ছবি সংগৃহীত

১৭ মে মাদারীপুর জেলার শিবচর গণহত্যা দিবস

১৯৭১ সালের ১৭ মে স্থানীয় রাজাকার ও পাক হানাদার বাহিনী শিবচরের কয়েকটি গ্রামে হামলা চালিয়ে অন্তত ২০ জন মুক্তিকামী নারী-পুরুষকে হত্যা, অসংখ্য নারীকে ধর্ষণ, শতাধিক ঘর-বাড়িতে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে।

priyo.com
লেখক
প্রকাশিত: ১৭ মে ২০১৪, ০৩:৪৮ আপডেট: ১৬ এপ্রিল ২০১৮, ১৫:১৯
প্রকাশিত: ১৭ মে ২০১৪, ০৩:৪৮ আপডেট: ১৬ এপ্রিল ২০১৮, ১৫:১৯


ছবি সংগৃহীত
(প্রিয়.কম) ১৯৭১ সালের ১৭ মে স্থানীয় রাজাকার ও পাক হানাদার বাহিনী শিবচরের কয়েকটি গ্রামে হামলা চালিয়ে অন্তত ২০ জন মুক্তিকামী নারী-পুরুষকে হত্যা, অসংখ্য নারীকে ধর্ষণ, শতাধিক ঘর-বাড়িতে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে। এ ঘটনার পর থেকে ১৭ মে মাদারীপুর জেলার শিবচর গণহত্যা দিবস পালিত হয়। জানা যায়, মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের শুরুর সঙ্গে সঙ্গে শিবচরেও প্রতিরোধ যুদ্ধ শুরু হয়। ১৭ মে বেলা আনুমানিক ১১টায় ৪০-৪২ জনের স্বশস্ত্র হানাদার বাহিনী মাদারীপুর ক্যাম্প থেকে লঞ্চযোগে শিবচরের উৎরাইল এলাকায় নামে। এরপর হানাদার বাহিনীর সদস্যরা স্থানীয় রাজাকারদের সঙ্গে নিয়ে কয়েকটি দলে ভাগ হয়ে পায়ে হেঁটে প্রথমে শিবচরের চরশ্যামাইল হয়ে একে একে গুয়ালতা, বাহরেচর ও উমেদপুরে নির্বিচারে গুলি করে মানুষ হত্যা, হামলা, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ ও ধর্ষণ চালায়। হানাদার বাহিনীর ধ্বংসযজ্ঞের শিকার হয়ে সেদিন গুলিতে অন্তত ২০ জন মুক্তিকামী মানুষ শহীদ হন। এ সময় হানাদার বাহিনী শতাধিক মুক্তিকামী মানুষের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেয় ও অসংখ্য নারীর সম্ভ্রম কেড়ে নেয়। পরে তড়িঘড়ি করে শহীদদের মাটি চাপা দেয় স্বজনরা। ১৯৭১ এর ২৫ নভেম্বর এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে হানাদারমুক্ত হয় শিবচর। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিরক্ষার্থে এখানে একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মিত হলেও দিনটি পালনে তেমন কোনো তোড়জোড় চোখে পড়ে না।

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...