শেষ এই চারজন গুহার ভেতরে ছিলেন। তারাও নিরাপদে বের হয়ে এসেছেন।

সবাই মুক্ত, অভিযান সমাপ্ত

থাইল্যান্ডের গুহা থেকে সবাইকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে। থাই নেভির প্রধান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ১০ জুলাই মঙ্গলবার ৫ জনকে বের করা হয়।

মিজানুর রহমান
সহ-সম্পাদক
প্রকাশিত: ০৮ জুলাই ২০১৮, ১০:৫৫ আপডেট: ২০ আগস্ট ২০১৮, ০৯:০০
প্রকাশিত: ০৮ জুলাই ২০১৮, ১০:৫৫ আপডেট: ২০ আগস্ট ২০১৮, ০৯:০০


শেষ এই চারজন গুহার ভেতরে ছিলেন। তারাও নিরাপদে বের হয়ে এসেছেন।

(প্রিয়.কম) থাইল্যান্ডের গুহা থেকে সবাইকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে। থাই নেভির প্রধান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। শেষ যে চারজন ডুবুরি গুহার ভেতরে ছিলেন, তারাও নিরাপদে বের হয়ে এসেছেন। এর মাধ্যমে শ্বাসরুদ্ধকর এ উদ্ধার অভিযানটি সম্পূর্ণ হলো। 

১০ জুলাই মঙ্গলবার তৃতীয় দিনের অভিযানে ৫ জনকে গুহা থেকে বের করা হয়। এর আগে ৮ জুলাই রবিবার ও ৯ জুলাই সোমবার দুই দফা অভিযানে চারজন করে মোট ৮ কিশোরকে গুহা থেকে বের করে আনা হয়। 

মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় ৯টা ৮ মিনিটে (স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ৮ মিনিটে) তৃতীয় দফা উদ্ধার অভিযান শুরু করে থাই নেভি কর্তৃপক্ষ। আজই সবাইকে বাইরে বের করে আনার চেষ্টা করা হবে বলে সকালেই জানিয়েছিলেন উদ্ধার অভিযানের প্রধান কমান্ডার নারোংসাক ওসোটানাকোর্ন।

১৩ জন উচ্চ প্রশিক্ষিত বিদেশি ও পাঁচ থাই নেভি উদ্ধারকারী ডুবুরি কিশোরদের গুহা থেকে বের করার মূল অভিযানে অংশ নেন। প্রথম দুই দিন ১৮ জন উদ্ধারকাজে অংশ নিলেও শেষের দিন ১৯ ডুবুরি অংশ নেয়। আর পুরো অভিযানে অংশ নিয়েছেন ৯০ জন ডুবুরি। এদের মধ্যে ৪০ জন থাইল্যান্ডের। বাকি ৫০ জন বিভিন্ন দেশের। 

উদ্ধার হওয়া ১২ কিশোর ফুটবলার ও তাদের কোচ।

লাইভ আপডেট (বাংলাদেশ সময়)

মঙ্গলবার ৯:২০ মিনিট- গুহার ভেতরে শেষ যে চারজন ডুবুরি ছিল, তারাও নিরাপদে বের হয়ে এসেছেন। এর মাধ্যমে শ্বাসরুদ্ধকর এ উদ্ধার অভিযানটি সম্পূর্ণ হলো।

মঙ্গলবার ৭:৩০ মিনিট- এক বিবৃতিতে ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা বলেছে, ‘১২ কিশোর ফুটবলার ও তাদের কোচকে উদ্ধারের খবরটি অত্যন্ত আনন্দের।’

মঙ্গলবার ৬:৪৯ মিনিট- কিশোর ফুটবলার ও তাদের কোচের উদ্ধারে স্বস্তি প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ ফুটবল ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। পরবর্তী মৌসুমে ক্লাবটি এসব ফুটবলার ও তাদের কোচকে নিজেদের মাঠ ওল্ড ট্রাফোর্ডে আমন্ত্রণ জানিয়েছে।

মঙ্গলবার ৬:৪৮ মিনিট- এক টুইটে সফল উদ্ধার অভিযানের জন্য থাই নেভি সিলকে ধন্যবাদ দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। 

মঙ্গলবার ৬:৩৬ মিনিট- থাই নেভি সিল তাদের ফেসবুক পেজে ‘Hooyah’ লিখে পোস্ট করেছে। বিজয় বা আনন্দ প্রকাশে এটি থাই নেভি সিলের একটি সাংকেতিক শব্দ।

মঙ্গলবার ৬: ২৮ মিনিট- সফল উদ্ধার অভিযানে আনন্দিত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টেরিজা মে। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম টুইটারে তিনি লিখেন, ‘থাইল্যান্ডের গুহায় আটকে পড়াদের উদ্ধার অভিযানটি আনন্দের। সারা বিশ্ব দেখেছে এবং অভিযানে যুক্তদের স্যালুট জানিয়েছে।’

জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেল সবাইকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা এলোন মাস্কও। 

মঙ্গলবার ৬: ২৫ মিনিট- উদ্ধার কিশোর ফুটবলার ও তাদের কোচকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে, যেখানে অন্য কিশোরদের চিকিৎসা চলছে।

মঙ্গলবার ৬:১০ মিনিট-  উদ্ধার অভিযান প্রায় শেষ মুহূর্তে। উদ্ধারকারী দল এখন অপেক্ষায় রয়েছে একজন চিকিৎসকসহ চার ডুবুরির জন্য, যারা গুহার ভেতরে আটকা পড়া কিশোরদের খোঁজ পাওয়ার পর থেকেই সেখানে অবস্থা করছিল।

মঙ্গলবার বিকাল ৫:৫৫ মিনিট- বাকি দুজনকেও গুহার ভেতর থেকে বের করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে সবাইকেই উদ্ধার করা হলো। প্রত্যেককেই বের করে আনা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন থাই নেভি সিলের ইনচার্জ।

থাই নেভি সিলের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এক স্ট্যাটাসে বলা হয়েছে, ১২ ফুটবলার ও তাদের কোচকে গুহা থেকে বের করা হয়েছে। তারা প্রত্যেকেই নিরাপদে আছে।

মঙ্গলবার বিকাল ৪:৩৫ মিনিট- ১১তম কিশোরকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করে রয়টার্স। ভেতরে রয়েছে আরও দুজন।

মঙ্গলবার বেলা ৩:৩৮ মিনিট- দশম কিশোরকে উদ্ধার করা হয়েছে। আর মাত্র ৩ জন বাকি আছে। 

মঙ্গলবার বেলা ৩:৩৪ মিনিট- প্রধানমন্ত্রী প্রায়ুত চান-ওচা বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি উদ্যোক্তা এলোন মাস্ককে তার সাহায্যের প্রস্তাবের জন্য ধন্যবাদ দিয়েছেন। এলোন মাস্ক থাই কিশোরদের উদ্ধারে তুলনামূলক ছোট একটি সাবমেরিন তৈরি করেন ও সেটি পরীক্ষা করে দেখেন। এলান মাস্ক নিজে ও তার প্রতিষ্ঠান থেকে একদল কর্মী এ উদ্ধার অভিযানস্থলে যান।

মঙ্গলবার দুপুর ৩:১৮ মিনিট- নবম কিশোরকে উদ্ধার করা হয়েছে। থাই নেভি সিল সেটি নিশ্চিত করেছে।

যেভাবে কিশোরদের উদ্ধার করা হচ্ছে-

মঙ্গলবার দুপুর ২:৫৭ মিনিট- থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী প্রায়ুত চান-ওচা আটকে পড়া কিশোরদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেছেন। সোমবার ঘটনাস্থল পরিদর্শনের সময় তাদের সঙ্গে দেখা করেন প্রধানমন্ত্রী। এ ছবিটি মঙ্গলবার প্রকাশ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুর ২:৫০ মিনিট- বার্তা সংস্থা এপি জানিয়েছে, কিছুক্ষণ আগে অভিযানস্থল থেকে একটি অ্যাম্বুলেন্স বাইরে চলে গেছে। কিন্তু নবম কিশোরকে উদ্ধার করা হয়েছে কি না, সেটি এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। 

মঙ্গলবার দুপুর ২:১০ মিনিট- রোমাঞ্চকর, ঝুঁকিপূর্ণ ও টানটান উত্তেজনাকর এ উদ্ধার অভিযান নিয়ে হলিউডে চলচ্চিত্র নির্মাণের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। ইতোমধ্যে দুজন মার্কিন প্রযোজক ঘটনাস্থলেও পৌঁছে গেছেন। 

যুক্তরাষ্ট্রের একটি সিনেমা কোম্পানি ‘পিওর ফ্লিক্স’ মাইকেল স্কট ও অ্যাডাম স্মিথ নামের দুজন প্রযোজককে বিশাল এ উদ্ধার অভিযানটি সরাসরি দেখতে ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছে। এ দুজন ইতোমধ্যেই এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাদের সম্ভাব্য সিনেমার জন্য বিভিন্নজনের সাক্ষাৎকার নেওয়া শুরু করেছেন। 

