ছবি সংগৃহীত

১১টি পাঠ্যপুস্তকে পরিবর্তন আসছে

আগামী অর্থবছরে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ব্যাপক কর্মপরিকল্পনা হাতে নিচ্ছে। এর মধ্যে প্রথম শ্রেণী থেকে তৃতীয় শ্রেণীর ১১টি পাঠ্যপুস্তক রিভিউ করা হবে। এ রিভিউয়ের মাধ্যমে পাঠ্যপুস্তকের বিষয়বস্তু কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে আভাস পাওয়া গেছে।

priyo.com
লেখক
প্রকাশিত: ২০ মে ২০১৪, ১৯:২৬ আপডেট: ১৬ এপ্রিল ২০১৮, ১৯:৫১
প্রকাশিত: ২০ মে ২০১৪, ১৯:২৬ আপডেট: ১৬ এপ্রিল ২০১৮, ১৯:৫১


ছবি সংগৃহীত
(প্রিয়.কম) আগামী অর্থবছরে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ব্যাপক কর্মপরিকল্পনা হাতে নিচ্ছে। এর মধ্যে প্রথম শ্রেণী থেকে তৃতীয় শ্রেণীর ১১টি পাঠ্যপুস্তক রিভিউ করা হবে। এ রিভিউয়ের মাধ্যমে পাঠ্যপুস্তকের বিষয়বস্তু কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে আভাস পাওয়া গেছে। জানা গেছে, এবার প্রাথমিক স্কুলের জন্য ১১ কোটি ২ লাখ বই ছাপানো হবে। কর্মপরিকল্পনা অনুসারে শিশুদের উপযোগী খেলাধুলার সামগ্রী, প্রাক-প্রাথমিক কারিকুলাম সরবরাহ করা হবে। যেসব বিদ্যালয়ে শ্রেণীকক্ষ পাঠদানের উপযোগী নয়, সে কক্ষগুলোকে শ্রেণীকক্ষ ও শিক্ষার্থী অনুপাতে কমিয়ে আনা হবে। যেসব ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয় ভবন রয়েছে, সেসব বিদ্যালয় পুনর্নিমাণ করা হবে। পর্যায়ক্রমে দেশের প্রতিটি বিদ্যালয়ে ডিজিটাল সম্পর্কিত পাঠদান করা হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আগামী অর্থবছরে প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রকল্পে বরাদ্দ রাখা হচ্ছে ২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। এ উপবৃত্তির অর্থ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিতরণ করা হবে। বিদ্যালয়বিহীন এলাকায় এরই মধ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হলেও আগামী অর্থবছরেই এ কার্যক্রম শেষ করা হবে। ২০১০ সাল থেকে এ প্রকল্পের আওতায় ১ হাজার ৫০০ প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পুননির্মাণ ও সংস্কারে প্রকল্প আগামী অর্থবছরে শেষ করা হবে। ২০০৬ সাল থেকে এ প্রকল্প শুরু হয়। এ প্রকল্পের উদ্দেশ্য ছিল জরাজীর্ণ সরকারি বিদ্যালয় পুনর্নির্মাণ। এর পাশাপাশি বিদ্যালয়ের আসবাবপত্র, টয়লেট ও টিউবওয়েল স্থাপন। আগামী অর্থবছরেও রিচিং আউট অব স্কুল চিলড্রেন প্রকল্প অব্যাহত থাকছে। এর আওতায় প্রায় ১০ হাজার লিখন কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। আগামী অর্থবছরে ১০টি উপজেলায় সব প্রাথমিক বিদ্যালয় ও এবতেদায়ী মাদরাসার শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুষ্টিসমৃদ্ধ বিস্কুট বিতরণ করা হবে। এরই মধ্যে যেসব বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণী খোলা হয়েছে, সেখানে শিক্ষার্থীদের মধ্যেও বিস্কুট বিতরণ করা হবে। জানা গেছে, আগামী অর্থবছরে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসায় অধ্যয়নরত ২৭ লাখ শিক্ষার্থীর মধ্যেও উচ্চমান পুষ্টিসমৃদ্ধ বিস্কুট বিতরণ করা হবে। আগামী অর্থবছরে ইংলিশ ইন অ্যাকশন প্রকল্পের আওতায় প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। একই সঙ্গে ইংরেজি ভাষার দক্ষতা বাড়ানোর জন্য অডিও ভিজ্যুয়াল উপকরণ ব্যবহারের ওপর প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। সূত্র: আলোকিত বাংলাদেশ

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


loading ...