জমানো শুরু করার ক্ষেত্রে ভালো পদক্ষেপ হতে পারে এই কয়টি টিপস। শুরু করে দেবার পরে আপনি নিজেই বুদ্ধি খাটিয়ে বের করে ফেলতে পারেন আর কোথায় কোথায় আপনি সাশ্রয় করতে পারেন। শুরু করাটাই কষ্ট। তাই সাতপাঁচ না ভেবে আজই এসব বাজে খরচ বাদ দিন।