কিশোরদের উদ্ধারের এ আবেগঘন সময়ে সিনেমার পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করাটা যথার্থ কি না, প্রযোজকদের এমন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করলে অ্যাডাম স্মিথ বলেন, ‘এই ঘটনার দিকে অনেক সিনেমা কোম্পানি ও পরিচালকের নজর আছে। তাই কেউ আসার আগেই আমরা এখানে চলে এসেছি।’

মঙ্গলবার দুপুর ১:৫৭ মিনিট- কিশোর ফুটবলারদের কোচ সম্পর্কে নতুন কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। ২৫ বছর বয়সী কোচই কিশোরদের গুহাটিতে ঘুরতে নিয়ে গিয়েছিলেন। থাইল্যান্ডজুড়ে এখন সেই কোচ এক্কাপোলকে নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক হচ্ছে। কিশোর ফুটবলারদেরকে গুহাটিতে নিয়ে যাওয়ার জন্য অনেকে তার সমালোচনা করছেন, আবার গুহার ভেতরে কিশোরদের দেখভাল করার জন্য অনেকে তার প্রশংসাও করছেন। তবে আটকে পড়া কিশোরদের বাবা-মা কোচকে কোনো দোষ দিচ্ছেন না।

জানা গেছে, কোচ এক্কাপোলের জন্ম থাইল্যান্ডের প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমারে। কিন্তু তিনি থাকতেন মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী থাইল্যান্ডের শহর মায়ে সাইতে। 

বিবিসি থাইল্যান্ড জানিয়েছে, এক্কাপোলের বয়স যখন অনেক কম, তখন তার বাবা-মা মারা যায়। তার দাদি/নানি এবং এক আন্টি ছাড়া তার আর কেউ নেই। পরে এই দুজনের কাছেই তিনি বেড়ে ওঠেন। 

থাইল্যান্ডের অনেকের মতো তিনিও কয়েক বছর সন্ন্যাস জীবন পালন করেন। এরপর তিনি ফুটবল কোচ হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, ওয়াইল্ড বোর (মু পা) দলের কোচ হওয়ার আবেদন করেন ও তার আবেদন গৃহীত হয়। 

এখনো প্রতিদিন ফুটবল অনুশীলন শেষে তিনি তার ছাত্র ফুটবলারদের নিয়ে মন্দিরে যান। মাঝে মাঝে তিনি তার দাদি/নানির দেখাশোনা করতে মিয়ানমারেও যান।  

মঙ্গলবার বেলা ১:২৩ মিনিট- উদ্ধার অভিযানে সহায়তাকারী কয়েকজন ডুবুরির সঙ্গে কথা বলেছে সিএনএন। তারা জানান, গুহার মুখ থেকে মূল উদ্ধারকারী দলকে অক্সিজেন সরবরাহ করার দায়িত্ব ছিল তাদের। তাই তারা গুহার বেশি ভেতরে ঢুকেননি। কিন্তু যেটুকুই ঢুকেছেন, সেটি ছিল অত্যন্ত ভয়ঙ্কর। গুহাটিকে তারা যতটুকু দেখেছেন, তাদের কাছে খুবই বিপজ্জনক মনে হয়েছে। এটিকে তাদের জীবনের সবচয়ে ভয়ঙ্কর উদ্ধার অভিযান হিসেবেও বর্ণনা করেছেন তারা। 

একজন ডুবুরি বলেন, ‘সেখানে প্রতিটা পদক্ষেপই ঝুঁকিপূর্ণ। একজন বাবা হিসেবে আমি কিছুটা আবেগাক্রান্ত হয়ে পড়ি। সবারই তাদের প্রতি আলাদা একটা আবেগ আছে। গুহার ভেতরে যারা আটকে পড়েছে, তাদের সবাইকে নিজেদের সন্তানের মতো মনে হয়েছে। তারা কি বের হতে পারবে? তারা কি অসুস্থ হয়ে পড়বে? আমরা শুধু তাদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের জন্য প্রার্থনা করছিলাম।’

 

মঙ্গলবার বেলা ১:০৭ মিনিট- আটকে পড়া কিশোররা সবাই স্থানীয় ‘ওয়াইল্ড বোর’ ফুটবল দলের সদস্য। স্থানীয়ভাবে এ ফুটবল দলটির নাম ‘মু পা’। ফুটবল দলটির ১২ কিশোর ফুটবলার ও তাদের কোচ ১৭ দিন আগে গুহায় আটকা পড়ার পর গতকালই দলটির অন্য সদস্যরা প্রথমবারের মতো খেলতে নামে। এ ফুটবল দলটির অধিনায়কও আটকে পড়া কিশোরদের মধ্যে একজন। এ ছবিটি গতকাল খেলা শুরু হওয়ার কয়েক মুহূর্ত আগে তোলা হয়েছিল।

মঙ্গলবার বেলা ১:০২ মিনিট- গুহায় আটকে থাকার সময় কিশোররা সবচেয়ে বেশি যে জিনিসটি চেয়েছে, সেটি হচ্ছে চকলেট। উদ্ধারকারী একজন ডুবুরি এ তথ্য জানিয়েছেন। তবে চিকিৎসকরা বলছেন, উদ্ধারের পর তাদের এখনই চকলেট খেতে দেওয়া যাবে না। তাদের পেটের অবস্থা স্থিতিশীল না হওয়া পর্যন্ত তাদের নিয়ন্ত্রিত খাবার গ্রহণ করতে হবে। 

মঙ্গলবার বেলা ১২:৫৮ মিনিট- অভিযানে অংশ নেওয়া আন্তর্জাতিক উদ্ধারকারীদের একজন ইভান কারাডজিচ কিশোরদের মানসিক শক্তি দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। এত ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিতেও কিশোরদের মনোবল ঠিক থাকায় তাদের বয়সী প্রশংসা করেছেন তিনি। 

ইভান বলেন, ‘আমি বুঝতে পারছি না, এ ছোট শিশুরা কতটা অসাধারণ।’

মঙ্গলবার বেলা ১২:৫০ মিনিট- থাইল্যান্ডের স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা ড. জেটসাডা চোকেডামরংসুক (ছবিতে মাঝখানে) এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, উদ্ধার হওয়া ৮ কিশোরই সুস্থ আছে। তাদের শরীরে জ্বর নেই, তাদের মানসিক অবস্থাও ভালো। এ সংবাদ সম্মেলনেই তিনি জানান, ছেলেরা ফিফার আমন্ত্রণে বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে রাশিয়া যাচ্ছে না। 

মঙ্গলবার বেলা ১২:৩৮ মিনিট: নিচের কার্টুনটা যেন এ উদ্ধার অভিযানের পুরো গল্পটি বলছে। এ কার্টুনে আটকে পড়া কিশোর ও উদ্ধার অভিযানে অংশ নেওয়া স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক ডুবুরিদের সুন্দর করে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এটি এঁকেছেন অরুনীঅংহাওয়ারাকোন এবং জানতিমা মানাসভিয়োংকুল। এটি তাদের ফেসবুক পেজ ‘SISIDEA’তে প্রথম প্রকাশিত হয়। পরে থাই নেভি সিল তাদের ফেসজুব পেজেও ছবিটি প্রকাশ করে। 

মঙ্গলবার বেলা ১২:৩৪ মিনিট- ‘অামরা খুশি এবং বাড়ি যেতে চাই’, প্রথম দিন উদ্ধার হওয়া কিশোররা চিকিৎসকদের এমন কথা বলেছে। এ সময় তাদের মুখে ছিল হাসি। উপস্থিত একজন কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন। 

মঙ্গলবার বেলা ১২:৩২ মিনিট- প্রধান কমান্ডার নারোংসাক ওসোটানাকোর্নের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, আটকে থাকা বাকি পাঁচজনকে আজ একসাথে উদ্ধার করা হবে। 

মঙ্গলবার বেলা ১২:০৫ মিনিট- একটু আগে থাই নেভি সিলের ফেসবুক পেজে ‘Hooyah’ লিখে পোস্ট করা হয়েছে। বিজয় বা আনন্দ প্রকাশে এটি থাই নেভি সিলের একটি সাংকেতিক শব্দ। ওই পোস্টে আরও লেখা হয়েছে, ‘আজ ১০ জুলাই ২০১৮। অন্যান্য দিনের চেয়ে এটি আরও দীর্ঘ। আমরা আজ একসাথে উদযাপন করব। Hooyah.’

