সংগীত পরিচালক সাইদ কামরুজ্জামান সুজন। ছবি: শাছুল হক রিপন, প্রিয়.কম

‘দিনে দিনে গান ব্যবসায় পরিণত হচ্ছে’

সংগীত পরিচালক সুজনের আলাপ থেকে ওঠে আসে ‘কানসূতা’ সংগীত সংকলনসহ সংগীতের নানা বিষয়।

তাশফিন ত্রপা
লেখক
প্রকাশিত: ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৬:২১ আপডেট: ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৭:২৫


সংগীত পরিচালক সাইদ কামরুজ্জামান সুজন। ছবি: শাছুল হক রিপন, প্রিয়.কম

(প্রিয়.কম) তরুণ সংগীত পরিচালক সাইদ কামরুজ্জামান সুজন। তার সংগীত প্রতিভায় মুগ্ধ হয়েছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পীদের অনেকেই। সুজনের সংগীত পরিচালনায় গান গেয়েছেন এ প্রজন্মের বেশ কয়েকজন দক্ষ সংগীতশিল্পী।

৩১ আগস্ট মুক্তি পায় গানশালার আয়োজনে এক নির্ঝরের ‘কানসূতা’ শিরোনামের একটি সংগীত সংকলন। এ সংকলনে সুজনের পরিচালনায় ১৫টি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন গুণী শিল্পী ফাহমিদা নবী, ‘পাওয়ার ভয়েস’ খ্যাত শিল্পী সুকন্যা মজুমদার ঘোষ ও সুজন নিজেই। গানগুলোর কথা ও সুর ছিল এনামুল করিম নির্ঝরের।
সুজনের পড়াশোনা চিত্রকলায় হলেও ছোটবেলা থেকে গান নিয়ে নানা পরীক্ষা নীরিক্ষা করতে ভালোবাসতেন তিনি, সেই ধারাবাহিকতায় আজ তিনি অনেকটাই সফল।

২ সেপ্টেম্বর, রবিবার বিকেলে প্রিয়.কমের সঙ্গে আলাপ হয় সুজনের। আলাপকালে ওঠে আসে তার সদ্য প্রকাশ পাওয়া ‘কানসূতা’ শিরোনামের সংগীত সংকলনসহ বাংলাদেশের সংগীতের নানা জানা অজানা বিষয়।

প্রিয়.কম: প্রথমেই জানতে চাইব ‘কানসূতা’ সম্পর্কে।

সুজন: ‘কানসূতা’র ব্যাপারটা হচ্ছে আগে যেমন গ্রামফোন ছিল, সবাই একসঙ্গে বসে গানশুনত। তো ‘কানসূতা’র ব্যাপারটা হচ্ছে ওরকম। সিনেমার যেমন প্রিমিয়ার হয়, কিন্তু অডিও প্রিমিয়ারতো আর হয় না। ৩১ আগস্ট ছায়ানট অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হলো কানসূতা ভলিউম-২-এর প্রকাশনা বা প্রিমিয়ার। এর কিছুদিন আগেই ৬ এপ্রিল প্রকাশ পেয়েছিল কানসূতা ভলিউম-১। এরপরে আসবে কানসূতা ভলিউম-৩। তো সেদিনের এই অনুষ্ঠানটির বিষয় ছিল, সবাই একসঙ্গে গানগুলো শোনা আর গান নিয়ে আলোচনা করা। ভালো, মন্দ, খারাপ এইতো। ওই দিন অনুষ্ঠানটিতে পুরো হল ভর্তি শ্রোতা ছিলেন। ছিলেন বিভিন্ন সংগীত পরিচালক, দেশের বড় বড় মাপের শিল্পী-সাহিত্যিকরা। সেখানে সরাসরি তাদের কাছ থেকে আমরা মতামত নিলাম। তাদের ভালোলাগা, খারাপলাগাগুলো জানতে চাইলাম। এই ব্যাপারটা খুব ভালো লেগেছে। আর সবচেয়ে মজার বিষয় হচ্ছে, আমাদের অনুষ্ঠানটা প্রায় এক ঘণ্টার মতো চলছিল। সবাই একদম ১৫টা গানই মনোযোগ দিয়ে চুপ করে বসে শুনেছেন।

প্রিয়.কম: অডিও প্রিমিয়ারের শুরুর ভাবনাটা কীভাবে এসেছিল?

