ছবি সংগৃহীত

স্টিফেন হকিং এর মতে যে তিনটি কারণে ধ্বংস হয়ে যেতে পারে মানব সভ্যতা

ব্ল্যাক হোল এবং গ্র্যাভিটেশনাল সিঙ্গুলারিটির ব্যাপারে গবেষণা করে বিখ্যাত হলেও, বর্তমানে স্টিফেন হকিং মানব সভ্যতার ব্যাপারে তার বিভিন্ন মতামত ব্যক্ত করে চলেছেন। তার মতে, মানব সভ্যতা ধ্বংস করে দিতে পারে এই তিনটি ঘটনা।

দেয়া
লেখক
প্রকাশিত: ০১ মার্চ ২০১৫, ১৬:২৩
আপডেট: ১৬ এপ্রিল ২০১৮, ২০:০১


ছবি সংগৃহীত
(প্রিয়.কম)- ব্ল্যাক হোল এবং গ্র্যাভিটেশনাল সিঙ্গুলারিটির ব্যাপারে গবেষণা করে বিখ্যাত হলেও, বর্তমানে স্টিফেন হকিং মানব সভ্যতার ব্যাপারে তার বিভিন্ন মতামত ব্যক্ত করে চলেছেন। তার মতে, মানব সভ্যতা ধ্বংস করে দিতে পারে এই তিনটি ঘটনা।

১) আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স

গবেষকদের একটি দল আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্সের ব্যাপারে শঙ্কিত এবং এদের দলেই আছেন স্টিফেন হকিং। তাদের ধারণা, এই বুদ্ধিমত্তা এক সময়ে মানুষকে ছাড়িয়ে যেতে পারে এবং মানুষের ধ্বংস ডেকে আনতে পারে। কিন্তু অনেক গবেষকেরা আবার মনে করেন, এমন শক্তিশালী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তৈরির প্রযুক্তি এখনো মানুষের নেই।

২) মানব আগ্রাসন

আমাদের তৈরি করা যন্ত্রই আমাদের ধ্বংস করে ফেলতে পারে এমনটাই নয়, বরং আমরা নিজেরাই নিজেদের বিলুপ্তির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারি। হকিং এর মতে, মানুষের সবচাইতে বড় ত্রুটি হলো আগ্রাসন। গুহামানবদের সময়ে আগ্রাসনের মনোভাব আমাদের বেঁচে থাকতে সাহায্য করতো, কিন্তু এখন এর কারণেই আমাদের ধ্বংস আসন্ন। উদাহরন হিসেবে, একটি বড় ধরণের নিউক্লিয়ার যুদ্ধ খুব কম সময়েই সভ্যতা ধ্বংস করে দিতে পারে এবং পৃথিবী থেকে মুছে ফেলতে পারে মানুষের চিহ্ন। এ কারণে তিনি বিশ্বাস করেন, মহাশূন্যে মানুষের জন্য নতুন বসতি খোঁজাটা জরুরি। এতে ভবিষ্যতে মানুষের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখাটা সম্ভব হবে।

৩) ভিনগ্রহের প্রাণী

২০১০ সালে হকিং বলেন, যদি পৃথিবীর বাইরে বুদ্ধিমান প্রাণী থেকেও থাকে, তবে এটা ভাবার কারণ নেই যে তারা মানুষের প্রতি বন্ধুত্বসুলভ আচরণ করবে। বরং তারা হতে পারে বেশ বিপজ্জনক। তারা পৃথিবীতে কলোনি সৃষ্টি করতে গিয়ে মানব সভ্যতা ধ্বংস করে ফেলতে পারে অথবা পৃথিবীর প্রাকৃতিক সম্পদ সব তুলে নিয়ে যেতে পারে। মূল: Tanya Lewis, LiveScience

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন
স্পন্সরড কনটেন্ট

loading ...