ছবি সংগৃহীত

রংপুর ৬ আসন: ক্ষমতাসীনরা অগোছালো বড় প্রার্থী নেই ১৮ দলে

২০০৮ সালের নির্বাচনে রংপুরের ছয়টি আসনই ক্ষমতাসীন মহাজোটের দখলে থাকলেও বর্তমানে এখানে জোটের নেতাদের সাংগঠনিক অবস্থা ভালো নয়। আর এ সুযোগ কাজে লাগাতে চায় বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোট, যদিও তাদের কোনো হেভিওয়েট প্রার্থী নেই।

priyo.com
লেখক
প্রকাশিত: ০৬ নভেম্বর ২০১৩, ০৫:২১ আপডেট: ২৭ মার্চ ২০১৮, ১০:০৭


ছবি সংগৃহীত
২০০৮ সালের নির্বাচনে রংপুরের ছয়টি আসনই ক্ষমতাসীন মহাজোটের দখলে থাকলেও বর্তমানে এখানে জোটের নেতাদের সাংগঠনিক অবস্থা ভালো নয়। আর এ সুযোগ কাজে লাগাতে চায় বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোট, যদিও তাদের কোনো হেভিওয়েট প্রার্থী নেই। রংপুরকে জাতীয় পার্টির ঘাঁটি বলা হলেও বর্তমান অবস্থায় দলটিকে পুরো ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগসহ মহাজোটের শরিক দলের নেতারা। তবে জাতীয় পার্টির নেতারা দাবি করছেন, রংপুরে জাতীয় পার্টির শক্তি প্রশ্নাতীত, তাই তাঁরা সব আসনই চাইবেন। গত নির্বাচনে ছয় আসনের মধ্যে তিনটি তিনটি করে ভাগাভাগি করে নেয় মহাজোটের প্রধান দুই শরিক আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি। তবে জোটগতভাবে দুটি আসনে এককভাবে মনোনয়ন দেওয়া সম্ভব হয়নি এবং সে ক্ষেত্রে জাপা প্রার্থীরা পরাজিত হন আওয়ামী লীগ প্রার্থীর কাছে। আবারও অতিথি প্রার্থী : রংপুর-১ (গঙ্গাচড়া) এই আসনের ভোটাররা গত চারটি নির্বাচনে স্থানীয় কোনো প্রার্থীকে সংসদ সদস্য হিসেবে পায়নি। প্রতিবছরই অতিথি প্রার্থী দিয়ে নির্বাচনে জয়ী হয়েছে জাতীয় পার্টি। সর্বশেষ নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মহাজোটের প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করে জয়ী হন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদের আপন ভাতিজা হোসেন মকবুল শাহরিয়ার আসিফ। ইতিমধ্যেই নানা বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছেন তরুণ এই জনপ্রতিনিধি। এলাকার মানুষের সঙ্গেও তেমন একটা যোগাযোগ নেই। এরপরও এবার জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে তাঁরই মনোনয়ন পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। তবে এই আসন থেকে এরশাদের নিজের নির্বাচন করার চিন্তাও আছে বলে জানা গেছে। জোটগতভাবে নির্বাচনে অংশ নিলে জাতীয় পার্টির প্রার্থীই এখান থেকে মনোনয়ন পাবেন বলে মনে করা হচ্ছে। তবে শোনা যাচ্ছে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকেও মনোনয়ন পাওয়ার চেষ্টা করবেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রুহুল আমিন, সাধারণ সম্পাদক ও সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবলু, ক্রীড়া সংগঠক ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের নবনির্বাচিত পরিচালক অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল ইসলাম। ১৮ দলীয় জোটের উল্লেখযোগ্য কোনো প্রার্থী নেই। এ ক্ষেত্রে আলমবিদিতর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোকাররম হোসেন সুজন কেন্দ্রের সঙ্গে জোর তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন বিএনপির মনোনয়ন পাওয়ার জন্য। প্রার্থীর ছড়াছড়ি : রংপুর-২ (বদরগঞ্জ-তারাগঞ্জ) এই আসনটি গত চারবার জাতীয় পার্টির দখলে গেছে। গত