প্রতীকী ছবি।

যানবাহন যখন মৃত্যুপুরী

সময় এসেছে দেশের এই পরিবহণ সেক্টরের দিকে সরকারকে নজর দিতে হবে। কঠোর ব্যাবস্থাপনার মাধ্যমে প্রতিটি ড্রাইভার হেলপারদের প্রশিক্ষিত করে, এসব পদে নিয়োগ দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

মাহি তাজ
Writer, Blogger
প্রকাশিত: ২৭ জুলাই ২০১৮, ২৩:০০ আপডেট: ২০ আগস্ট ২০১৮, ১০:৩২


প্রতীকী ছবি।

নিরাপদ ও  সহজে গন্তব্যে পৌঁছানো একজন মানুষের মৌলিক অধিকার। যখন মানুষ সে অধিকার বঞ্চিত হয় তখন তার কি বা করার থাকে। প্রতিটি মানুষ নিরাপদে গন্তব্যে ফেরার জন্য বাস, গাড়ি কিংবা অন্যান্য যানবাহন ব্যাবহার করে। কিন্তু যখন সেই যানবাহন তার জন্য ভয়ের কারণে পরিণত হয়। তখন? ভাবতে পারেন তার কী অবস্থা হতে পারে?

বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে সবেমাত্র পরিণত হচ্ছে। এদেশের মানুষের আর্থিক অবস্থা তেমন ভালো নয় যে সবাই নিজস্ব গাড়ি ব্যবহার করবে। কিংবা গাড়ি থাকলে ও দূরে যাতায়াতের জন্য প্লেনে চড়ার সামর্থ্য নেই। হয়ত হাতেগোনা কয়েকজনের এসব সামর্থ্য আছে। তবে তার সংখ্যা খুবই কম। বাকি সবার ভরসা পাবলিক বাস কিংবা ট্রেন। কিন্তু আজ সেই পাবলিক বাসই তার যাত্রীর জন্য কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। হয়ত এর সংখ্যা কম কিন্তু এই কম সংখ্যকই সবার দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গাড়ি চালকদের ওপর প্রশাসনের কম নিয়ন্ত্রণ তাদের দিন দিন বেপরোয়া করে তুলছে। বাসে যাত্রীদের সাথে যাচ্ছে তাই ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। মহিলা যাত্রীদের লাঞ্ছনা, ধর্ষণ, যাত্রী হত্যা করতেও বুক কাঁপছে না তাদের। তাদের এই বেপরোয়া, হিংস্র আচরণ দেশবাসীকে ভাবিয়ে তুলছে। শুধু বাস নয় এ বেপরোয়া ভাব প্রতিটি যানবাহনের ড্রাইভার, হেলপারদের। যা কখনো দেশকে কল্যাণকর কিছু দিতে পারে না। দেশের মানুষ কে নিরাপত্তাহীণ করা ছাড়া।

তাই সময় এসেছে দেশের এই পরিবহণ সেক্টরের দিকে সরকারকে নজর দিতে হবে। কঠোর ব্যাবস্থাপনার মাধ্যমে প্রতিটি ড্রাইভার হেলপারদের প্রশিক্ষিত করে, এসব পদে নিয়োগ দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। তাদের কঠোর নজরদারিতে আনতে হবে। এজন্য পরিবহণ জগতের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। সরকার যদি এখন থেকে সতর্ক না হয় এবং এদের ব্যাপারে কঠোর ভূমিকা না নেয় তবে দিন দিন এদের দৌরাত্ব বেড়েই যাবে। আর জীবন দিতে হবে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে প্রতিটি স্তরের মানুষকে। যা কখনো ও একটি দেশের জন্য ক্ষতি ছাড়া আর কিছুই উপহার দিবে না। একই সাথে সরকারের পাশাপাশি আমাদের ও এদের ব্যাপারে জাগ্রত হতে হবে। আরও সচেতন হতে হবে।  

[প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। প্রিয়.কম লেখকের মতাদর্শ ও লেখার প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকাশিত মতামতের সঙ্গে প্রিয়.কমের সম্পাদকীয় নীতির মিল না-ও থাকতে পারে।]         

পাঠকের মন্তব্য(১)

মন্তব্য করতে করুন


Md. shohidul islam
Md. shohidul islam

লেখাটি ভালো লাগলো

আরো পড়ুন