রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে হাওয়া হয়ে যাওয়া ৯০০ মোবাইলের মধ্যে উদ্ধারকৃত একটি। ছবি: সংগৃহীত

বিমানবন্দরে ৯০০ মোবাইল উধাওয়ের ঘটনায় একজন আটক

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৯০০ মোবাইল সেট চুরির ঘটনায় আলিমুজ্জামান নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ।

মোস্তফা ইমরুল কায়েস
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১০ আগস্ট ২০১৮, ২২:৪৬ আপডেট: ২০ আগস্ট ২০১৮, ১৫:১৬


রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে হাওয়া হয়ে যাওয়া ৯০০ মোবাইলের মধ্যে উদ্ধারকৃত একটি। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৯০০ মোবাইল সেট চুরির ঘটনায় আলিমুজ্জামান নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। 

১০ আগস্ট, শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর কলাবাগান থেকে আলিমুজ্জামানকে আটক করা হয়।

আলিমুজ্জামান একজন মোবাইল ব্যবসায়ী বলে জানিয়েছে পুলিশ। 

বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরে আযম জানান, কলাবাগান থেকে একজনকে আটক করা হয়। তিনি ওই মোবাইলটি কার কাছ থেকে পেয়েছেন, তা জানার চেষ্টা চলছে। আলিমুজ্জামান মোতালেব প্লাজার একজন মোবাইল ব্যবসায়ী।

এর আগে বিমানবন্দর থেকে মোবাইল উধাওয়ের ঘটনায় একটি মামলা করা হয়। ওই মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, মোবাইল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানটি গত মাসের ৬ জুলাই হংকং থেকে স্যামস্যাং SM-J600GZBGBNG মডেলের (৫টি প্যালেট) মোবাইল আমদানি করে (ইনভয়েস নম্বর ৯০১২৫৩৬১৮৩)। ৮ জুলাই বাংলাদেশ বিমানের ই-ওয়াই ৯৮০৭ বিমানে করে মোবাইলগুলো হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। পরে তা বাংলাদেশ বিমানের তত্ত্বাবধানে ম্যানওয়ার হাউস-২ তে সংরক্ষিত ছিল।

১২ জুলাই আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের মনোনীত সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট মমতা ট্রেডিং কোম্পানি লিমিটেড ঢাকা কাস্টমসে আনুষাঙ্গিক কার্যক্রম শেষে মোবাইল ছাড় করানোর জন্য গেলে সেখানে ৯০০ মোবাইলের হদিস মেলেনি। ওই মোবাইলগুলো ৮ জুলাই থেকে ১২ জুলাইয়ের মধ্যে ম্যানওয়ার হাউস-২ থেকে উধাও হয়ে গেছে।

দীর্ঘ এক মাস পর গত ৬ আগস্ট মোবাইলগুলোর নম্বর (আইএমই) সংগ্রহ করে থানায় মামলা করা হয়। মোবাইলগুলোর বাজারমূল্য প্রায় দুই কোটি টাকা বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়। 

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বিমানবন্দর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুজন ফকির বলেন, ‘আটককৃত ব্যক্তি চুরি হওয়া ৯০০ মোবাইলের মধ্যে একটি তার কাছে পাওয়া গেছে। তিনি সেটা ব্যবহার করছিলেন। তবে বাকি মোবাইলগুলো কোথায় এবং কার কাছে আছে, সেটা জানার চেষ্টা চলছে।’

আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এক্সেল টেলিকমের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ (লজিস্টিক) সাইফুর রহমান বলেন, ‘তিনটি ফোন দেশে ব্যবহৃত হচ্ছে। তার মধ্যে ব্যবহারকারী একজনকে আটক করেছে পুলিশ। তবে বাকি ফোনগুলো ব্যবহৃত হচ্ছে কি না, তা জানার জন্য আমরা মাদার কোম্পানিকে বিষয়টি জানিয়েছি। তাদের কাছ থেকে দুই-তিনদিনের মধ্যে তথ্য পাওয়া যাবে।’

প্রিয় সংবাদ/নোমান/আজহার

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন
স্পন্সরড কনটেন্ট