মঙ্গলবার বেলা ১১:৪১ মিনিট- গত কয়েকদিন ধরে বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি উদ্যোক্তা এলোন মাস্কের প্রতিষ্ঠানের উদ্ভাবিত একটি প্রযুক্তি নিয়ে বেশ আলোচনা চলছিল। তিনি থাই কিশোরদের উদ্ধারে তুলনামূলক ছোট একটি সাবমেরিন তৈরি করেছেন এবং সেটি পরীক্ষা করে দেখেছেন।

এলোন মাস্ক নিজে ও তার প্রতিষ্ঠান থেকে একদল কর্মী এ উদ্ধার অভিযানস্থলে গেছেন। কিন্তু প্রধান কমান্ডার নারোংসাক ওসোটানাকোর্ন উদ্ধার অভিযানে এলোন মাস্কের প্রযুক্তি ব্যবহারের গুঞ্জন বিনয়ের সঙ্গে নাকচ করে দিয়েছেন। 

কমান্ডার আজ সাংবাদিকদের বলেন, ‘যদিও তার প্রযুক্তিটি ভালো। কিন্তু এ অভিযানে এটি ব্যবহার উপযোগী নয়।’

এলোন মাস্ক গত কয়েকদিন ধরে এ প্রযুক্তিটি নিয়ে টুইটারে ক্রমাগত আপডেট দিচ্ছিলেন। থাই কিশোরদের ফুটবল দলের নাম অনুসারে এ প্রযুক্তিটির নামও তিনি দিয়েছেন ‘ওয়াইল্ড বোয়ার’।

এর কিছুক্ষণ আগেই এলোন মাস্ক ঘটনাস্থল থেকে টুইট করেছিলেন তার প্রতিষ্ঠানের তৈরি প্রযুক্তিটি ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত। কর্তৃপক্ষ যদি মনে করে, তাহলে এটি তারা অভিযানে ব্যবহার করতে পারে। 

মঙ্গলবার সকাল ১১:০০ মিনিট- আসলে শুধু পাঁচজনই উদ্ধারের অপেক্ষায় নেই; বরং এ কিশোরদের কয়েকদিন ধরে সঙ্গ দেওয়া থাই নেভি সিল সদস্যরাও গুহার ভেতরে আছেন এখনো। তারা কিশোরদের সাঁতার ও ডাইভিং প্রশিক্ষণ দিচ্ছিল। কিশোর ও তাদের কোচকে উদ্ধার করা হয়ে গেলে তারা বাইরে বেরিয়ে আসার উদ্যোগ নেবেন। কয়েকদিন ধরে গুহায় থাকার কারণে তাদের বাইরে বেরিয়ে আসার যাত্রাটাও ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

মঙ্গলবার সকাল ১০:৫৯ মিনিট- সংকীর্ণ গুহাপথ দিয়ে এভাবে কিশোরদের বের করে আনা হচ্ছে। গ্রাফিক্সটি বিবিসির।

মঙ্গলবার সকাল ১০:৫৫ মিনিট- একজন কর্মকর্তা এইমাত্র নিশ্চিত করেছেন, স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ৮ মিনিটে তৃতীয় দিনের অভিযানটি শুরু হয়েছিল এবং আজ উদ্ধার অভিযানে অংশ নিচ্ছেন ১৯ জন ডুবুরি। গত দুই দিন ১৮ জন অংশ নিয়েছিলেন। 

মঙ্গলবার সকাল ১০:৪৭ মিনিট- আজই কি বাকি পাঁচজনকে উদ্ধার করা হবে? এ প্রশ্নের জবাবে নারোংসাক ওসোটানাকোর্ন বলেন, ‘এটা এখনো নিশ্চিত নয়। গুহার ভেতরের পরিবেশ ও বৃষ্টিপাতের ওপর ও প্রশ্নের উত্তর নির্ভর করবে। আমরা আজকে চারজনকে উদ্ধারের চেষ্টা করব। তবে সম্ভব হলে সবাইকেই উদ্ধার করা হবে।

আপনারা আকাশে মেঘের অবস্থা দেখেছেন? বৃষ্টি হলে ছেলেদের জীবন ঝুঁকিতে পড়বে। আমাদেরকে একটু সময় দিন। গত দুই দিনের চেয়ে আজকের অভিযান বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’

নারোংসাক বলেন, ‘প্রথম দিন আমাদের ১১ ঘণ্টা লেগেছে, দ্বিতীয় দিন লেগেছে ৯ ঘণ্টা। দ্বিতীয় দিনের মতো আজকেও একই পরিমাণ সময় লাগতে পারে।’

গার্ডিয়ানের সাংবাদিক মাইকেল সাফি জানিয়েছেন, আজকেই সবাইকে বের করে আনা হতে পারে। আজকের দিন শেষে ‘ওয়াইল্ড বোর’ ফুটবল দলের সব সমস্যা মিলিত হতে পারবেন বলে আমা করা যায়।। 

মঙ্গলবার সকাল ১০:১৩ মিনিট- অভিযানস্থল থেকে বিবিসির জনাথন হেড জানিয়েছেন, মঙ্গলবার সকালে সেখানে ব্যাপক বৃষ্টিপাত হয়েছে। এ বৃষ্টিপাতের কারণে তৃতীয় দিনের উদ্ধার অভিযান আরও ত্বরান্বিত করতে হয়েছে। বৃষ্টি হলে গুহার ভেতর পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে এবং এটি আটকে পড়া কিশোরদের জীবনের জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে। 

মঙ্গলবার সকাল ১০:১২ মিনিট- এই সেই অস্ট্রেলীয় চিকিৎসক, যিনি গুহার ভেতরে গিয়ে কিশোরদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেছিলেন। সবচেয়ে দুর্বল কিশোরদের আগে উদ্ধারের পরামর্শও তারই ছিল। তার নাম রিচার্ড হ্যারিস। কয়েক দশকের ডাইভিং অভিজ্ঞতা আছে তার। একই সঙ্গে তিনি একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞও। ধারণা করা হচ্ছে, যে দুজন ব্রিটিশ ডাইভার গুহায় আটকে পড়া কিশোরদের প্রথম খুঁজে পান, তাদের অনুরোধেই রিচার্ডকে এ উদ্ধার অভিযানে সম্পৃক্ত করা হয়। 

মঙ্গলবার সকাল ১০:১০ মিনিট-  কিশোরদের গুহা থেকে বের করে আনার চূড়ান্ত অভিযানে অংশ নেওয়া আরেকজন সম্পর্কে জানা গেছে। তিনি হচ্ছেন ডেনমার্কের নাগরিক ক্লাউস রাসমুসেন। রাসমুসেন ও রেইমেনান্টস ফুকেটে একই সাঁতার স্কুলের প্রশিক্ষক। নিচের ছবিটি তার প্রশিক্ষণের একটি ছবি। এটি কিন্তু থাইল্যান্ডের গুহার উদ্ধার অভিযানের ছবি নয়। 

মঙ্গলবার সকাল ১০:০৯ মিনিট- অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এ উদ্ধার অভিযানটি নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে অনেক তথ্য দিয়েছি আমরা। কিন্তু যে উদ্ধারকারীরা সীমাহীন ঝুঁকি নিয়ে এ অসম্ভব কাজটিকে সম্ভব করছেন, তাদের ব্যাপারে তেমন কিছু বলা হয়নি। এবার একজনের পরিচয় দেওয়া যাক। নিচের ছবিতে প্রধান কমান্ডার নারোংসাক ওসোটানাকোর্নের সঙ্গে যাকে দেখছেন, তিনি এ অভিযানে অংশ নেওয়া একজন উচ্চ প্রশিক্ষিত ডাইভার। তার নাম বেন রেইমেনান্টস। কিশোরদেরকে গভীর গুহা থেকে যারা বের করে এনেছেন, তিনি তাদের মধ্যে একজন। 

বেলজিয়ামের নাগরিক বেন থাইল্যান্ডের ফুকেটে একটি সাঁতার সরঞ্জামের দোকান ও সাঁতার স্কুল পরিচালনা করেন।

নারোংসাক ওসোটানাকোর্নের সঙ্গে বেন রেইমেনান্টস (বামে)। ছবি: সংগৃহীত

মঙ্গলবার সকাল ১০:০৫ মিনিট- গুহায় আটকে পড়া কিশোরদের রাশিয়া বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচটি মস্কোতে মাঠে বসে সরাসরি দেখার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন ফিফা প্রেসিডেন্ট। রবি ও সোমবার দুই দফায় ৮ কিশোরকে উদ্ধারের পর এ আমন্ত্রণ এখনো বহাল আছে বলে জানিয়েছিল ফিফা। কিন্তু এখন ডাক্তাররা বলছেন, ওই সময়ের মধ্যে যদি সব কিশোরকে উদ্ধার করা সম্ভবও হয়, তাহলেও ১৫ জুলাই রোববার অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে রাশিয়া যাচ্ছে না তারা । তাদের অন্তত এক সপ্তাহ হাসপাতালের পর্যবেক্ষণে থাকতে হবে। 

মঙ্গলবার সকাল ১০:০০ মিনিট- থাইল্যান্ডের স্বাস্থ্য বিভাগের একজন কর্মকর্তা ড.জেটসাডা চোকেডামরংসুক জানিয়েছেন, উদ্ধার হওয়া ৮ কিশোরের সবাই ভালো আছে এবং তারা নিজেরা নিজেদের টুকটাক কাজ করতে পারছে। 

