মিয়ানমার থেকে আসা বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গা আশ্রয় নেয় বিভিন্ন ক্যাম্পে। ছবি: সংগৃহীত

নিজেদের যাচাইকরণ ফরম পূরণ করতে হবে রোহিঙ্গাদের

কক্সবাজারে বসবাসরত রোহিঙ্গারা তাদের প্রাথমিক প্রত্যাবাসনের জন্য নিজেরাই যাচাইকরণ ফরম পূরণ করবে বলে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার।

শেখ নোমান
সহ-সম্পাদক
প্রকাশিত: ১০ আগস্ট ২০১৮, ২২:৫৮ আপডেট: ২০ আগস্ট ২০১৮, ১০:০০


মিয়ানমার থেকে আসা বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গা আশ্রয় নেয় বিভিন্ন ক্যাম্পে। ছবি: সংগৃহীত

(ইউএনবি) মিয়ানমার থেকে প্রাণভয়ে পালিয়ে কক্সবাজারে বিভিন্ন ক্যাম্পে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গারা তাদের প্রাথমিক প্রত্যাবাসনের জন্য নিজেরাই যাচাইকরণ ফরম পূরণ করতে পারবে বলে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার।

১০ আগস্ট, শুক্রবার মিয়ানমারের নাইপিদোতে দুই দেশের মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে এই অবস্থানে পৌঁছানো হয়।

মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলের কার্যালয় সংক্রান্ত মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রোহিঙ্গাদের মধ্যে যাচাইকরণ ফরম বিতরণ করা হবে; তারা এগুলো পূরণ করবে।

দুই দেশের আলোচনা অনুযায়ী, স্বাক্ষর, আঙুলের ছাপ ও ছবি দিয়ে ফরম পূরণ করে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা তা স্বেচ্ছায় ফিরিয়ে দেবে এবং মিয়ানমারের যাচাইকরণ প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করবে।

রাখাইন রাজ্যে সেনাবাহিনীর নির্যাতনে কক্সবাজারে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের দ্রুত মিয়ানমারে প্রত্যাবাসন উচিত বলেও সম্মত হয়েছে দুই দেশ।

মিয়ানমার দাবি করেছে, বর্তমানে কক্সবাজারে বসবাস করা রোহিঙ্গাদের পরিচয়পত্রের ভাষা সংশোধন করতে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ।

ওই বৈঠকে রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদে ও মর্যাদার সঙ্গে প্রত্যাবাসনে একমত হয়েছে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার। এ বিষয়ে আলোচনা সহজ করার জন্য মন্ত্রীদের মাঝে একটি হটলাইন স্থাপন করা হয়েছে।

বৈঠকে যৌথভাবে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী ও মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর কার্যালয় সংক্রান্ত মন্ত্রী কিয়াও টিন্ট সুই।

রাখাইন রাজ্য থেকে বাস্তুচ্যূত ব্যক্তিদের প্রত্যাবাসন বিষয়ে ২০১৭ সালের নভেম্বরে মিয়ানমার ও বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে যে দ্বিপক্ষীয় চুক্তি হয়েছিল, তার বাস্তবায়ন নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়।

চুক্তি মেনে নিয়ে মিয়ানমার দুটি অভ্যর্থনা কেন্দ্র এবং একটি ট্রানজিট শিবির তৈরি করেছে। বাংলাদেশকে পাঁচটি ট্রানজিট শিবির তৈরির অগ্রগতি সম্পর্কে জানানো হয়েছে। এসবের মধ্যে একটি সম্পন্ন হয়েছে, আরেকটির নির্মাণ চলছে এবং বাকি তিনটি তৈরি করা হবে।

বৈঠকে উভয় পক্ষ গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়, সীমান্তরক্ষী কর্মকর্তাদের মধ্যে নিবিড় সহযোগিতা ও অধিক সমন্বয় করে সীমান্ত টহলের মাধ্যমে সন্ত্রাস প্রতিরোধ ও মাদক চোরাচালানের বিরুদ্ধে লড়াই জোরদার করার বিষয়ে একমত হয়। এ ছাড়া বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের আন্তর্জাতিক সীমান্তের পাশে বসবাসকারী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের বিষয়েও রাজি হয় দুই পক্ষ।

প্রিয় সংবাদ/আজহার

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন
ছাত্রদলের ৩টি ইউনিটের আংশিক কমিটি গঠন
মোক্তাদির হোসেন প্রান্তিক ২০ আগস্ট ২০১৮
নৃত্যগুরু বজলুর রহমান বাদল আর নেই
সফিউল আলম রাজা ২০ আগস্ট ২০১৮
রাজধানীতে ৪০৯টি ঈদ জামাত
আবু আজাদ ১৯ আগস্ট ২০১৮
ট্রেন্ডিং