ছবি সংগৃহীত

বিলুপ্তির পথে কুষ্টিয়ার তাঁত ও পাওয়ার লুম শিল্প

প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ, পুঁজির অভাব এবং সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা না পাওয়ায় বিলুপ্তির পথে কুষ্টিয়ার তাঁত ও পাওয়ার লুম শিল্প। অধিকাংশ তাঁত ও পাওয়ার লুম কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। অব্যাহত ভাবে কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় তাঁতশিল্প ধরে রাখতে হিমশিম খাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।

priyo.com
লেখক
প্রকাশিত: ২০ জুন ২০১৬, ০৪:৪৭ আপডেট: ১৪ এপ্রিল ২০১৮, ০৩:৫৯
প্রকাশিত: ২০ জুন ২০১৬, ০৪:৪৭ আপডেট: ১৪ এপ্রিল ২০১৮, ০৩:৫৯


ছবি সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ, পুঁজির অভাব এবং সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা না পাওয়ায় বিলুপ্তির পথে কুষ্টিয়ার তাঁত ও পাওয়ার লুম শিল্প। অধিকাংশ তাঁত ও পাওয়ার লুম কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। অব্যাহতভাবে কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় তাঁতশিল্প ধরে রাখতে হিমশিম খাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।

এক সময় তাঁত মেশিনের শব্দে মুখরিত থাকতো কুষ্টিয়ার কুমারখালীর প্রতিটি এলাকা। এখানে তৈরি চাদর, বেডসিট, লুঙ্গি ও গামছা খ্যাতি অর্জন করেছে দেশজুড়ে। কিন্তু সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সে রমরমা অবস্থা এখন আর নেই। আর এ কারণে, ভালো নেই এ শিল্পের সঙ্গে জড়িত মানুষগুলো। 

উদ্যোক্তাদের দাবি, তাঁতের উপকরণ সুতা ও রংয়ের দাম বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ ওঠাতেই হিমশিম খাচ্ছেন তারা। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা না পাওয়ায় অধিকাংশ তাঁত ও পাওয়ার লুম কারখানা বন্ধ হওয়ায় বেকার হয়ে পড়ছেন তাঁতিরা। কুষ্টিয়ায় ২৭ হাজার তাঁত ও ৬০টি পাওয়ার লুম কারখানায় ৫০ হাজারেরও বেশি শ্রমিক রয়েছেন।

সরকারি ঋণ সহায়তার ব্যাপারে কিছু না বললেও জনবল সঙ্কটে কাঙ্ক্ষিত সেবা দেয়া যাচ্ছে না বলে জানালেন কুষ্টিয়া কুমারখালী তাঁত বোর্ডের লিয়াজোঁ কর্মকর্তা মো. বজলুর রহমান। তিনি বলেন, আন্তরিকতা থাকলেও জনবল সংকটে তাঁতিদের প্রশিক্ষণ দেয়া সম্ভব হচ্ছে না।

সূত্র : সময় টিভি

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...