মঙ্গলবার সকাল ৯:৩০ মিনিট- রবিবার প্রথম দফা অভিযানে যে চার কিশোরকে উদ্ধার করা হয়েছিল, পরিবারের সদস্যরা গতকাল (সোমবার) রাতে  তাদের সঙ্গে দেখা করতে পেরেছেন। সোমবার যাদের উদ্ধার করা হয়েছে, তাদের পরিবারের সদস্যরা আজ তাদের সঙ্গে দেখা করতে পারবেন। 

মঙ্গলবার সকাল ৯:২৫ মিনিট- অষ্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী জুলি বিশপ থাইল্যান্ডে উদ্ধার অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করায় অষ্ট্রেলীয় চিকিৎসকদের প্রসংশা করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশের চিকিৎসকরা এখন জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ একটি উদ্ধার অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে, এটা জেনে আমি গর্বিত। ’

মঙ্গলবার সকাল ৯:০০ মিনিট- এখনো গুহার ভেতর আটকে থাকা ৪ কিশোর ফুটবলার ও তাদের কোচকে উদ্ধারে তৃতীয় দিনের মতো অভিযান শুরু হয়েছে। ভালো আবহাওয়ার কারণে তৃতীয় দিনের উদ্ধার অভিযান তুলনামূলক আনেক আগেই শুরু করা হয়েছে।

সোমবার সন্ধ্যা ৭:০০ মিনিট- দ্বিতীয় দিনের মতো উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত করা হয়েছে। এখনো ৪ কিশোর ফুটবলার ও তাদের কোচ গুহার ভেতর আটকা আছেন। পরবর্তী অভিযান শুরু হবে মঙ্গলবার। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, আজকে উদ্ধার হওয়া কিশোররা ঠান্ডায় কাঁপছিল। কিন্তু তারা শারীরিকভাবে সুস্থ আছে। 

সোমবার সন্ধ্যা ৬: ৩০ মিনিট-  আরও দুজন কিশোরকে উদ্ধার করা হয়েছে। এই নিয়ে দ্বিতীয় দিনে উদ্ধার করা হলো চারজনকে, আর মোট উদ্ধার হওয়া কিশোরের সংখ্যা দাঁড়াল ৮-এ। তবে এটি এখনো উদ্ধার অভিযান দল নিশ্চিত করেনি। 

সোমবার ৫: ২০ মিনিট- গুহার ভেতরে আটকে পড়া খুদে ফুটবলার ও তাদের কোচের নাম-পরিচয় জানিয়েছে বিবিসি।

  • চানিন ভিবুলরাংরাং, বয়স ১১। ডাক নাম তিতান। ৭ বছর বয়স থেকে ফুটবল খেলা শুরু করেছে।
  • পানুমাস সাংদী, বয় ১৩। ডাক নাম মিগ। সে তার বাবা-মাকে লিখেছে, উদ্ধারকারীরা আমাকে যথেষ্ট দেখভাল করছেন।
  • দুগানপেট প্রমদেব, বয়স ১৩। ডাক নাম ডোম। সে ফুটবল টিম ওয়াইল্ড বোর্সের অধিনায়ক। বিভিন্ন সময় দেশটির প্রাদেশিক ফুটবল দলসহ বিভিন্ন প্রফেশনাল ক্লাবে অনুশীলনের আমন্ত্রণ পেয়েছে সে।
  • সামপং যাইউং, বয়স ১৩। ডাক নাম পঙ। থাই জাতীয় ফুটবল টিমে খেলাই তার স্বপ্ন।
  • মংকোল বুনিয়েইম, বয়স ১৩। ডাক নাম মার্ক। তার শিক্ষক বলেছেন, মংকোল খুবই ভালো ছেলে এবং সবাইকে সম্মান করে।
  • নাট্টাওট তাকাম্রুং, বয়স ১৪। ডাক নাম তের্ক। তাকে নিয়ে বাবা-মাকে দুশ্চিন্তা না করতে অনুরোধ করেছে।
  • একারত ওঙসুকচান, বয়স ১৪। ডাক নাম বিউ। সে তার মাকে কথা দিয়েছে, গুহা থেকে মুক্ত হওয়ার পর দোকানে মাকে সাহায্য করবে।
  • আদুল সাম-অন, বয়স ১৪। উত্তর থাইল্যান্ডের ভলিবল টুর্নামেন্টে দ্বিতীয় হওয়া দলের সদস্য সে।
  • প্রাযক সুথাম, বয়স ১৫। ডাক নাম নোট। তার পরিবারের সদস্যদের বন্ধুর কাছে জানা গেছে, সে খুবই স্মার্ট ও শান্ত ছেলে।
  • পাইপেট ফো, বয়স ১৫। ডাক নাম নিক। উদ্ধারের পর সে তার বাবা-মায়ের কাছে বারবিকিউ খাবার খেতে চায়।
  • পোর্নচাই কামলুয়াং, বয়স ১৬। ডাক নাম তি। বাবা-মায়ের উদ্দেশে সে বলেছে, ‘আমার জন্য দুশ্চিন্তা করো না, আমি ভালো আছি’।
  • পিরাপ্যাত সমপিয়াংজাই, বয়স ১৬। ডাক নাম নাইট। তার জন্মদিনেই সে হারিয়ে যায় এবং জন্মদিনের পার্টি পালন করার জন্য তার বাবা-মা এখনও অপেক্ষায় রয়েছেন।
  • এক্কাপোল চ্যান্টাওঙ, বয়স ২৫। সহকারী কোচ। এক চিঠিতে তিনি কিশোরদের বাবা-মার কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। জবাবে তারা বলেছেন, তাদের কেউ তাকে দোষ দিচ্ছে না।

সোমবার ৪:০২ মিনিট- আবারও ভারী বৃষ্টিপাতের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। আকাশ কালো হয়ে গেছে। বৃষ্টি হলে গুহার ভেতর পানির উচ্চতা বেড়ে যাবে এবং উদ্ধার অভিযান বাধাগ্রস্ত হবে।

সোমবার ৪:০০ মিনিট- আটকে পড়া আরও এক কিশোরকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে মোট উদ্ধারকৃত কিশোরের সংখ্যা দাঁড়ালো পাঁচে। স্থানীয় সময় ৫টায় পঞ্চম কিশোরকে গুহা থেকে বাইরে বের করে আনা হয়। তাকে হেলিকপ্টারে করে চিয়াং রাই প্রাচানুকরোহ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। আগের উদ্ধারকৃত কিশোররাও এ হাসপাতালেই আছে। 

সোমবার ২:০০ মিনিট- কিশোরদের বরাত দিয়ে একজন কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, বৃষ্টির কারণে গুহামুখ আটকে যেতে পারেন, কিশোরদের এমন কোনো ধারণা ছিল না। 

সোমবার ১:৫৫ মিনিট- চিয়াং রাই প্রদেশের সাবেক গভর্নর নারোংসাক ওসোটানাকোর্নকে সম্প্রতি অন্য একটি প্রদেশে বদলি করা হয়েছিল। কিন্তু তার অসাধারণ নেতৃত্বগুণের কারণে তাকে এ উদ্ধার অভিযানের প্রধান সমন্বয়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়। এখন পর্যন্ত তিনি নিষ্ঠার সঙ্গে তার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। জল্পনা আছে, তিনি থাইল্যান্ডের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন।

সোমবার ১:৪৮ মিনিট- গুহায় আটকে পড়া কিশোরদের ২৫ বছর বয়সী সহকারী কোচ এক্কাপোল চানতাওংয়ের আন্টি বলেছেন, ‘আমি মানুষকে বোঝাতে চাই, ও (কোচ) খুব ভালো মানুষ। কিশোরদেরকে বিপদে ফেলার জন্য সে তাদের ওই গুহায় নিয়ে যায়নি। ১০ বছর বয়সে সে তার বাবা-মাকে হারিয়েছে। জীবনে বহু কষ্ট সহ্য করতে হয়েছে তাকে। সে মানুষের সাহায্য করে, বিনিময়ে কিছুই প্রত্যাশা করে না।  বাবা-মা মারা যাওয়ার পর সে আমার ও আমার মায়ের কাছে বড় হয়েছে।’

কোচ এক্কাপোলের আন্টি।

উল্লেখ্য, কিশোরদের এভাবে গুহায় আটকে পড়ার পেছনে তাদের ২৫ বছর বয়সী কোচের ‘দায়িত্বহীনতাকে’ দোষ দিচ্ছেন অনেকে। তবে আটকা পড়া কিশোরদের পরিবার বলছে, তারা কোচকে দোষ দিচ্ছেন না। 

