প্রতীকী ছবি।

প্রেম না মানায় বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীর ‘আত্মহত্যা’

দুজনই ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

কাঞ্চন কুমার
কন্ট্রিবিউটর, কুষ্টিয়া
প্রকাশিত: ১০ আগস্ট ২০১৮, ১৪:০৬ আপডেট: ২০ আগস্ট ২০১৮, ১১:৪৮


প্রতীকী ছবি।

(প্রিয়.কম) কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের শেষ বর্ষের দুই শিক্ষার্থীর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। 

স্থানীয়রা বলছেন, দুজনের মধ্যে প্রেম ছিল। তাদের সম্পর্ক পরিবার না মানায় দুজনই আত্মহত্যা করেছেন। দুজনের মৃতদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই নিজ নিজ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

৯ আগস্ট, বৃহস্পতিবার পৃথক স্থান থেকে তাদের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের মাস্টার্স ফলপ্রার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষের ওই দুই শিক্ষার্থী হলেন চুয়াডাঙ্গা দামুড়হুদা উপজেলার রোকনুজ্জামান ও ঝিনাইদহের মুনতা হেনা। মুনতা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আল-হাদিস বিভাগের চেয়ারম্যান ড. আশরাফুল আলমের মেয়ে।

রোকনুজ্জামানের প্রতিবেশী ও সহপাঠীরা জানান, সহপাঠী মুনতার সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিলে। পারিবারিকভাবে তা মেনে না নেওয়ায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঝিনাইদহে নিজ শয়ন কক্ষে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফ্যানে ঝুলে মুনতা ‘আত্মহত্যা’ করে। এই খবর শুনে রাত ৮টার দিকে কুষ্টিয়ার মতি মিয়া রেলগেট এলাকায় ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে ‘আত্মহত্যা’ করেন রোকনুজ্জামানও।

পোড়াদহ জিআরপি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আজিজ জানান, গোয়ালন্দগামী ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে রোকনুজ্জামান নামে এক যুবক আত্মহত্যা করেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করে। পরে পরিবারের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে ময়নাতদন্ত ছাড়া পরিবারের কাছে মৃতদেহ হস্তান্তর করা হয়। 

এদিকে শুক্রবার সকালে সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর খবর জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলেছে, ‘জীবনে চলার পথে ঘাত-প্রতিঘাত এবং যেকোনো সমস্যা আসতেই পারে। কিন্তু আত্মহত্যা কোনো সমস্যার সমাধান হতে পারে না। এ ধরনের অকাল মৃত্যু কারও কাম্য নয়।’

প্রিয় সংবাদ/শিরিন/রুহুল

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন
স্পন্সরড কনটেন্ট