নির্বাচনে মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হন জাতীয় পার্টির আনিছুল ইসলাম মণ্ডল। বর্তমান এমপি হওয়ায় স্বাভাবিকভাবে তাঁর মনোনয়ন পাওয়ার কথা থাকলেও পার্টির চেয়ারম্যানকে হাত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন অনেকে। তাঁদের মধ্যে আসাদুজ্জামান চৌধুরী সাবলু নামের এক শিল্পপতি সবচেয়ে এগিয়ে বলে জানা গেছে। এ ছাড়া তারাগঞ্জ উপজেলা জাপার নেতা শাহিনুর রহমান মার্শালও মনোনয়ন চাইতে পারেন। এই আসনে মহাজোটের প্রধান শরিক আওয়ামী লীগেরও টিকিট নিয়ে নির্বাচন করার জন্য বেশ কয়েকজন লবিং-গ্রুপিং করে যাচ্ছেন কেন্দ্রের সঙ্গে। আগ্রহীদের মধ্যে আছেন রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক ড. এম শাহনেওয়াজ আলী, বদরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আহসানুল হক চৌধুরী ডিউক, বদরগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান কৃষিবিদ বিশ্বনাথ সরকার বিটু। এ ছাড়া তারাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আতিয়ার রহমানও মনোনয়ন চাইতে পারেন বলে জানা গেছে। গত নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াত জোট থেকে এ টি এম আজহারুল ইসলাম নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন। এবার তিনি কারাগারে। ফলে জামায়াতের তেমন কোনো প্রার্থী নেই এই আসনে। তবে বিএনপির বেশ কয়েকজন প্রার্থী তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন মনোনয়নের জন্য। তাঁদের মধ্যে এগিয়ে আছেন গত ১৫ সেপ্টেম্বর রংপুরে খালেদা জিয়ার জনসভায় বিএনপিতে যোগদান করা সাবেক এমপি মোহাম্মদ আলী সরকার, তারাগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান নূরুন্নবী দুলাল, সাবেক এমপি ও বদরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির বর্তমান সভাপতি পরিতোষ চক্রবর্তী। ফের শূন্যতার ভয় : আশির দশকে রংপুরের সন্তান এইচ এম এরশাদ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলের পর থেকেই রংপুর-৩ (সদর) আসনে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতারা নির্বাচিত হচ্ছেন। ফলে তৃণমূল থেকে কেউ আর সুযোগ পাচ্ছেন না। সর্বশেষ নির্বাচনে এরশাদ প্রায় দুই লাখ ২০ হাজার ভোটের ব্যাবধানে বিএনপির আবদুল কাইয়ুম মণ্ডলকে পরাজিত করে নির্বাচিত হওয়ার পর আসনটি ছাড়েন তিনি। উপনির্বাচনে অংশ নিয়ে এরশাদ পত্নী রওশন বিজয়ী হয়ে গত পাঁচ বছরে পাঁচ দিনের জন্যও এলাকায় আসেননি। এবারও হয়তো এরশাদ নিজে বা কেন্দ্রীয় কোনো নেতাকে এখান থেকে মনোনয়ন দেবেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ব্যক্তি এরশাদ ছাড়া এই আসনে ক্ষমতা ধরে রাখা কঠিন হবে জাপার। বিশেষ করে বহিষ্কৃত দুই নেতা বড় ফ্যাক্টর হয়ে উঠতে পারেন। সিটি নির্বাচনে দ্বিতীয় স্থানে থাকা সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফার তৃণমূল পর্যায়ে একটা নিজস্ব ইমেজ তৈরি গেছে। তিনি বা অন্য বহিষ্কৃত কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক পৌর মেয়র এ কে এম আবদুর রউফ মানিক নড়েচড়ে বসলে ক্ষতিটা জাতীয় পার্টিরই হবে। মহাজোটের প্রধান শরিক আওয়ামী লীগের তেমন কোনো প্রার্থী না থাকলেও মহানগর আওয়ামী লীগের চাওয়া প্রধানমন্ত্রীপুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় এই আসন থেকে নির্বাচন করুক। এ জন্য ইতিমধ্যে তাঁরা