সাহিত্যিক রমাপদ চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

সাহিত্যিক রমাপদ চৌধুরীর জীবনাবসান

কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ৯৬ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন রমাপদ চৌধুরী। বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগের সমস্যায় ভুগছিলেন।

শামীমা সীমা
সহ-সম্পাদক
প্রকাশিত: ৩০ জুলাই ২০১৮, ১৩:৫৯ আপডেট: ২০ আগস্ট ২০১৮, ২২:০০


সাহিত্যিক রমাপদ চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) গতকাল ২৯ জুলাই রবিবার মারা গেছেন সাহিত্যিক রমাপদ চৌধুরী। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় পরলোকগমন করেন তিনি। কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ৯৬ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগের সমস্যায় ভুগছিলেন। বিশিষ্ট সাহিত্যিক রমাপদ চৌধুরীর জীবনাবসানের পর টুইট করে দুঃখ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

১৯২২ সালে তিনি খড়গপুরে জন্মগ্রহণ করেন। পড়াশোনা করেন প্রেসিডেন্সি কলেজে। উপন্যাস ও ছোটগল্প চর্চার সেই শুরু ছাত্রজীবন থেকেই। ১০০টির বেশি ছোটগল্প লিখেছেন তিনি। উপন্যাস লিখেছেন ৫০টির কাছাকাছি। ১৯৭১ সালে রবীন্দ্র পুরস্কারে ভূষিত হন তিনি। ‘বাড়ি বদলে যায়’ উপন্যাসের জন্য ১৯৮৮ সালে পান সাহিত্য অ্যাকাডেমি পুরস্কার। এ ছাড়াও তিনি কাজ করতেন একটি বাংলা দৈনিক পত্রিকায়।

সাহিত্যিক রমাপদ চৌধুরী ভারতবর্ষের বিখ্যাত চিকিৎসক সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের কর্মজীবনী অবলম্বনে ‘অভিমন্যু’ উপন্যাস রচনা করেন। চিকিৎসক সুভাষ মুখোপাধ্যায় ভারতবর্ষে প্রথম টেস্ট-টিউব বেবির আবিষ্কারক ছিলেন। ২০১৫ সালে তার শেষ বই ‘হারানো কথা’ প্রকাশিত হয়।

রমাপদ চৌধুরীর উপন্যাস ও গল্প থেকে একাধিক সিনেমাও তৈরি হয়েছে। এরমধ্যে অন্যতম ‘বনপলাশীর পদাবলি’, মৃণাল সেনের ‘খারিজ’, তপন সিংয়ের ‘এক ডক্টর কি মৌত’, দ্বীপের নাম টিয়ারং, এক দিন আচানক (বীজ উপন্যাস থেকে নেওয়া), এখনই, পিকনিক। তার জীবনের উপর একটি তথ্যচিত্র তৈরি করেন পরিচালক রাজা মিত্র।

সূত্র: টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া

প্রিয় সাহিত্য/গোরা 

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন
ড. আতিউর রহমানের চারটি নতুন বই
তাশফিন ত্রপা ২২ অক্টোবর ২০১৮
চট্টগ্রামে কবিতার উৎসব
তাশফিন ত্রপা ১৭ অক্টোবর ২০১৮
স্পন্সরড কনটেন্ট
স্পিকার জেনেভা গেছেন
স্পিকার জেনেভা গেছেন
নয়া দিগন্ত - ১ week, ১ দিন আগে