ছবি সংগৃহীত

বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে ২০ টি গ্রাম প্লাবিত

বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার চন্দনবাইশা শেখ পাড়া থেকে কামালপুরের রৌহাদহ পর্যন্ত প্রায় ৬শ মিটার বাঁধের ভাঙা অংশ দিয়ে যমুনা নদীর পানি বাঙ্গালি নদীতে প্রবেশ শুরু করলে তুন করে ২০টি গ্রাম প্লাবিত হতে শুরু করে।

priyo.com
লেখক
প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৪, ০৯:৫৭ আপডেট: ১৫ এপ্রিল ২০১৮, ১৯:০৬
প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৪, ০৯:৫৭ আপডেট: ১৫ এপ্রিল ২০১৮, ১৯:০৬


ছবি সংগৃহীত
(প্রিয়.কম) বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার চন্দনবাইশা শেখ পাড়া থেকে কামালপুরের রৌহাদহ পর্যন্ত প্রায় ৬শ মিটার বাঁধের ভাঙা অংশ দিয়ে যমুনা নদীর পানি বাঙ্গালি নদীতে প্রবেশ শুরু করলে তুন করে ২০টি গ্রাম প্লাবিত হতে শুরু করে। এতে চন্দনবাইশা, ঘঘুমারি, শেখপাড়া, রৌহাদহ, কামালপুর, সুতানারা, বিবিরপাড়া, পাইকরতলি, সাতভিটা, হাওড়াখালি, দড়িপাড়া, কুতুবপুর, বড়কুতুবপুর, সোলারতাইড়, বাঁশহাটা, বড়ইকান্দি, ধলিরকান্দি, নিজ কর্নিবাড়ি, কাশিয়াহাটা ও বয়ড়াকান্দি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। শুক্রবার সকাল ১০টায় পানি উন্নয়ন বোর্ড সারিয়াকান্দির উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আব্দুল মোতালেব সংবাদমাধ্যমকে জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি ৮ সেমি কমে বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এত বাঙ্গালি নদীর পানি ২ সেমি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ১৭ সেমি উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। চন্দনবাইশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) তোজাম্মেল হোসেন সংবাদমাধ্যমকে জানান, বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় প্রতিদিন নতুন নতুন গ্রাম বন্যার পানিতে প্লাবিত হচ্ছে। পানিবন্দি লোকজন বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধসহ বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নিতে শুরু করেছে।

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...