বুধবার দুপুরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রিমলাইনার আকাশবীণার উদ্বোধন করে পাইলটদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। ছবি: ফোকাস বাংলা

আকাশবীণার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

বুধবার দুপুরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রিমলাইনার আকাশবীণার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আশরাফ ইসলাম
সহ-সম্পাদক
প্রকাশিত: ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৫:৩৯ আপডেট: ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৮:৪০
প্রকাশিত: ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৫:৩৯ আপডেট: ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৮:৪০


বুধবার দুপুরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রিমলাইনার আকাশবীণার উদ্বোধন করে পাইলটদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। ছবি: ফোকাস বাংলা

(প্রিয়.কম) বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে নতুন যুক্ত হওয়া বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার ‘আকাশবীণা’র উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

৫ সেপ্টেম্বর, বুধবার দুপুরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রিমলাইনার আকাশবীণার উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা সম্মানের সঙ্গে বাঁচতে চাই। আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করলে যে উন্নয়ন করা যায় সেটা আমরা প্রমাণ করেছি। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে।’

এর আগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের চেয়ারম্যান এয়ার মার্শাল মোহাম্মদ এনামুল বারী (অব.) বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পর একই দিন ড্রিমলাইনারের প্রথম বাণিজ্যিক ফ্লাইট ঢাকা থেকে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে। ১৯ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্র থেকে ঢাকায় আসে বিমানটি।’

১৯৭২ সালের ৪ জানুয়ারি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের যাত্রা শুরু হয়। এনামুল বারী বলেন, ‘রাষ্ট্রায়তত্ত বিমান এয়ারলাইন্সে নতুন যুক্ত হওয়া বোয়িং-৭৮৭ বিমানটিতে রয়েছে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও সুযোগ-সুবিধা।’

ড্রিমলাইনার আকাশবীণা যুক্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে বিমান বহরে উড়োজাহাজের সংখ্যা দাঁড়াল ১৫টিতে। প্রধানমন্ত্রীর পছন্দে এর নামকরণ করা হয় ‘আকাশবীণা’। ড্রিমলাইনার দিয়ে প্রাথমিকভাবে ঢাকা-সিঙ্গাপুর ও ঢাকা-কুয়ালালামপুর রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে।

উদ্বোধন করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: ফোকাস বাংলা

যা আছে আকাশবীণায়

আকাশবীণায় আসন সংখ্যা ২৭১টি। এর মধ্যে বিজনেস ক্লাস ২৪টি আর ২৪৭টি ইকোনমি ক্লাস। বিজনেস ক্লাসে ২৪টি আসন ১৮০ ডিগ্রি পর্যন্ত সম্পূর্ণ ফ্ল্যাটবেড হওয়ায় যাত্রীরা আরামদায়কভাবে ভ্রমণ করতে পারবেন। দুই পাশের প্রত্যেক আসনের পাশে রয়েছে বড় আকারের জানালা।

একইসঙ্গে জানালার বোতাম টিপে আলো নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। জানালা ছাড়াও কেবিনে রয়েছে মুড লাইট সিস্টেম। টানা ১৬ ঘণ্টা উড়তে সক্ষম এই ড্রিমলাইনার চালাতে অন্যান্য বিমানের তুলনায় ২০ শতাংশ কম জ্বালানি লাগে। এটি ঘণ্টায় ৬৫০ মাইল বেগে উড়তে সক্ষম।

বিমানটির ইঞ্জিন প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান জেনারেল ইলেকট্রিক (জিই)। বিমানটি নিয়ন্ত্রণ হবে ইলেক্ট্রিক ফ্লাইট সিস্টেমে। কম্পোজিট ম্যাটেরিয়াল দিয়ে তৈরি হওয়ায় এই বিমান ওজনে হালকা। ভূমি থেকে বিমানটির উচ্চতা ৫৬ ফুট। দুটি পাখার আয়তন ১৯৭ ফুট।

আকাশবীণার ককপিট থেকে টেল (লেজ) পর্যস্ত ২৩ লাখ যন্ত্রাংশ রয়েছে। প্রতিটি আসনের সামনে প্যানাসনিকের এলইডি এস-মনিটর রয়েছে। যাত্রাপথে সরাসরি ৯টি টিভি চ্যানেল দেখা যাবে। ড্রিমলাইনারের ইন-ফ্লাইট এন্টারটেইনমেন্ট সিস্টেমে (আইএফই) থাকবে একশর বেশি ক্ল্যাসিক থেকে ব্লক ব্লাস্টার চলচ্চিত্র।

অত্যাধুনিক বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনারে যাত্রীদের ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য রয়েছে ওয়াইফাই সুবিধা। এ ছাড়া আকাশে উড্ডয়নের সময় ফোন কল করতে পারবেন যাত্রীরা।

প্রিয় সংবাদ/রিমন

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...