ছবি সংগৃহীত

হাজার কোটি টাকার ঋণ জালিয়াতির অনুসন্ধান শুরু করেছে দুদক

চারটি বেসরকারি ও একটি বিশেষায়িত সরকারি ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা নিয়ে পালিয়ে যান ওয়াহিদুর রহমান নামের তথাকথিত ব্যবসায়ী।

priyo.com
লেখক
প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৪, ০৭:০৩ আপডেট: ১৫ এপ্রিল ২০১৮, ০৪:০৪
প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৪, ০৭:০৩ আপডেট: ১৫ এপ্রিল ২০১৮, ০৪:০৪


ছবি সংগৃহীত
(প্রিয়.কম) চারটি বেসরকারি ও একটি বিশেষায়িত সরকারি ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা নিয়ে পালিয়ে যান ওয়াহিদুর রহমান নামের তথাকথিত ব্যবসায়ী। ওই ঋণ জালিয়াতির অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন। বাংলাদেশ ব্যাংকের ফিন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি অ্যান্ড কাস্টমার সার্ভিসেস ডিপার্টমেন্ট থেকে অর্থ আত্মসাতের এ অভিযোগ ওঠায় দুদক তা অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয়। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ জালিয়াতির বিভিন্ন নথি যাচাই-বাছাই করে জড়িত ব্যাংক কর্মকর্তাদেরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হবে। জানা গেছে, এ অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে দুদকের উপপরিচালক মো. জুলফিকার আলীর নেতৃত্বাধীন একটি দলকে। এ দলের অন্য সদস্যরা হলেন সহকারী পরিচালক মো. মশিউর রহমান ও উপসহকারী পরিচালক ওমর ফারুক। দুদক সূত্র জানায়, ব্যবসায়ী ওয়াহিদুর রহমান বিভিন্ন সময়ে দেশের চারটি ব্যাংক ও একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে নামে-বেনামে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা নিয়ে আত্মসাত্ করেছেন। এর মধ্যে বেসিক ব্যাংক থেকে ৭৬৭ কোটি টাকা, ইসলামিক আইসিবি ব্যাংক থেকে ১০০ কোটি, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক থেকে ১২৪ কোটি, সিটি ব্যাংক থেকে ৬ কোটি এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইডিএলসি থেকে ২ কোটি ৪০ লাখ টাকা। বর্তমানে আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক বা সাবেক ওরিয়েন্টাল ব্যাংকের বংশাল শাখা থেকে শত কোটি টাকারও বেশি নিয়ে আত্মসাত্ করেন। বিভিন্ন ধরনের ১০টি প্রতিষ্ঠানের নামে তিনি এ ঋণ নিয়ে আর ফেরত দেননি। ওয়াহিদুর রহমান ওরিয়েন্টাল ব্যাংক থেকে ফিয়াজ এন্টারপ্রাইজ, পলাশ এন্টারপ্রাইজ, রত্না এন্টারপ্রাইজ, মাসুদ ট্রেডিং, ইউনাইটেড ট্রেডিং, অটো ডিফাইন, ওয়েস্টার্ন গ্রিল, ডেং ডি লায়ন রেস্টুরেন্ট, ফিয়াজ ট্রেডিং ও আলী ট্রেডিংসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ নিয়েছেন। কাগজপত্রে এসব প্রতিষ্ঠানের মালিকের ভিন্ন ভিন্ন নাম হলেও প্রকৃত মালিক ওয়াহিদুর রহমান। সূত্র- যুগান্তর, বণিক বার্তা