সোমবার ১:২০ মিনিট- গুহার প্রবেশমুখে আরও কয়েকটি অ্যাম্বুলেন্স আনা হয়েছে।

সোমবার ১২: ৩০ মিনিট- দ্বিতীয় দিনের মতো অভিযান শুরু হয়েছে। স্থানীয় সময় বেলা ২টার দিকে থাই নেভির একজন কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ডুবুরিরা গুহার ভেতরে প্রবেশ করেছেন।

সোমবার ১২:২০ মিনিট- স্বাভাবিকভাবেই আজকের সবগুলো থাই সংবাদপত্রের পুরোটা প্রথম পাতায় রবিবারের উদ্ধার অভিযানের ছবি ও সংবাদের প্রাধান্য দেখা গেছে। সবগুলো হেডলাইনেই উদ্ধারকারী ডুবুরিদের ভূয়সী প্রশংসা করা হয়েছে। পত্রিকাগুলো বলছে, অত্যন্ত দক্ষ ডুবুরিদের কারণেই এ অসম্ভব কাজটি সম্ভব হয়েছে।

সোমবার ১২: ১৬ মিনিট- ঘটনাস্থলে উপস্থিত গার্ডিয়ানের একজন সাংবাদিক কিছুক্ষণ আগে জানিয়েছেন, অভিযানস্থলে কর্মচাঞ্চল্য হুট করে বেড়ে গেছে। ৪ ঘণ্টা আগে কর্মকর্তারা এ সাংবাদিককে জানিয়েছিলেন যে, কোনো ডুবুরি এখনো গুহার প্রবেশমুখে পৌঁছায়নি। কিন্তু এখন সেখানকার পরিস্থিতি দেখে তিনি ধারণা করছেন ডুবুরিরা হয়তো এসে পৌঁছেছেন। 

সোমবার ১২:১৫ মিনিট- উদ্ধার অভিযান শুরুর নতুন সময় ঘোষণা করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে স্থানীয় সময় বিকাল ৫টার মধ্যে অভিযান শুরু করা হবে। পরপর দুটি এমন অভিযানের মাঝখানে ডুবুরিদের ১০-২০ ঘণ্টা বিশ্রামের প্রয়োজন।

সোমবার ১২:০১ মিনিট- থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী প্রায়ুত চান ওচা আজ দিনের যেকোনো এক সময় উদ্ধার অভিযান দেখতে ঘটনাস্থলে যাবেন।  

সোমবার ১২:০০ মিনিট- উদ্ধার অভিযানস্থলের পাশেই একটি খোলা জায়গায় একটু আগে একটি হেলিকপ্টার অবতরণ করেছে। এর কিছুক্ষণ পর একটি অ্যাম্বুলেন্সকেও অভিযানস্থলের দিকে যেতে দেখা গেছে। রবিবারও এখানে দুটি হেলিকপ্টার রাখা হয়েছিল। ছেলেদেরকে উদ্ধারের পরে এ হেলিকপ্টারেই করে তাদেরকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। 

সোমবার ১১:৫৪ মিনিট- থাইল্যান্ডের স্বাস্থ্য বিভাগের একজন পরিদর্শক কিছুক্ষণ আগে জানিয়েছেন, উদ্ধার হওয়া কিশোরদের পরিবার সোমবার সন্ধ্যায় হাসপাতালে তাদের সঙ্গে দেখা করতে পারবেন। কিন্তু তাদেরকে স্পর্শ করা যাবে না। দূর থেকে দেখতে হবে। এর আগে থাইল্যান্ডের স্বাস্থ্য সচিব জানিয়েছেন, উদ্ধারের পর দুই একদিনের মধ্যে কিশোররা তাদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে পারবে না। পরিবারকে কয়েকদিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে। উদ্ধার হওয়া চার কিশোরকে চিয়াং রাই প্রাচানুকরোহ হাসপাতালের ১৩ তলায় রাখা হয়েছে। কিশোরদের জন্য পুরো ১৩ তলা খালি করা হয়েছে এবং তাদের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম এনে জড়ো করা হয়েছে। যে ৯ জন এখনো গুহায় আটকা আছেন, উদ্ধারের পর তাদেরকেও এখানেই নিয়ে আসা হবে।

সোমবার ১০:৩০ মিনিট- কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সোমবারের উদ্ধার অভিযান এখনো শুরু হয়নি। একজন সেনা কর্মকর্তা বলেন, ‘আজকের অভিযান এখনো শুরু হয়নি। আমরা এখনো মিটিং করছি।’

সোমবার ১০:২৫ মিনিট- মায়ে সাই প্রাসিটসার্ট স্কুলের কর্তৃপক্ষ বলছে, আটকে পড়া কিশোরদের মধ্যে ছয়জনই তাদের স্কুলের শিক্ষার্থী। কিশোরদেরকে গ্রহণ করার জন্য প্রস্তুতি শুরুর কথাও জানিয়েছেন স্কুলটির কর্তৃপক্ষ। 

ইতোমধ্যে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে পরামর্শ নিয়েছেন শিক্ষকরা। স্কুলটিতে বড় একটি ব্যানার টানানো হয়েছে। ওই ব্যানারে কিশোরদের প্রথম খুঁজে পাওয়ার মুহূর্তের কথোপকথনগুলো লিখে রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘তাদের স্বাভাবিক রুটিন অনুসরণ করতে হবে না।’ 

স্কুলটির একজন শিক্ষক জানিয়েছেন, সামনের সপ্তাহে যে পরীক্ষা আছে, সেখানে এ কিশোরদের অংশগ্রহণ করা লাগবে না।

সোমবার ১০: ১০ মিনিট- এই সেই চিয়াং রাই প্রাচানুকরোহ হাসপাতাল। চার কিশোরকে উদ্ধারের পর তাদেরকে এখানেই ভর্তি করানো হয়েছে। থাম লুয়াং গুহা থেকে এটি ৫০ মাইল দূরে এবং এটি চিয়াং রাই প্রদেশের প্রধান হাসপাতাল। 

সোমবার ১০:০৫ মিনিট- থাইল্যান্ডের স্বাস্থ্য সচিব জানিয়েছেন, উদ্ধারের পর দুই একদিনের মধ্যে কিশোররা তাদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে পারবে না। পরিবারকে কয়েক দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে। 

সোমবার ১০:০২ মিনিট- গতকাল যেসব ডাইভাররা উদ্ধার অভিযানে অংশ নিয়েছিলেন, আজকেও তারাই উদ্ধার অভিযানে অংশ নেবেন। এটি জানিয়েছেন থাইল্যান্ডের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনুপং পাওজিন্ডা। তিনি জানিয়েছেন, বের হয়ে আসার পথে বিভিন্ন জায়গায় অক্সিজেন ট্যাংক বসাতে এখনো কয়েক ঘন্টা সময় লাগতে পারে। 

সোমবার ১০:০০ মিনিট- চিয়াং রাইয়ের গভর্নর নারোংসাক বলেছেন, ছেলেদেরকে পুরো মুখে মাস্ক লাগিয়ে বের করা হচ্ছে। ডাইভাররা সাধারণত যে ধরণের মাসক পরেন, এটি তার চেয়ে ভিন্ন এবং ভুলবশত এটি মুখ থেকে খুলে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই। 

সোমবার ৯:৫৬ মিনিট- অষ্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী জুলি বিশপ জানিয়েছেন, চারজনের দুটি দলে ভাগ করে ছেলেদেরকে বের করা হবে। অর্থাৎ এখনো কমপক্ষে দুটি অপারেশন চালাতে হবে। 

সোমবার সকাল ৯:০০ মিনিট- দ্বিতীয় দিনের মতো উদ্ধার অভিযান শুরুর প্রস্তুতি নিচ্ছেন উদ্ধারকারীরা।

রবিবার রাত ৮:৩৫ মিনিট- অভিযানস্থলে ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। বৃষ্টি এ উদ্ধার অভিযানকে বাধাগ্রস্থ করতে পারে। 

রবিবার রাত ৮:৩০ মিনিট: উদ্ধার অভিযান আগামীকাল সকাল ৮টা পর্যন্থ স্থগিত করা হয়েছে। 

রবিবার রাত ৮:০০ মিনিট- অভিযানের প্রধান কমান্ডার জানিয়েছেন, অভিযান সমস্যাহীনভাবে চলছে এবং ৪ জন কিশোরকে উদ্ধার করা হয়েছে। বাকীদের উদ্ধারে কিছুটা দেরি হবে। গুহার বিভিন্ন জায়গায় নতুন করে অক্সিজেন ট্যাংকার স্থাপন করতে হবে। 

রবিবার সন্ধ্যা ৬:৫১ মিনিট- অন্ধকার ঘনিয়ে আসায় আজকের মতো উদ্ধার অভিযান স্থগিত করা হয়েছে। সোমবার সকালে আটকা পড়া বাকি ৮ ফুটবলার ও তাদের কোচকে উদ্ধারে কাজ শুরু হবে।

