সোমবার পিলখানাস্থ বিজিবি সদর দফতরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন। ছবি: প্রিয়.কম

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অবৈধ অস্ত্রের প্রবেশ ঠেকাতে সতর্ক বিজিবি

‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সরকার যে আদেশ করবে বিজিবি সে আদেশ মোতাবেক কাজ করবে। সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি আমাদের এই দায়িত্ব পালন করতে হয়।’

মোস্তফা ইমরুল কায়েস
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৬:১২ আপডেট: ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৬:১২
প্রকাশিত: ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৬:১২ আপডেট: ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৬:১২


সোমবার পিলখানাস্থ বিজিবি সদর দফতরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন। ছবি: প্রিয়.কম

(প্রিয়.কম) আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র সীমান্তে অবৈধ অস্ত্রের প্রবেশ ঠেকাতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল মো. সাফিনুল ইসলাম

১০ সেপ্টেম্বর, সোমবার দুপুরে পিলখানাস্থ বিজিবি সদর দফতরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের করা প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান বিজিবির মহাপরিচালক।

সাফিনুল ইসলাম বলেন, ‘আগামী জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সীমান্ত দিয়ে যাতে অবৈধ অস্ত্র বাংলাদেশে প্রবেশ করতে না পারে, সেজন্য সতর্ক অবস্থায় রয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। জাতীয় নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে মাঠে কাজ করে থাকে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সরকার চাইলে আগামী জাতীয় নির্বাচনেও তারা এই দায়িত্ব পালন করবেন।’

সাংবাদিকের করা এক প্রশ্নে জবাবে সাফিনুল ইসলাম বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সরকার যে আদেশ করবে বিজিবি সে আদেশ মোতাবেক কাজ করবে। সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি আমাদের এই দায়িত্ব পালন করতে হয়। সে সময় আমার সীমান্ত যেন সুরক্ষিত থাকে, সেজন্য আমরা ভারত ও মিয়ানমার দুই বাহিনীর কাছে সহযোগিতা চেয়েছি। সে সময় আমাদের আন্তঃরাষ্ট্রীয় সীমান্ত যেন সুরক্ষিত থাকে।’

‘সীমান্তে অবৈধ অস্ত্র ঠেকানোর পাশাপাশি নির্বাচনকালীন সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করবে বিজিবি। এ সময় দেশে যাতে কোনো ধরনের অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি না হয়, সেজন্য সরকারি নিদের্শনা মোতাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করবে বিজিবি।’

ভারতের নয়াদিল্লিতে বিজিবি ও বিএসএফ এর মহাপরিচালক (ডিজি) পর্যায়ে ৪৭তম সীমান্ত সম্মেলন শেষে সোমবার দুপুরে পিলখানায় সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে বিজিবি।

সীমান্তে হত্যা বন্ধের বিষয়ে বিজিবি প্রধান বলেন, ‘সীমান্ত হত্যা বন্ধে ভারতীয় ও মিয়ানমার সীমান্ত বাহিনীর সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা হয়েছে। ২০০১ সালে সীমান্তে ৭১ জন, ২০১০ সালে ৬০ জন, ২০১৫ সালে ৪৫ জন, ২০১৬ সালে ৩১ জন, ২০১৭ সালে ৫ জন এবং চলতি বছরের আগস্ট পর্যন্ত ১ জন নিহত হয়েছে। এ থেকে স্পষ্ট যে আমাদের চেষ্টা ও প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা ফলপ্রসূ হচ্ছে। আশা করছি, এটা সামনের দিনগুলোতে শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা সম্ভব হবে।’

প্রিয় সংবাদ/ইতি/শান্ত 

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...