বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়ার (বিসিসিআই) কার্যালয়। ছবি: সংগৃহীত

ভারতের কাছে ৫৯১ কোটি টাকা পাচ্ছে পাকিস্তান!

পিসিবির অভিযোগের জবাবে সিরিজ না খেলার পেছনে কোনো উপযুক্ত কারণ দেখাতে পারেনি বিসিসিআই। তারা বলছে, দুই দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অনুকূলে নেই।

মুশাহিদ মিশু
সহ-সম্পাদক
প্রকাশিত: ১০ আগস্ট ২০১৮, ২১:৪১ আপডেট: ১৬ আগস্ট ২০১৮, ১৮:৪৮


বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়ার (বিসিসিআই) কার্যালয়। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে রাজি না হওয়ায় শুরু থেকে ভারতের বিপক্ষে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছিল পাকিস্তান। পরবর্তী সময়ে ক্ষতিপূরণের দাবিতে বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়ার (বিসিসিআই) বিরুদ্ধে আইনি নােটিশ পাঠায় পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। সবশেষ ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের বিরুদ্ধে মামলা পর্যন্ত ঠুকে দেয় পিসিবি, যে মামলায় ইতোমধ্যেই জয়ের সুবাতাস পাচ্ছে পাকিস্তান!

২০১৪ সালে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে চুক্তি করেছিল দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ড। চুক্তি অনুযায়ী ছয়টি দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলার কথা ছিল দুই দলের। ২০১৫ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে এই সিরিজগুলো হওয়ার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত একটি সিরিজও মাঠে গড়ায়নি। ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিলে (আইসিসি) তিন মোড়ল সৃষ্টির পর থেকে সিরিজগুলো খেলতে অস্বীকৃতি জানায় ভারত।

রাজনৈতিক জটিলতার কারণে সরকারের অনুমতি না পাওয়াকে কারণ দেখিয়ে বারবার পিছিয়ে যায় বিসিসিআই। অন্যদিকে পিসিবি চাচ্ছিল, সমঝোতা স্মারকের দোহাই দিয়ে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলতে। শেষ পর্যন্ত ইতিবাচক কোনো সমাধান না হওয়ায় ক্ষতিপূরণ দাবি করে বিসিসিআইকে আইনি নোটিশ পাঠায় পিসিবি। কিন্তু বিসিসিআই নোটিশের কোনো জবাবও দেয়নি।

সিরিজ না হওয়ায় ও আইনি নোটিশের কোনোরকম জবাব না পেয়েই ৪৪৭ কোটি রুপি ক্ষতিপূরণ দাবি করে বিসিসিআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধান্ত নেয় পিসিবি। আইসিসির রেজ্যুলেশন কমিটিতে কয়েক দফা তর্ক-বিতর্কের পর ক্ষতিপূরণের দাবিতে মামলা করার সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তান ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমের দাবি, এ লড়াইয়ে জয়ী হয়ে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বোর্ডের কাছ থেকে ৭০ মিলিয়ন ডলার পাওয়ার সুবাস পাচ্ছে পিসিবি। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ৫৯১ কোটি টাকা।

পিসিবির অভিযোগের জবাবে সিরিজ না খেলার পেছনে কোনো উপযুক্ত কারণ দেখাতে পারেনি বিসিসিআই। তারা বলছে, দুই দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অনুকূলে নেই। সরকার অনুমোদন না দেওয়ায় পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ খেলা হয়নি। তাদের দাবি, সরকারের অনুমোদন ছাড়া ভারত কোনো সিরিজ খেলতে পারবে না।

দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে অনীহা দেখালেও আইসিসি ও এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (এসিসি) আয়োজিত টুর্নামেন্টে ঠিকই পাকিস্তানের মুখোমুখি হচ্ছে ভারত। তাই সরকারের আপত্তি না ওঠায় দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলার জন্য রাজনৈতিক বৈরিতার অজুহাত ধোপে টিকছে না। চলতি বছরের অক্টোবরে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যকার এই বিরোধের রায় দেবে আইসিসি বিরোধ নিরসন কমিটি।

সূত্র: বিজনেস রেকর্ডার/এক্সপ্রেস ট্রিবিউন

প্রিয় খেলা/আজাদ চৌধুরী

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন
তবুও হতাশ নন তামিম
মুশাহিদ মিশু ১৬ আগস্ট ২০১৮
সাকিব-তামিম জুটিতেই ‘বাঁক বদল’
মুশাহিদ মিশু ১৬ আগস্ট ২০১৮
সুইমিংপুলে তামিম-পুত্রের জলকেলি
সামিউল ইসলাম শোভন ১৬ আগস্ট ২০১৮
চলে গেলেন অধিনায়ক অজিত ওয়াদেকার
সামিউল ইসলাম শোভন ১৬ আগস্ট ২০১৮
১৮ বছর পর…
প্রিয় ডেস্ক ১৬ আগস্ট ২০১৮
ট্রেন্ডিং