রবিবার সন্ধ্যা ৬:৪৯ মিনিট- উদ্ধার হওয়া প্রথম দুজন কিশোর হেলিকপ্টারে করে ৫০ মাইল দূরের হাসপাতালে পৌঁছেছেন। কয়েকজন অভিভাবক সাংবাদিকদের বলেছেন, তারা অর্ধেক খুশি, অর্ধেক চাপমুক্ত।

রবিবার সন্ধ্যা ৬:৪৬ মিনিট- এখন পর্যন্ত মোট ৪ কিশোরকে উদ্ধার করা হয়েছে। কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এটি নিশ্চিত করেছে রয়টার্স ও বিবিসি।

রবিবার সন্ধ্যা ৬:৪৫ মিনিট- ব্যাংককভিত্তিক সাংবাদিক ফ্লোরিয়ান উইতুলস্কি জানিয়েছেন, একজন অষ্ট্রেলিয়ার ডাক্তারের পরামর্শে সবচেয়ে দুর্বল শিশুদের আগে উদ্ধার করা হয়েছে।

রবিবার সন্ধ্যা ৬:৪৩ মিনিট- উদ্ধার হওয়া প্রথম কিশোরকে হেলিকপ্টারে করে চিয়াং রাই প্রদেশের প্রধান শহরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

রবিবার সন্ধ্যা ৬:৩০ মিনিট- লেফটেন্যান্ট জেনারেল কংচিপ তান্ত্রাউইন্ট বলেছেন, কিছুক্ষণের মধ্যে আরও চার কিশোরকে বের করে আনা হবে। তারা এখন বেস ক্যাম্পে আছে বলেও নিশ্চিত করেছেন তিনি। কিছুক্ষণের মধ্যে আরও তিন কিশোর ওই চেম্বারে পৌঁছাবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর দিয়েছে।

রবিবার সন্ধ্যা ৬:২৫ মিনিট- কর্তৃপক্ষ উপস্থিত একজন সাংবাদিককে বলেছেন, গুহার প্রবেশমুখে পানির উচ্চতা কমে আসায় ওই দুই কিশোর হেঁটেই অনেকটা পথ পাড়ি দিতে পেরেছে। তাই উদ্ধারে সময় কম লেগেছে। 

রবিবার সন্ধ্যা ৬:২২ মিনিট- স্থানীয় গণমাধ্যম বলছে, অভিযানস্থলের পাশেই যে দুটি হেলিকপ্টারকে সকাল থেকে প্রস্তুত রাখা হয়েছিল, তাদের একটিকে উড়ে যেতে দেখা গেছে। উদ্ধারের পর কিশোরদের দ্রুত হাসপাতালে পাঠাতে এ হেলিকপ্টারগুলোকে প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। 

রবিবার সন্ধ্যা ৬:০৮ মিনিট- ঘটনাস্থলে উপস্থিত বিবিসির হেলিয়ার চিয়ুং টুইট করেছেন, অভিযানস্থলে তিনি চারটি অ্যাম্বুলেন্স প্রবেশ করতে দেখেছেন।

রবিবার সন্ধ্যা ৬:০৬ মিনিট- বিবিসির হাওয়ার্ড জনসন মাত্র টুইট করেছেন যে, দুটি অ্যাম্বুলেন্সে করে উদ্ধার দুই কিশোরকে হাসপাতালের নিয়ে যেতে দেখেছেন তিনি। 

রবিবার সন্ধ্যা ৬:০৫ মিনিট- চিয়াং রাই প্রদেশের স্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান টোসাথেপ বুনথং বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দুই কিশোরকে উদ্ধারের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি রয়টার্সকে বলেন, ‘দুইজনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তারা ভালো আছে। আপাতত তাদেরকে অভিযানস্থলে স্থাপিত অস্থায়ী হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আমরা তাদের শারিরীক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছি। তাদেরকে এখনো হাসপাতালে পাঠানো হয়নি।’

রবিবার বিকাল ৫: ৫৩ মিনিট- ব্যাংকক পোস্ট বলছে, ওই দুই কিশোর তাদের সাঁতার ও ডাইভিং অংশ শেষ করেছে। এখন হেঁটে গুহার বাইরের দিকে আসছে। তারা নিরাপদ ও ভালো আছেন। 

রবিবার বিকাল ৫: ৪০ মিনিট- আইটিভির সাংবাদিক জন আরভিন বলেছেন, একজন পুলিশ কর্মকর্তা তাকে নিশ্চিত করেছেন যে দুজনকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং তারা ভালো আছে।

রবিবার বিকাল ৫.৩৫ মিনিট- বিবিসির জনাথন হেড টুইট করেছেন, সরকারের টাইমলাইন অনুসরণ করলে উদ্ধারের তথ্য ভুল মনে হয়। সরকারের দেওয়া টাইমলাইন অনুসারে দুই কিশোরের উদ্ধারের সময় ‘বেশ আগে’।

রবিবার বিকাল ৫:৩৪ মিনিট- ১৩ জনের একটি মেডিকেল টিম গুহার মুখে প্রস্তুত আছে। ছেলেদেরকে বের করা হলেই হেলিকপ্টারে করে ৫০ মাইল দূরের চিয়াং রাই প্রচানুকরোহ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করা অাছে। তবে আবহাওয়া হেলিকপ্টারের চলাচল উপযোগী না হলে বিকল্প পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।

রবিবার বিকাল ৫:২০ মিনিট- ১২ কিশোর ফুটবলারদের মধ্যে দু’জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। থাইল্যান্ডের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম এ খবর দিচ্ছে। যদিও এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কেউ নিশ্চিত করেনি। 

রবিবার বিকাল ৫:০৫ মিনিট- বিবিসির প্রতিবেদক হেলিয়ার চিয়ুং এইমাত্র টুইট করেছেন, অভিযান এলাকায় হঠাৎ করেই কর্মকর্তাদের তৎপরতা বেড়ে গেছে। কিন্তু সেখানে ঠিক কি ঘটেছে, তা এখনো জানা যায়নি।

রবিবার বিকাল ৪:৫২ মিনিট- যৌথ উদ্ধার অভিযানের প্রধান কমান্ডার নারোংসাক কিছুক্ষণ আগে উদ্ধার অভিযান সম্পর্কে কিছু তথ্য দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, ১৩ জন আন্তর্জাতিক ডাইভার সকাল ১০ টায় গুহার ভেতর প্রবেশ করেছে। এরমধ্যে ১০জন যাবেন চেম্বার ৯-এ (এখানেই ছেলেরা আটকে আছে) এবং চেম্বার ৬-এ। স্থানীয় সময় বেলা ২টায় তাদের সঙ্গে যোগ দেন আরও ৩জন ডাইভার। 

অতিরিক্ত হিসেবে অারও বহু প্রশিক্ষিত ডাইভারকে চেমম্বার ৩-এ প্রস্তুত রাখা হয়েছে। গুহার ভেতরে চেম্বার ৩-এ কমান্ড স্টেশন স্থাপন করা হয়েছে। 

নারোংসাক বলেন, উদ্ধার অভিযানটি অত্যন্ত কঠিন ও ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় ছেলেদের প্রথম দলটিকে বের করে আনতে ঠিক কত সময় লাগবে, তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। 

রবিবার বিকাল ৪:৪০ মিনিট- ভারী বৃষ্টিপাত কমেছে। তবে হালকা বৃষ্টি এখনো আছে।

রবিবার বিকাল ৪:২০ মিনিট- বিবিসির প্রতিবেদক জানিয়েছেন, উদ্ধার অভিযানস্থলে ব্যাপক বৃষ্টিপাত হচ্ছে। উদ্ধারকারীদেরকে সময় ও পানির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে উদ্ধারকাজ করতে হচ্ছে। আগেই বলা হয়েছিল, গুহার ভেতরে অক্সিজেনের পরিমান কমে আসছে এবং বৃষ্টিতে গুহার পানি বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। এতে করে ছেলেদের জীবন হুমকির ‍মুখে পড়বে।

রবিবার বিকাল ৪:১৬ মিনিট- সন্তানের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে একটি পরিবার। 

রবিবার বিকাল ৪:১২ মিনিট- কয়েকঘন্টা হলো উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে। এরপর থেকে এখনো পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো বার্তা জানানো হয়নি। স্মরণ রাখা দরকার, ছেলেদেরকে প্রশিক্ষিত ডাইভারদের সঙ্গে ডাইভ দিয়ে বের হতে হবে। কিন্তু তারা জীবনে কোনোদিন ডাইভ দেয়নি এমনকি অনেকে সাঁতারও জানে না। 

সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে স্থানীয় সময় রাত ৯টায় প্রথম ছেলেটিকে বের করে আনা হতে পারে। 

রবিবার বিকাল ৪:১১ মিনিট- অষ্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী জুলি বিশপ এক টুইটে জানিয়েছেন, তিনি উদ্ধার অভিযানে সাহায্য করার জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের একটি দল পাঠিয়েছেন। 

