প্রতীকী ছবি

কমোডের চেয়ে তিনগুণ বেশি নোংরা স্মার্টফোনের ডিসপ্লে!

পরীক্ষা করা স্মার্টফোনগুলোর ডিসপ্লের প্রতি বর্গ সেন্টিমিটারে গড়ে ৮৪ দশমিক ৯ ইউনিট জীবাণু পাওয়া গেছে।

ফারজানা মাহাবুবা
সহ-সম্পাদক
প্রকাশিত: ১৯ আগস্ট ২০১৮, ০০:৩০ আপডেট: ২০ আগস্ট ২০১৮, ২৩:৩২
প্রকাশিত: ১৯ আগস্ট ২০১৮, ০০:৩০ আপডেট: ২০ আগস্ট ২০১৮, ২৩:৩২


প্রতীকী ছবি

(প্রিয়.কম) আপনি যদি মনে করে থাকেন সবচেয়ে নোংরা জায়গা টয়লেটের কমোড তাহলে একবার নিজের হাতে থাকা স্মার্টফোনে দিকে তাকান।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্থান টাইমসের খবরে বলা হয়, সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে  টয়লেটের কমোডের চেয়ে তিন গুণ বেশি জীবাণু থাকে স্মার্টফোনের পর্দায়।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি ইন্সুরেন্সটুগো এর গবেষণায় উঠে এসেছে এই তথ্য। প্রতিষ্ঠানটির গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের এক-তৃতীয়াংশ কখনো স্মার্টফোনের ডিসপ্লে পরিষ্কারই করেননি।

গবেষণার জন্য প্রতিষ্ঠানটি তিনটি স্মার্টফোন নিয়ে পরীক্ষা চালিয়েছে। এগুলো হলো-আইফোন ৬, স্যামসাং গ্যালাক্সি ৮ ও গুগল পিক্সেল।

কিছু নির্দিষ্ট এলাকার সংগৃহীত এসব স্মার্টফোনে অ্যারোবিক ব্যাকটেরিয়া, ঈস্ট ও মোল্ড আছে কিনা-তা পরীক্ষা করে দেখা হয়। দেখা গেছে, সব স্মার্টফোনেই ক্ষতিকর জীবাণু রয়েছে। সবচেয়ে বেশি পরিমাণে রয়েছে ফোনের টাচ স্ক্রিনে।

পরীক্ষা করা স্মার্টফোনগুলোর ডিসপ্লের প্রতি বর্গ সেন্টিমিটারে গড়ে ৮৪ দশমিক ৯ ইউনিট জীবাণু পাওয়া গেছে। অন্যদিকে কমোড ও এর হাতলে থাকে সর্বোচ্চ ২৪ ইউনিট জীবাণু। পেছনের অংশে পাওয়া গেছে ৩০ ইউনিট জীবাণু, ফোন লক করার বাটনে গড়ে ২৩ দশমিক ৮ ইউনিট জীবাণু এবং হোম বাটনে ১০ দশমিক ৬ ইউনিট জীবাণুর উপস্থিতি পেয়েছেন গবেষকরা।

গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, স্মার্টফোনের ডিসপ্লেতে থাকা এসব জীবাণু ত্বকের রোগসহ নানা ধরনের স্বাস্থ্যগত ঝুঁকির কারণ হতে পারে।

ইন্সুরেন্সটুগো নামক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা গ্যারি বিস্টোন বলেন, ‘আমরা সাধারণত সব সময় স্মার্টফোন সঙ্গে নিয়েই ঘুরি। এভাবেই নানা জায়গা থেকে ওই ফোনে বাসা বাঁধে জীবাণু।’

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...