সাকিব আল হাসান। ছবি: সংগৃহীত

সাকিবকে ছাড়াই এশিয়া কাপ!

শুধু এশিয়া কাপ নয়, ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজেও সাকিবকে পাওয়া যাবে না বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শান্ত মাহমুদ
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯ আগস্ট ২০১৮, ১৫:৩২ আপডেট: ২০ আগস্ট ২০১৮, ০৪:৪৮
প্রকাশিত: ০৯ আগস্ট ২০১৮, ১৫:৩২ আপডেট: ২০ আগস্ট ২০১৮, ০৪:৪৮


সাকিব আল হাসান। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) উইন্ডিজের মাটিতে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে দারুণ লড়ে দেশে ফিরেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। কিন্তু দুটি সিরিজ জিতে দেশে ফেরা বাংলাদেশকে শুনতে হচ্ছে দুঃসংবাদ। আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর দুবাইতে বসতে যাওয়া এশিয়া কাপে দলে নাও থাকতে পারেন সাকিব আল হাসান। বৃহস্পতিবার সকালে দেশে ফিরে সাকিব নিজেই এমন জানিয়েছেন।

প্রায় ছয় মাস আগে পাওয়া বাঁ হাতের কনিষ্ঠ আঙুলের ইনজুরির কারণে এখনও ভুগতে হচ্ছে তাকে। বোলিং করতে পারলেও ব্যাটিংয়ে সমস্যা হচ্ছে বিশ্বের অন্যতম সেরা এই অলরাউন্ডারের। উইন্ডিজ সফরে ব্যথানাশক ইনজেকশন নিয়ে খেলতে হয়েছে বাংলাদেশের টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ককে। কিন্তু এতে যে ইনজুরির অবস্থা আরও খারাপ হবে, সেটা বুঝতে পারছেন সাকিব।

তাই যত দ্রুত সম্ভব আঙুলে অস্ত্রোপচার করিয়ে ফেলতে চান বাংলাদেশ প্রাণভোমরা। আর সেটা এশিয়া কাপের আগেই। অস্ত্রোপচার করালে সাকিবকে ছাড়াই যে এশিয়া কাপ খেলতে হবে বাংলাদেশকে, সেটা বলাই বাহুল্য। শুধু এশিয়া কাপই নয়, আগামী অক্টোবরে ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজেও সাকিবকে পাওয়া যাবে না বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এই ধরনের অস্ত্রোপচারের পর সাধারণত ছয় সপ্তাহ সময় লাগে। কিন্তু কিছু কিছু ক্ষেত্রে সময়টা বেশি লেগে যায়। কখনও সেটা দুই-আড়াই মাসে গিয়েও ঠেকে। সাকিবের ক্ষেত্রে তেমন হলে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তাকে দলে পাওয়া যাচ্ছে না। তবে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় অস্ত্রোপচারের পর সাকিবকে অন্তত ছয় সপ্তাহের জন্য মাঠের বাইরে থাকতে হবে।

দেশে ফিরে বিমানবন্দরে হাতের অবস্থা জানাতে গিয়ে বাঁহাতি এই অলরাউন্ডার বলেন, ‘হাতের অবস্থা ফিজিও ভালো বলতে পারবেন। তবে এটা তো সবাই আমরা জানি যে, এখন সার্জারি করাতে হবে। ওটা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে কোথায় করালে ভালো হয়, কবে করালে ভালো হয়। তবে আমি মনে করি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব করে ফেলা ভালো।’

আগামী মাসে এশিয়া কাপ। এশিয়া কাপ খেলে অস্ত্রোপচার করানোর ব্যাপারটি মাথায় আনছেন না সাকিব। কারণ পুরোপুরি ফিট না হয়ে খেলার পক্ষে নন তিনি। সাকিব বলছেন, ‘সার্জারি খুব সম্ভবত এশিয়া কাপের আগেই হবে। আমি তো মনে করি ফুল ফিট না হয়ে খেলা উচিত নয়। কাজেই সেভাবে যদি চিন্তা করি এশিয়া কাপের আগে হবে, এটাই স্বাভাবিক।’

সাকিবের অস্ত্রোপচার করানো মানে বাংলাদেশের জন্য কঠিন চ্যালেঞ্জ। কারণ সাকিব না থাকা মানে একইসঙ্গে একজন বোলার ও একজন ব্যাটসম্যান কম পাওয়া। তাই সাকিবের বিকল্প না থাকলেও এশিয়া কাপে তার জায়গা পূরণে এখন থেকেই ভাবতে হচ্ছে বাংলাদেশ দলকে।

প্রিয় খেলা/শান্ত মাহমুদ

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...