রবিবার বিকাল ৩:৩৫ মিনিট- একটি গ্রাফিক্সের মাধ্যমে পুরো উদ্ধার পরিকল্পনার কথা প্রকাশ করে সরকার। 

পরিকল্পনা অনুযায়ী, উদ্ধারে যন্ত্রপাতির মধ্যে এয়ার ট্যাংক ও ফুল ফেস মাস্ক লাগবে। প্রতি কিশোরকে সঙ্গ দেবে দুজন করে ডাইভার। তারা তিনজন একসঙ্গে ডাইভ দেবে। এর আগে ডাইভাররা দড়ি দিয়ে যে পথনির্দেশিকা স্থাপন করেছিলেন, সেটি ধরেই অগ্রসর হবেন ডাইভাররা। 

যখন সংকীর্ণ পথ সামনে আসবে, তখন ডাইভাররা তাদের পেছনের এয়ার ট্যাংক খুলে হাতে নেবেন এবং ছেলেটি ও ট্যাংকটিকে আস্তে করে ওই চিকন পথ দিয়ে পার করাবেন। এভাবে তারা চেম্বার ৩ পর্যন্ত যাবেন। 

চেম্বার ৩ থেকে ছেলেদের অন্য একটি দলের কাছে হস্তান্তর করা হবে। তারা সেখান থেকে হেঁটে বের হবে। 

থাই সরকারের ভাষ্য, ছেলেরা খুব দ্রুত সবকিছু আয়ত্ত করতে পেরেছে। এটি খুবই আশার কথা।

সরকার সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, এই উদ্ধার অভিযান হবে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। ছেলেরা আতঙ্কিত হয়ে পড়তে পারে। 

রবিবার বেলা ৩:২৫ মিনিট- প্রতিটি ছেলেকে উদ্ধারে ১১ ঘন্টা সময় লাগবে। তাদের কাছে যেতে ৬ ঘন্টা, ফিরে আসতে ৫ ঘন্টা লাগবে।

রবিবার বেলা ২:৪১ মিনিট- অভিযানস্থলে ভারি বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। এ বৃষ্টি নিয়েই উদ্ধারকারীদের যত ভয়। বৃষ্টি হলে গুহার ভেতরের পানির উচ্চতা বেড়ে যাবে। এতে উদ্ধার প্রক্রিয়া আরও কঠিন হয়ে যাবে। 

রবিবার বেলা ২:০০ মিনিট- ছেলেদেরকে মোট ৪টি দলে ভাগ করা হবে। প্রথম দলে ৪জন, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ দলে ৩জন করে থাকবেন। কোচ থাকবেন শেষ দলে। কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে ব্যাংকক পোস্ট। 

রবিবার বেলা ২:১০ মিনিট- নিচের ছবিটি গুহায় আটকে পড়া প্রালাক সুথামের। জুলাইয়ের ১ তারিখ ছিল তার ১৫তম জন্মদিন। এ জনস্মদিনটিকে নিশ্চয়ই চিরতরে ভুলে যেতে চাইবে সুথাম। 

সুথামের একজন আন্টি সিএনএনকে বলেন, ‘ওর জন্মদিনে আমি কিছু তৈরী করিনি। কিন্তু সে যখন ফিরে আসবে, তখন বড় আয়োজিন হবে। আমি প্রতিটা সেকেন্ড ওর জন্য অপেক্ষা করছি।

রবিবার বেলা ২:৬ মিনিট- থাম লুয়াং গুহা ও ছেলেদের আটকে পড়ার অবস্থার গ্রাফিক্স চিত্র। সূত্র: সিএনএন

রবিবার বেলা ১:১৭ মিনিট- উদ্ধারের পর ছেলেদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার জন্য দুটি হেলিকপ্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

রবিবার বেলা ১:৬ মিনিট- গত কয়েকদিনে একটানা গুহা থেকে ১৩ কোটি লিটার পানি পাম্প করে বের করা হয়েছে। উদ্ধারকারীরা বলছেন, গুহার বেথরে এখন যা পানি আছে, সেটি উদ্ধার অভিযানের জন্য আদর্শ।

রবিবার বেলা ১২:৫০ মিনিট- কিশোর ফুটবলারদের ২৫ বছর বয়সী কোচ কি এই ঘটনার মূল ভিলেন? এ প্রশ্নে দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়েছে থাইল্যান্ডবাসী। কোচই ওই কিশোরদেরকে গুহাটিতে নিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত প্রবেশমুখে পানি আটকে যাওয়ায় তারা কেউই আর বের হতে পারেননি। থাইল্যান্ডে অনেকেই এ ঘটনার জন্য কোচকে দায়ি করছেন, আবার অনেকে বলছেন এ ধরণের পরিস্থিতিতে কিশোরদের জন্য সম্ভব সবকিছুই করেছেন তিনি। 

তাদের খোঁজ পাওয়ার পর কোচকেই সবচেয়ে দুর্বল অবস্থায় পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে থাই নেভি সিল। কারণ সে তার সব খাবার ছেলেদের বিলিয়ে দিয়েছিল। গতকাল কিশোরদের পরিবারের কাছে লেখা এক চিঠিতে কোচ ক্ষমা চেয়েছেন। যদিও অভিভাবকরা কোচকে কোনোভাবে দায়ি করছেন না।

অভিভাবকরা কোচের কাছে পাল্টা এ চিঠিতে লিখেছে, ‘প্রিয় কোচ, আমরা আপনার ফুটবকল টিমের সদস্যদের পরিবার বলছি, আমরা আপনাকে দোষারোপ করছি না। আপনি নিজেকে দোষারোপ করেন, সেটাও চাচ্ছি না। আমরা জানি আপনি আমাদের সন্তানদের যথেষ্ঠ যত্ন নিচ্ছেন। কীভাবে কি হয়েছে, আমরা সবাই সেই পরিস্থিতিটা বুঝি। আমরা আপনার সঙ্গে আছে।’

রোববার ওয়াশিংটন পোস্টে লেখা এক কলামে সাংবাদিক শিবানি মাহতানি বলেছেন, যুক্তরােষ্ট্রে হলে ওই কোচকে বিচারের মুখোমুখি হতে হতো। কিন্তু থাইল্যান্ডে তাকে নায়ক আখ্যায়িত করা হচ্ছে। 

রবিবার বেলা ১২: ৪৮ মিনিট- উদ্ধারের পর কিশোরদের সবধরণের চিকিৎসা সেবা দিতে স্থানীয় হাসপাতাল সব ধরণের প্রস্তুতি সেরে রেখেছে। ছবিটি সিএনএন এর সাংবাদিক ম্যাট রিভার্সের টুইটার থেকে নেওয়া। 

রবিবার বেলা ১২:৪০ মিনিট- গভর্ণর জানিয়েছেন, গুহার ভেতরের অনেকাংশে পানির উচ্চতা এতটাই কমে গেছে যে ছেলেরা সেসব অংশে হেঁটে বের হতে পারবে। গুহার ভেতর যে তিনটি চেম্বার স্থাপন করা হয়েছে, সবগুলোতেই নাটকীয়ভাবে পানির উচ্চতা কমে গেছে। কিছু জায়গায় পানির উচ্চতা ৩০ সেন্টিমিটারে এসে ঠেকেছে। গত দশদিনে যেটি সর্বনিন্ম। 

রবিবার বেলা ১২:৩৯ মিনিট- গুহায় অক্সিজেনের মাত্রা কমে যাওয়ায় উদ্ধার অভিযান জোরদার করতে হয়েছে। গত দুদিনে গুহার ভেতর াক্সিজেনের মাত্রা বিপজ্জনকভাবে কমে গেছে। এখন গুহায় অক্সিজেনের মাত্র ১৫ শতাংশ। এটি বাঁচার জন্য যথেষ্ঠ হলেও সুস্থভাবে বাঁচার জন্য যথেষ্ঠ নয়। 

রবিবার বেলা ১২:৩৬ মিনিট- চিয়াং রাই রাজ্যের গভর্ণর ও এ উদ্ধার অভিযানের প্রধান কমাণ্ডার জোনিয়েছেন, রাতে আরও ভারি বৃষ্টিপাত হবে, অবহাওয়া আরও খারাপ হবে। আজকে অভিযান না চালালে ক্ষতি হয়ে যাবে। আজই উপযুক্ত দিন। 

রবিবার বেলা ১২:২৪ মিনিট- অভিযানস্থলের ঠিক বাইরের এই মুহূর্তের অবস্থা এটি। সেখানে হালকা বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুসারে এটি আরও বাড়বে। ছবিটি ঘটনাস্থলে উপস্থিত বিবিসির একজন সাংবাদিকের টুইটার থেকে নেওয়া।

