ছবি সংগৃহীত

সরকারি উদ্যোগে ফ্রিল্যান্সারদের ঋণ দেবে ট্রাস্ট ব্যাংক

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহায়তায় ফ্রিল্যান্সারদের স্বল্প সুদে ঋণ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসাবে বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে ঋণ প্রদান করা হবে।

priyo.com
লেখক
প্রকাশিত: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪, ০৪:০৭ আপডেট: ১৮ এপ্রিল ২০১৮, ১৪:০৫
প্রকাশিত: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪, ০৪:০৭ আপডেট: ১৮ এপ্রিল ২০১৮, ১৪:০৫


ছবি সংগৃহীত
(প্রিয়.কম) আউটসোসিং করতে ফ্রিল্যান্সারদের সবচেয়ে বেশি দরকারি ডিভাইসের নাম কম্পিউটার বা ল্যাপটপ। আর্থিক অসঙ্গতির কারণে অনেকে বিভিন্ন কাজে দক্ষ হলেও নিজের একটি কম্পিউটার বা ল্যাপটপের অভাবে এগোতে পারছেন না। এমন ফ্রিল্যান্সারদের পাশে এগিয়ে এসেছে সরকার। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহায়তায় ফ্রিল্যান্সারদের স্বল্প সুদে ঋণ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসাবে বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে ঋণ প্রদান করা হবে। এ উদ্যোগের অংশ হিসাবে ফ্রিল্যান্সারদের স্বল্পসুদে ঋণ দেবে ট্রাস্ট ব্যাংক। ২১ থেকে ৬১ বছর বয়সী যে কোনো ফ্রিল্যান্সার এ ঋণ নিতে পারবেন। কম্পিউটার বা ল্যাপটপের দামের ৭০ শতাংশ অর্থ ঋণ হিসেবে পাওয়া যাবে। বাকি খরচ ঋণগ্রহীতাকে বহন করতে হবে। ঋণের সুদের হার হবে সর্বোচ্চ ১৪ শতাংশ। ঋণ দেওয়া উপলক্ষে রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকে এ বিষয়ে এক সমঝোতা স্মারকে সই করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব নজরুল ইসলাম খান ও ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইসতিয়াক আহমেদ চৌধুরী। এ সময় গভর্নর আতিউর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের ‘লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং’ কর্মসূচির আওতায় প্রশিক্ষণ নিয়ে প্রতিভাবান তরুণ-তরুণীরা অনলাইনে কাজ করে বিদেশি মুদ্রা আয় করছে। এ কর্মসূচির আওতায় এখন পর্যন্ত ২০ হাজার ফ্রিল্যান্সার তৈরি হয়েছে। এসব ফ্রিল্যান্সারের অনেকের ল্যাপটপ বা কম্পিউটার কেনার সামর্থ্য নেই। তাই তাদের সহায়তায় ‘ট্রাস্ট ফিউচারটেক’ নামে এ ঋণপণ্য চালু করেছে ট্রাস্ট ব্যাংক। আরও জানানো হয়, একজন সর্বনিম্ন ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ ৭০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবেন। তবে শর্ত হিসেবে আগ্রহী ফ্রিল্যান্সারের কমপক্ষে ৫০০ ঘণ্টা ফ্রিল্যান্সিং অথবা এ পেশা থেকে ১০০ মার্কিন ডলার আয়ের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। নজরুল ইসলাম ঋণ গ্রহণে আগ্রহী ফ্রিল্যান্সারদের বয়সসীমা কমিয়ে ১৮ বছর করার প্রস্তাব করেন। তিনি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এমন ঋণ চালুর কথা বলেন। ড. আতিউর যেসব ঋণগ্রহীতা সময়মতো ঋণ পরিশোধ করবেন, তাদের এক শতাংশ সুদ রেয়াত দেওয়ার সুপারিশ করেন। এ ছাড়া তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের পুনঃঅর্থায়ন তহবিল থেকে ঋণ নিয়ে তা বিতরণ করার প্রস্তাবও দেন।