সভা করে কেন্দ্রের কাছে রেজু���েশনও পাঠিয়েছেন। জামায়াতের অবস্থা এখানে ভালো না। আর বিএনপি থেকে মনোনয়ন চাইতে পারেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মুক্তিযোদ্ধা মোজাফফর হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক মমতাজ শিরিন ভরসা ও বিএনপির নেতা কাওছার জামান বাবলা। তবে স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় নেতা হাবিব-উন-নবী খান সোহেলের এই আসন থেকে নির্বাচন করার গুঞ্জন থাকলেও জেলা বিএনপির একটি সূত্র তা নাকচ করে দেয়। শিল্পপতিদের দৌড় : রংপুর-৪ (পীরগাছা-কাউনিয়া) এই আসনে গত কয়েকটি নির্বাচন থেকেই প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো থেকে শিল্পপতিরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে আসছেন। গত নির্বাচনেও মহাজোট থেকে একক প্রার্থী না দিতে পারায় উন্মুক্ত নির্বাচনে অংশ নিয়ে জাতীয় পার্টির নেতা বিশিষ্ট শিল্পপতি করিম উদ্দিন ভরসাকে হারিয়ে এমপি নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী টিপু মুনশি। এবার টিপু মুনশি ও করিম উদ্দিন ভরসা ছাড়াও মনোনয়ন চাইতে পারেন জাতীয় পার্টি নেতা ও পীরগাছা উপজেলা চেয়ারম্যান আবু নাসের শাহ মো. মাহবুবার রহমান, আওয়ামী লীগ নেতা ও বেঙ্গল বিড়ির মালিক শিল্পপতি মহসীন বেঙ্গলের ছেলে মোস্তফা বেঙ্গল। এদিকে ১৮ দলীয় জোট থেকে যাঁদের নাম শোনা যাচ্ছে তাঁরা হলেন অ্যাডভোকেট শাহেদ কালাম পাটোয়ারি, কর্নেল (অব.) আবদুল বাতেন ও কৃষক দলের কেন্দ্রীয় নেতা আবু তাহের। এ ছাড়া শিল্পপতি বিএনপি নেতা রহিম উদ্দিন ভরসার ছেলে ও কাউনিয়া বিএনপির সভাপতি এমদাদুল হক ভরসার নাম শোনা যাচ্ছে। যত হেভিওয়েট প্রার্থী : রংপুর-৫ (মিঠাপুকুর) এই আসনে গত নির্বাচনে মহাজোট থেকে একক প্রার্থী দেওয়া সম্ভব হয়নি। আলাদাভাবে নির্বাচন করে জাতীয় পার্টির এস এম ফখর উজ জামানকে পরাজিত করে নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির কোষাধ্যক্ষ এইচ এন আশিকুর রহমান। সম্প্রতি জাতীয় পার্টির সাবেক এমপি শাহ মোহাম্মদ সোলায়মান আলম ফকির বিএনপিতে যোগ দেন। মনে করা হচ্ছে, এই তিন হেভিওয়েট প্রার্থী প্রধান তিন দলের হয়ে নির্বাচনে লড়বেন এখান থেকে। মহাজোট থেকে আরো যাঁরা মনোনয়ন চাইতে পারেন তাঁরা হলেন রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোতাহার হোসেন মণ্ডল মওলা, মিঠাপুকুর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান জাকির হোসেন। এ ছাড়া ১৮ দলীয় জোটের তেমন কোনো প্রার্থীর নাম শোনা যায়নি। জামায়াত নেতারা গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সাঈদীর ফাঁসির রায়ের দিন তাণ্ডবের পর থেকে প্রকাশ্যে আসতে পারছেন না। জয় নাকি হাসিনা : রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) এই আসনে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ২০০১ সালে নির্বাচন করে জাতীয় পার্টি নেতা নূর মোহাম্মদ মণ্ডলের কাছে হেরেছিলেন। মণ্ডলই ২০০৮ সালের নির্বাচনে এক লাখ ৩০ হাজারের বেশি ভোটে শেখ হাসিনার কাছে পরাজিত হন তিনি। তবে তিনি দলবদল করে তখন নির্বাচন করেছিলেন বিএনপি থেকে। শেখ হাসিনা আসন ছেড়ে দেওয়ার পর এখান থেকে উপনির্বাচনে জয়ী হন আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কালাম আজাদ। শেখ হাসিনা এবারও এই আসন থেকে নির্বাচন করবেন বলে শোনা যায়। কেউ কেউ বলছে তাঁর পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় এখান থেকে নির্বাচন করবেন। কারণ হিসেবে তারা উল্লেখ করেছে, আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে পীরগঞ্জের জনসভায় জয়ই আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছিলেন। তবে স্থানীয় লোকজন বলছে, প্রধানমন্ত্রী কিংবা জয় দুজনের একজন প্রার্থী হলে সে ক্ষেত্রে অন্য কারো প্রার্থী হওয়ার সুযোগ নেই। তা না হলে মহাজোট থেকে যাঁরা মনোনয়ন চাইতে পারেন তাঁরা হলেন আওয়ামী লীগের ইঞ্জিনিয়ার সাঈদ রেজা শান্ত এবং জাতীয় পার্টির নুরে আলম যাদু। এদিকে ১৮ দলীয় জোট থেকে যাঁদের নাম শোনা যাচ্ছে তাঁরা হলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা সাবেক এমপি নূর মোহাম্মদ মণ্ডল ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাইফুল ইসলাম। নেতারা যা বলেন: রংপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি সাফিউর রহমান সাফি বলেন, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোট ক্ষমতায় আসার পর রংপুরের ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নিজে রংপুরের উন্নয়নের জন্য আন্তরিক থাকায় অবহেলিত রংপুরকে বিভাগ ঘোষণা, সিটি করপোরেশন ঘোষণা, তিস্তা সড়ক সেতুসহ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অভাবিত উন্নয়ন করা সম্ভব হয়েছে। তাই মহাজোট বহাল রেখে নির্বাচন করা হলে ছয়টি আসনের অন্তত চারটিতে আওয়ামী লীগ প্রার্থী দেবে। জোটের স্বার্থে এর ব্যত্যয় ঘটতে পারে বলেও তিনি আভাস দেন। বিএনপির জেলা আহ্বায়ক মুক্তিযোদ্ধা মোজাফফর হোসেন বলেন, "নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে আমরা আন্দোলন করে গেলেও রংপুরের ছয়টি আসনেই জোটের পক্ষ থেকে নির্বাচনের প্রস্তুতি চলছে।" রংপুরের ছয়টি আসনেই বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থীরা জয়লাভ করবেন বলেও আশা ব্যক্ত করেন তিনি। তবে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য এবাং রংপুর জেলা ও মহানগর সভাপতি মসিউর রহমান রাঙ্গা বলেন, "রংপুর জাতীয় পার্টির ঘাঁটি। এখানে জোটগতভাবে নির্বাচন হলেও আমরা ছয়টি আসনেই নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছি। কারণ এককভাবে নির্বাচন করলেও আমরা বেরিয়ে আসব। সে ক্ষেত্রে মহাজোটে থাকলেও রংপুরের ছয়টি আসন জাতীয় পার্টিকেই দিতে হবে।" সৌজন্যে: কালের কণ্ঠ

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন
শেষ মুহূর্তে ২০ দলীয় জোটের ৯ আসনে রদবদল
প্রদীপ দাস ০৯ ডিসেম্বর ২০১৮
৩০০ আসনে মহাজোটের চূড়ান্ত তালিকা ইসিতে
প্রদীপ দাস ০৯ ডিসেম্বর ২০১৮
হাইকোর্টে রিট, কপাল খুলল ১১ প্রার্থীর
আমিনুল ইসলাম মল্লিক ০৯ ডিসেম্বর ২০১৮
রাজনৈতিক দলগুলো টাকা পায় কোথায়
আবু আজাদ ০৯ ডিসেম্বর ২০১৮
অবশেষে ধা‌নের শীষের প্রার্থী দেলোয়ার পুত্র ডাবলু
মোক্তাদির হোসেন প্রান্তিক ০৯ ডিসেম্বর ২০১৮
স্পন্সরড কনটেন্ট
বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তালা
বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তালা
ইনকিলাব - ১ দিন, ২১ ঘণ্টা আগে
বিএনপি ঘর গোছাতে পারেনি: ওবায়দুল কাদের
বিএনপি ঘর গোছাতে পারেনি: ওবায়দুল কাদের
ইনকিলাব - ১ দিন, ২১ ঘণ্টা আগে
৩০০ আসনে মহাজোটের প্রার্থী যারা
৩০০ আসনে মহাজোটের প্রার্থী যারা
দৈনিক সিলেট - ১ দিন, ২১ ঘণ্টা আগে