রবিবার বেলা ১২:১৭ মিনিট- একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ডাইভাররা একজন একজন করে কিশোরকে এসকর্ট দিয়ে প্রথমে ৩নং চেম্বারে নিয়ে আসবে। পরে সেখানে অপেক্ষমাণ আরেকটি উদ্ধারকারী দলের কাছে হস্তান্তর করবে। গুহার দুই কিলোমিটার ভেতরে চেম্বার ৩ স্থাপন করা হয়েছে। 

রবিবার বেলা ১২:৮ মিনিট- পাশের মায়ে সাই প্রাসিটসার্ট স্কুলের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা কিশোর ফুটবলারদের নিরাপদ উদ্ধারের জন্য ছয় ঘন্টাব্যাপী এক প্রার্থনাসভায় বসেছে। 

রবিবার বেলা ১২:৭ মিনিট- কিশোরদের উদ্ধারে হাইপোথার্মিয়া অনেক বড় সমস্যার কারণ হতে পারে। গুহার পানি বেশ ঠান্ডা। কিশোরদেরকে বেশ কয়েক ঘন্টা পানির নিচে থাকতে হবে। সংক্রমণও আরেকটি বাধা। গুহার ভেতরে বিভিন্ন রোগের জীবাণু আছে। তার ওপর সেখানকার পানিও দূষিত। যদি কোনো কিশোর রোগে আক্রান্ত হয়, তাহলে সেটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা আছে।

রবিবার বেলা ১১:৫০- আটকে পড়া কিশোররা পড়াশোনা করে, এমন দুটি স্কুলে গিয়েছিলেন সিএনএন এর প্রতিবেদক। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে তারা জানতে পেরেছেন, ওই গুহাটিতে প্রবেশ করতে কিশোরদেরকে নিষেধ করা হয়েছিল। আটকে পড়া এক কিশোরের বন্ধু জানায়, ‘ওদের অবস্থা জেনে আমি কুবই উদ্বিগ্ন। ওই গুহাটি অন্ধকারাচ্ছন্ন এবং ভয়ঙ্কর। আমি হলে ওখানে যাওয়ারই সাহস করতাম না।’

আরও যা যা জানতে হবে

অভিযানের শুরুতে পানির নিচে সংকীর্ণ পথ পাড়ি দিতে হবে কিশোরদের, যেটিকে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। উদ্ধার অভিযানে কিশোরদের বের করে আনতে তাদের দীর্ঘ সময় অক্সিজেন মাস্ক পরে পানির নিচে ডাইভ দিতে হবে। এ ধরনের অভিজ্ঞতা তাদের কারোরই আগে ছিল না।

আটকে পড়া কিশোরদের ও তাদের পরিবারকে উদ্ধার অভিযানের পরিকল্পনা সম্পর্কে জানানো হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আজ থাইল্যান্ড স্থানীয় সময় রাত ৯টা নাগাদ প্রথম কিশোরকে বের করে আনা হতে পারে। কতজনকে আজ বের করা হবে, সেটা জানা না গেলেও উদ্ধারকারীরা বলছেন, যারা ‘শতভাগ প্রস্তুত’ তাদেরকেই অাজ বের করা হবে। সেক্ষেত্রে আজ চারজনকে বের করা হতে পারে। ঠিক কী উপায়ে তাদের বের করে আনা হবে, তা এখনো সাংবাদিকদের জানানো হয়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, গুহার ভেতর গভীর পানিতে ডাইভিং এবং অল্প পানিতে হেঁটে তাদেরকে বের করে আনা হবে।

উদ্ধারকারীরা এ অভিযানকে ‘হয় এখনই, নয়তো কখনোই নয়’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

ইতিমধ্যে উদ্ধার অভিযানস্থল থেকে চিকিৎসক, উদ্ধারকারী  ও নিরাপত্তারক্ষাকারী সদস্য ছাড়া বাকি সবাইকে বের করে দেওয়া হয়েছে।

কিশোরদের কাছে পৌঁছানোর জন্য ডাইভারদেরকে সঠিকভাবে এ সংকীর্ণ গুহাটি পাড়ি দিতে হবে। প্রতিজন কিশোরের সঙ্গে দুজন করে ডাইভার থাকবেন এবং তারা এসকর্ট দিয়ে বাইরে বের করে আনবেন। এখানে ‘বাডি সিস্টেম’ নামের একটি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে। পুরো গুহার বিভিন্ন জায়গায় বাড়তি অক্সিজেন ট্যাংক স্থাপন করা হয়েছে যাতে কোনোভাবেই যাত্রাপথে অক্সিজেন সংকটে পড়তে না হয়।

বাডি সিস্টেমে’ এভাবেই প্রতিজন কিশোরকে দুজন ডাইভার এসকর্ট দিয়ে বাইরে বের করে আনবেন।

বিবিসির একজন প্রতিবেদক জানিয়েছেন, ১৫ দিন ধরে গুহায় আটকে থাকা কিশোরদেরকে নিয়ে ফেরার পথে গুহার একটি জায়গায় কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেওয়া হবে। পরে সেখান থেকে শেষ দফা যাত্রায় তাদেরকে বাইরে বের করে আনা হবে। বাইরে বের করে আনার পর সোজা হাসপাতালে পাঠানো হবে কিশোরদের।

চূড়ান্ত অভিযান ঘোষণা করার পর থাই নেভি সিলের ফেসবুক পেজে একটি ছবি পোস্ট করা হয়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে উদ্ধারকারীরা একে অপরের হাত ধরে আছেন।

গুহার প্রবেশ মুখে নতুন একটি সাদা পতাকা ওড়ানো হয়েছে। ইতিবাচকতা প্রদর্শন করতে এটি একটি বৌদ্ধ চিহ্ন।

নারোংসাক ওসোটানাকোর্ন বলেন, ‘আমাদের প্রধান বাধা দুটি: পানি এবং সময়। সেই প্রথম দিন থেকেই আমরা এ দুটির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে যাচ্ছি। আমাদের সম্ভব সবকিছু করতে হবে। যদিও প্রকৃতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করাটা কঠিন। কিশোরদের নিরাপদে উদ্ধারের জন্য সঠিক সময়ের ও সুযোগের দরকার ছিল। আমরা সবাই এ সময়টার জন্যই অপেক্ষা করছিলাম।’

সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছেন নারোংসাক ওসোটানাকোর্ন। ছবি: সিএনএন

একদিন আগে শনিবার নারোংসাক ওসোটানাকোর্ন জানিয়েছিলেন, অক্সিজেনের মাত্রা কমে যাওয়া এবং ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে গুহার ভেতরে তাদের আর বেশিদিন টিকে থাকা সম্ভব হবে না। সর্বোচ্চ তিন থেকে চারদিন সময় পাওয়া যাবে। এর মধ্যেই কিশোরদের বের করে আনতে হবে। তবে বর্তমানে যে অবস্থা বিরাজ করছে, তা কিশোরদের উদ্ধারের জন্য আদর্শ বলে জানিয়েছেন তিনি।

গত ২৩ জুন ফুটবল অনুশীলন শেষে ২৫ বছর বয়সী কোচসহ ওই ১২ কিশোর ফুটবলার গুহাটির ভেতরে ঘুরতে গিয়েছিল। কিন্তু বৃষ্টিতে গুহার প্রবেশমুখ বন্ধ হয়ে যাওয়াতে তারা আর বাইরে বের হতে পারেনি। এরপর থেকে টানা ৯ দিন নিখোঁজ ছিল তারা।

থাইল্যান্ড সরকার তাদের উদ্ধারে স্মরণকালের সবচেয়ে বড় উদ্ধার অভিযান শুরু করে। এ অভিযানে যোগ দেন বহু দেশের সেরা সব বিশেষজ্ঞরা। গত ৩ জুলাই দুজন ব্রিটিশ ডাইভার গুহার ৪ মাইল ভেতরে প্রথম তাদের খুঁজে পান। এরপর তাদেরকে খাবার ও চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়।

পুরো থাইল্যান্ড ও বিশ্বব্যাপী অসংখ্য মানুষ এ উদ্ধার অভিযানের সফলতার জন্য প্রার্থনা করছেন। ইতিমধ্যে ফিফা প্রেসিডেন্ট তাদেরকে বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল ম্যাচটি মাঠে বসে উপভোগের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। 

ফিফা প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণপত্র।

আমন্ত্রণপত্রে ফিফা প্রেসিডেন্ট লিখেছেন, ‘যদি আমাদের সবার আশা অনুসারে ছেলেরা গুহা থেকে বের হতে পারে এবং ভ্রমণের জন্য উপযুক্ত থাকে, তাহলে ফিফার অতিথি হিসেবে তাদেরকে ২০১৮ সালের রাশিয়া বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচটি মস্কোতে মাঠে বসে দেখার আমন্ত্রণ জানিয়ে আনন্দিত হবে। আমি মনে থেকে আশা করছি, তারা আমাদের সঙ্গে যোগ দিতে পারবে, যেটি হবে উৎসবের এক বিশাল উপলক্ষ্য।’

প্রিয় সংবাদ/মিজান/রুহুল

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...