তামিম ইকবাল ও সাকিব আল হাসান। ছবি: সংগৃহীত

সাকিব-তামিম জুটিতেই ‘বাঁক বদল’

ওয়ানডে আসতেই ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ দল। তিন ম্যাচের সিরিজে ক্যারিবীয়দের হারিয়ে দেয় ২-১ ব্যবধানে। ওয়ানডের সেই ধারাবাহিকতা বজায় থাকে টি-টোয়েন্টিতেও।

মুশাহিদ
সহ-সম্পাদক
প্রকাশিত: ১৬ আগস্ট ২০১৮, ১৭:৩৮ আপডেট: ২০ আগস্ট ২০১৮, ২৩:১৬
প্রকাশিত: ১৬ আগস্ট ২০১৮, ১৭:৩৮ আপডেট: ২০ আগস্ট ২০১৮, ২৩:১৬


তামিম ইকবাল ও সাকিব আল হাসান। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) বাংলাদেশের উইন্ডিজ সফরে শুরুটা হয়েছিল দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া পারফরম্যান্স দিয়ে। দুই টেস্টে বাংলাদেশের সঙ্গী হয় পরাজয়। কিন্তু ওয়ানডে আসতেই ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ দল। তিন ম্যাচের সিরিজে ক্যারিবীয়দের হারিয়ে দেয় ২-১ ব্যবধানে। সেই ধারাবাহিকতা বজায় থাকে টি-টোয়েন্টিতেও। সেখানেও ক্যারিবীয়দের ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে সিরিজ নিজেদের করে নেন সাকিব-তামিমরা।

সীমিত ওভারে বাংলাদেশের এমন বদলে যাওয়ার কারণ খুঁজেছেন অনেকে। দলের অনেক ক্রিকেটার এভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর কৃতিত্বটা দিয়েছেন ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজাকে। সেই তালিকার একজন তামিম ইকবাল। একই সঙ্গে সাকিব আল হাসানের সঙ্গে নিজের জুটিকেও বাংলাদেশের হারানোর মনোবল ফিরে পাওয়ার কারণ হিসেবে দেখছেন জাতীয় দলের এই ড্যাশিং ওপেনার।

ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে অসহায় আত্মসমর্পণের পর ভক্ত-সমর্থকদের আত্মবিশ্বাসটা যেন একেবারে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছিল। অনেকে হয়তো ভেবেই নিয়েছিল, উইন্ডিজ সফরে কোনো সিরিজই জিতবে না সাকিব-তামিমরা। কিন্তু এই অবস্থা থেকেও দলকে টেনে তুলেছেন সাকিব-তামিমরা। তিন ম্যাচের প্রথম ওয়ানডেতেই দুজন মিলে গড়েছেন ২০৭ রানের জুটি।

ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারে উইকেট হারালেও সাকিব-তামিমের ২০৭ রানের অনবদ্য জুটিতে ভর করে ২৭৯ রানের দলীয় সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত সেই ম্যাচ ৪৮ রনের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে মাশরাফির দল। সাকিবের এই জুটি গড়ার পথে ১৩০ রানে অপরাজিত থাকা তামিম মনে করেন, সিরিজের বাকি দুই ম্যাচ ও টি-টোয়েন্টি সিরিজেও প্রভাব ফেলেছিল তাদের এই জুটি।

১৬ আগস্ট, বৃহস্পতিবার সাকিবের সঙ্গে ২০৭ রানের এই জুটি নিয়ে দেশসেরা এই ওপেনার বলেন, ‘আমাদের কেউ একজন যদি আউট হয়ে যেতাম, তাহলে ওই পার্টনারশিপটা হতো না। আমাদের রানটাও বাড়ত না। তখন ম্যাচের গতিপথই ভিন্ন হতে পারত। আমাদের এই পার্টনারশিপটা সিরিজ জয় ও টি-টোয়েন্টি জয়ে বড় প্রভাব ফেলেছিল।’

ঘুরে দাঁড়ানোর সেই ম্যাচে কন্ডিশন ও উইকেটের ধরনের সঙ্গে এক ধরনের যুদ্ধ করতে হয়েছে জানিয়ে বাঁহাতি এই ওপেনার বলেন, ‘পার্টনারশিপটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ ছিল আমাদের টেস্ট সিরিজ থেকে কামব্যাক করার জন্য। ওই উইকেটে ব্যাট করা কোনোভাবেই সহজ ছিল না। সেই সময় যদি আমি বা সাকিব উইকেটটা ছুঁড়ে ফেলতাম, তাহলে বিষয়টা আরও কঠিন হতো। কারণ অনেক ডট বল হচ্ছিল। আমাদের মনোযোগ ঠিক ছিল। আর আমরা জানতাম এই উইকেটে স্কোর বোর্ডের দিকে না তাকিয়ে টিকে থাকাই রান করার একমাত্র উপায়।’

সতীর্থ সাকিবকেও রান করার জন্য বেগ পেতে হয়েছে জানিয়ে তামিম বলেন, ‘সাকিবকেও তার স্বাভাবিক খেলার চেয়ে ভিন্ন ধাঁচে খেলতে হয়েছে। ওই উইকেটে কিছু করা যাচ্ছিল না। সেখানে আগ্রাসী ব্যাটিং করে হয়তো আপনি আউট হয়ে যেতেন, না হয় আমরা যেটা করেছি সেটা করতেন।

ম্যাচের ৩০ ওভারের পরে উইকেট কিছুটা সহজ হয়েছিল। প্রথম ৩০ ওভার কিছু করা যাচ্ছিল না। আমার কাছে মনে হয়, আমাদের দুইজনেরই এটা বিশেষ পারফরম্যান্স ছিল।’

প্রিয় খেলা/আজহার

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...