ছবি সংগৃহীত

‘উচ্ছেদ আতঙ্কে উর্দুভাষী বাংলাদেশিরা’

ক্যাম্পের ১০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৮ ফুট প্রস্থের একটি ঘরে ১০ থেকে ১৫ জন সদস্য বসবাস করেন কয়েক লাখ উর্দুভার্ষী বাংলাদেশিকে।

priyo.com
লেখক
প্রকাশিত: ২৬ জানুয়ারি ২০১৬, ০৫:৪০ আপডেট: ১৫ এপ্রিল ২০১৮, ১১:৪২
প্রকাশিত: ২৬ জানুয়ারি ২০১৬, ০৫:৪০ আপডেট: ১৫ এপ্রিল ২০১৮, ১১:৪২


ছবি সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) ক্যাম্পের ১০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৮ ফুট প্রস্থের একটি ঘরে ১০ থেকে ১৫ জন সদস্য বসবাস করেন কয়েক লাখ উর্দুভার্ষী বাংলাদেশিকে। তারা রাতে ঘুমান পালাবদল করে। রয়েছে বিশুদ্ধ পানির অভাব, বর্জ্য নিষ্কাশনের অব্যবস্থা, পয়ঃনিষ্কাশনের সমস্যা। তবে তাদের সবচেয়ে বড় আতঙ্ক আতঙ্ক উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে।

সোমবার (২৫ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে এসব কষ্ট ও আতঙ্কের কথা তুলে ধরেন উর্দু স্পিকিং ছাত্র সংগঠনের সভাপতি নাহিদ পারভীন।

ক্যাম্পে বসবাসরত উর্দুভাষী বাংলাদেশি নাগরিকদের মর্যাদাপূর্ণ স্থায়ী পুনর্বাসনের দাবিতে এই বৈঠকের আয়োজন করে উর্দু স্পিকিং পিপলস ইউথ রিহ্যাবিটেশন মুভমেন্ট (ইউএসপিওয়াইআরএম)।

অনুষ্ঠানে নাহিদ বলেন, ‘মিরপুরে ৩৯টি ক্যাম্প আছে, যেগুলো উচ্ছেদের জন্য নানাভাবে তোড়জোড় করছেন এলাকার প্রভাবশালী একটি মহল। সরকার কর্তৃক আমাদের পুনর্বাসন করার আনন্দকে আতঙ্কে পরিণত করছে তারা। কোনো ধরনের বন্দোবস্ত ছাড়া যেন ক্যাম্পে অবস্থানরতদের উচ্ছেদ করা না হয় সেই দাবি জানাতেই এসেছি এখানে।’

বাংলাদেশে বসবাসরত পাকিস্তানিদের নিয়ে ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবীরের বক্তব্যের সমালোচনা করে অনুষ্ঠানের সঞ্চালক খালিদ হোসেন বলেন, ‘তিনি একজন দায়িত্বশীল মানুষ। অথচ তিনি প্রায়ই বলেন আটকে পড়া পাকিস্তানিদের ফেরত পাঠানো হোক। উনি কি জানেন না ২০০৮ সালে দেয়া হাইকোর্টের রায়ে আমরা এখন বাংলাদেশি? এ ছাড়া নতুন প্রজন্মের আমরা যারা তারা কি পাকিস্তানি?’

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালে হাইকোর্টের এক রায়ে মুক্তিযুদ্ধে যেসব পাকিস্তানি বাংলাদেশে আটকা পড়েছিলেন তাদের বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দেয়া হয়।

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...