ছবি সংগৃহীত

যুদ্ধ নয়, আঘাতের প্রতিঘাত করার সক্ষমতা থাকতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ কারো সঙ্গে যুদ্ধ চায় না উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যুদ্ধ নয়, শান্তি চাই। আমরা কারো সঙ্গে যুদ্ধ করতে চাই না। কিন্তু, কেউ আঘাত করলে সে আঘাতের প্রতিঘাত করার সক্ষমতা থাকতে হবে। এ জন্য প্রতিরক্ষা খাতকে আধুনিকায়নে কাজ করছে সরকার।

priyo.com
লেখক
প্রকাশিত: ২৭ এপ্রিল ২০১৪, ০৭:০৮ আপডেট: ১৮ জুন ২০১৮, ০২:১৩
প্রকাশিত: ২৭ এপ্রিল ২০১৪, ০৭:০৮ আপডেট: ১৮ জুন ২০১৮, ০২:১৩


ছবি সংগৃহীত
(প্রিয়.কম) বাংলাদেশ কারো সঙ্গে যুদ্ধ চায় না উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যুদ্ধ নয়, শান্তি চাই। আমরা কারো সঙ্গে যুদ্ধ করতে চাই না। কিন্তু, কেউ আঘাত করলে সে আঘাতের প্রতিঘাত করার সক্ষমতা থাকতে হবে। এ জন্য প্রতিরক্ষা খাতকে আধুনিকায়নে কাজ করছে সরকার। তিনি বলেন, প্রযুক্তি ব্যবহারে জনগণকে সক্ষম করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। সেই সঙ্গে প্রতিরক্ষা বাহিনীকেও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে সক্ষম করে তুলবে সরকার। রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে এসে কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ সব বলেন। বাংলাদেশ মায়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমা নিয়ে যে বিজয় লাভ করেছে, সে বিষয় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সমুদ্রসীমা রক্ষার পাশাপাশি সমুদ্র সম্পদের অধিকার রক্ষায় প্রতিরক্ষা বিভাগকে আধুনিকায়ন করা জরুরি। তিনি বলেন, বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারলে দেশ সামনে আগাবে এবং সেই লক্ষ্যেই কাজ করছে সরকার। মুক্তিযুদ্ধের বিজয় প্রসঙ্গ তুলে শেখ হাসিনা বলেন, বাঙালি জাতি যুদ্ধবিজয়ী জাতি। আমরা যুদ্ধ করে যেভাবে দেশকে স্বাধীন করেছি, ঠিক সেভাবেই লড়াই করে নিজেদের আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এ জন্য কারো কাছে ভিক্ষার হাত পেতে নয়, কাজের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বের কাছে হবে আত্মমর্যাদাশীল একটি দেশ। দেশের সম্পদ সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে আত্মমর্যাদাশীল জাতি হওয়া যাবে। সে জন্য চাই সুষ্ঠু পরিকল্পনা। সবাই আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করলে দেশ সামনে এগিয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শনের সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা তারেক আহমেদ সিদ্দিকী ও প্রতিরক্ষা বাহিনীর কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী সেখানে একঘণ্টা অবস্থান করে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মন্ত্রণালয় ত্যাগ করেন।