ছবি সংগৃহীত

বাংলাদেশে চালু হচ্ছে ডিজিটাল সিনেমা হল

<strong>(প্রিয় টেক)</strong> বাংলাদেশে ডিজিটাল সিনেমার সম্ভাবনা বাড়ছে। সাধারণ সিনেমার চেয়ে দর্শকপ্রিয়তাও বৃদ্ধি পাচ্ছে এসব সিনেমায়। ইতিমধ্যে অনেক পরিচালকই ডিজিটাল সিনেমা নির্মাণের প্রতি ঝুঁকছে। কিন্তু ডিজিটাল সিনেমা হলের অভাবে ক্রমশ সম্ভাবনাময় ডিজিটাল সিনেমা হারিয়ে যেতে বসেছে। আর তা রক্ষা করতে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জাজ মাল্টিমিডিয়া দেশের ৫০টি সিনেমা হলকে ডিজিটাল করার উদ্যোগ নিয়েছে।

এম. মিজানুর রহমান সোহেল
জেষ্ঠ্য প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৮ নভেম্বর ২০১২, ০৭:১২
আপডেট: ১২ মে ২০১৮, ০১:৩৬


ছবি সংগৃহীত
(প্রিয় টেক) বাংলাদেশে ডিজিটাল সিনেমার সম্ভাবনা বাড়ছে। সাধারণ সিনেমার চেয়ে দর্শকপ্রিয়তাও বৃদ্ধি পাচ্ছে এসব সিনেমায়। ইতিমধ্যে অনেক পরিচালকই ডিজিটাল সিনেমা নির্মাণের প্রতি ঝুঁকছে। কিন্তু ডিজিটাল সিনেমা হলের অভাবে ক্রমশ সম্ভাবনাময় ডিজিটাল সিনেমা হারিয়ে যেতে বসেছে। আর তা রক্ষা করতে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জাজ মাল্টিমিডিয়া দেশের ৫০টি সিনেমা হলকে ডিজিটাল করার উদ্যোগ নিয়েছে। ডিজিটাল ছবি বহির্বিশ্বে জনপ্রিয় হলেও এদেশের দর্শকদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পেতে যথেষ্ট সময় লাগছে। এর পেছনে এতদিন যে কারণটি কাজ করেছে তা হচ্ছে, ডিজিটাল ছবি প্রদর্শনীর ব্যবস্থা না থাকা। সিনেমা হলগুলো ডিজিটাল না হওয়ায় ডিজিটাল ছবির সুফল পাচ্ছিলেন না নির্মাতারা। সিনেমা হলগুলোর গতানুগতিক প্রজেকশন যন্ত্রে ডিজিটাল ছবি চলায় দর্শক মনে ডিজিটাল ছবি সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা জন্ম নিয়েছে। ডিজিটাল ক্যামেরায় চিত্রায়ণ করে ফিল্মে ট্রান্সফার করে সিনেমা হলে চালানোয় ছবিগুলোর প্রিন্টের মান খারাপ হয়েছে। ডিজিটাল ছবির প্রতি দর্শকদের বিরূপ মনোভাব তৈরি হয়েছে। ডিজিটাল পদ্ধতিতে কিছু নির্মাতা কম খরচে ছবি বানাতে পারলেও প্রেক্ষাগৃহে ছবির কাক্সিক্ষত মান নিশ্চিত করতে না পারায় ছবিগুলো সাফল্যের মুখ দেখেনি। তারেক মাসুদ ২০০৪ সালে ডিজিটাল ছবি অন্তর্যাত্রা নির্মাণ করেন। তার সর্বশেষ নির্মিত ছবি রানওয়ে ছিল ডিজিটাল পদ্ধতিতে নির্মিত। কিন্তু ছবিটি সিনেমা হলগুলোয় রিলিজ করতে পারেননি তিনি। মূলধারার চলচ্চিত্র পরিচালকরাও আছেন ডিজিটাল পদ্ধতিতে কাজ করা নির্মাতাদের তালিকায়। গত বছর মুক্তি পায় ডিজিটাল ছবি রাজু আহমেদ পরিচালিত ভুল, মাসুদ কায়নাত পরিচালিত বেইলী রোড, নুরুল আলম আতিক পরিচালিত ডুবসাঁতার ইত্যাদি। চলতি বছর মুক্তি পেয়েছে নোমান রবিন পরিচালিত কমন জেন্ডার এবং শাহীন সুমন পরিচালিত ভালোবাসার রঙ। একই পরিচালক নির্মাণ করছেন অন্য রকম ভালোবাসা নামের ডিজিটাল ছবিটিও। এ মুহূর্তে অন্তত ডজনখানেক ডিজিটাল ছবি নির্মিত হচ্ছে। হাই-টেকনোলজির ছবি তৈরি হলেও দেশের অনেক সিনেমা হলেই দর্শকদের ছবির স্বাদ পুরোপুরি নেয়া সম্ভব হয়নি সিনেমা হলগুলো আধুনিক না হওয়ায়। ডিজিটাল ছবি প্রদর্শনের জন্য সিনেমা হলগুলো ডিজিটাল করা জরুরি। আর এ কাজটির জন্যই এগিয়ে এসেছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জাজ মাল্টিমিডিয়া। এটি দেশের ৫০টি সিনেমা হলকে ডিজিটাল করার উদ্যোগ নিয়েছে। হলগুলো ডিজিটাল হলে ডিজিটাল পদ্ধতিতে নির্মিত যে কোন ছবি তারা প্রদর্শন করতে পারবেন।

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন
স্পন্সরড কনটেন্ট
Two films hit cinemas today
Two films hit cinemas today
নিউ এইজ - ২ দিন, ৯ ঘণ্টা আগে
‘Digital Bangladesh Day’ being observed
‘Digital Bangladesh Day’ being observed
ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেস - ৩ দিন, ২০ ঘণ্টা আগে
এবার ওয়েব সিরিজে আইরিন
এবার ওয়েব সিরিজে আইরিন
নয়া দিগন্ত - ৩ দিন, ২১ ঘণ্টা আগে
Pay Tk 1b to Moon Cinema Hall owner by June 30: SC
Pay Tk 1b to Moon Cinema Hall owner by June 30: SC
ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেস - ৫ দিন, ১৪ ঘণ্টা আগে
Pay Tk 1b to Moon Cinema Hall owner by June 30: SC
Pay Tk 1b to Moon Cinema Hall owner by June 30: SC
নিউ এইজ - ৫ দিন, ১৬ ঘণ্টা আগে
Pay Tk 100cr to Moon Cinema Hall by June 30: SC
Pay Tk 100cr to Moon Cinema Hall by June 30: SC
ডেইলি স্টার - ৫ দিন, ১৬ ঘণ্টা আগে