সুজন: এনামুল করিম নির্ঝর, তিনি এ অনুষ্ঠানের গানগুলোর কথা ও সুর করেছেন। তার ভাবনা থেকেই এ আয়োজনটা করা হয়েছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায়, গান করলাম, ছেড়ে দিলাম বাজারে, ব্যাস দায়িত্ব শেষ। কিন্তু তিনি আসলে গানের দায়িত্ব এতোটুকুতে সীমাবদ্ধ রাখতে চাননি। ওনার ভাবনাটা ছিল, গান করব,গান ছাড়ব। কিন্তু ছাড়ার আগে শ্রোতারাও যেন শুনে দেখতে পারে গানটা। আপনাদের ভালো লাগা, মন্দ লাগাগুলো জানতে চাই আমারা।

সাইদ কামরুজ্জামান সুজন। ছবি: শাছুল হক রিপন, প্রিয়.কম

প্রিয়.কম: ৩১ আগস্ট অনুষ্ঠিত কানসূতার অনুষ্ঠানে আপনার ১৫টি গান সম্পর্কে দর্শকের কী প্রতিক্রিয়া দেখেছেন?

সুজন: অন্যরকম অনুভূতি ছিল। একসঙ্গে এতগুলো গান এর আগে কখনো করা হয়নি। তাও আবার গানগুলোও বেশ ভিন্ন ধরনের। শ্রোতারা আসলে গানগুলো কীভাবে নেবেন এ নিয়ে একটু টেনশনেই ছিলাম। এতো বড় বড় গুণী মানুষদের নিয়ে শুনব। আর সব থেকে আনন্দের বষয় ছিল সবাই চুপ করে মনোযোগ দিয়ে গান শুনেছেন। আমরা অন্য জায়গায় মাঝেমধ্যে দেখে থাকি যেমন, গানের মাঝখানে উঠে যাওয়া, চলে যাওয়া। এক ঘণ্টা দর্শক শ্রোতাদের বসিয়ে রাখাটাও কিন্তু একটা কঠিন কাজ। সেদিনের অনুষ্ঠানে কিন্তু সবাই বসে ছিলেন। সব বয়সের মানুষই ছিলেন। বাচ্চারাও ছিলেন, প্রবীণরাও ছিলেন, তরুণরাও ছিলেন। সবাই ভালোভাবেই নিয়েছেন ব্যাপারটা। বেশ পছন্দও করেছেন তারা।

প্রিয়.কম: গান নিয়ে সমসাময়িক কী কী কাজ করেছেন?

সুজন: কাজতো আসলে অনেকই করে যাচ্ছি। কখন কোনটা রিলিজ হচ্ছে তা বেশিরভাগ সময়েই জানি না। আবার এমনও অনেক ঘটেছে যে, আমার নামের পরিবর্তে অন্য আরেক জনের কোনো নামে গান চলে গেছে বাজারে। এসব নিয়ে আসলে শুরুতে খুব কষ্ট লাগত। এখন আর লাগে না। কারণ এমন যে শুধু আমার ক্ষেত্রে ঘটেছে তা নয়, অন্য অনেকের ক্ষেত্রেই ঘটেছে । তবে হ্যাঁ, সিনিয়রদের মধ্যে বাপ্পা মজুমদার দা, বেবী নাজনীন, প্রিন্স মাহমুদ, ফাহমিদা আপাসহ আরও যাদের সঙ্গে কাজ করেছি, ভীষণ ভালো লেগেছে। সামনে একটা বড় কাজ করতে যাচ্ছি যেটা এই মুহূর্তে বলতে চাচ্ছি না। ওটা হলে এমনিতেই সবাই জানবে। বর্তমানে আমার একটা অ্যালবাম তৈরি করা আছে। এতে ছয়টি গান থাকবে। ক’দিন পরে একটি চলচ্চিত্রের ব্যাকগ্রাউন্ড করব। আমার অ্যালবামটাও রিলিজ হবে। আর যেহেতু টেলিভিশন এখন কেউ দেখেন না। সিডিও তেমন কেউ কেনেন না। তাই আমার নতুন অ্যালবামটা ইউটিউবে প্রকাশ করব। ফেসবুকে দেবো। যারা শোনার তারা শুনবেন। যাদের ভালোলাগার তাদের ভালো লাগবে।

সাইদ কামরুজ্জামান সুজন। ছবি: শাছুল হক রিপন, প্রিয়.কম

প্রিয়.কম: সংগীত বিষয়ে আপনার নজরে পড়েছে এমন কিছু সমস্যার কথা বলুন?

সুজন: সবচেয়ে দুঃখজনক ব্যাপার হচ্ছে, যেসব গান ভালো সেসব গান প্রচার হচ্ছে না। দেখা গেল কেউ একজন গান করল, সঙ্গে সঙ্গে তা বেশ ভালোমতো বুস্ট করা হল আর অসংখ্য ভিউ বেড়ে গেল। আর অনেক ভিউ হলেই নাকি এখনকার গানকে হিট বলা হয়। কোনো গান শুনে মন ভরে গেল এটা কোনো বিষয় না। কিছুদিন আগে আমি সমিরন দাশ নামের একজন শিল্পীর গানের কাজ করলাম। তার গান শুনে মনে হলো অনেকদিন আমি এতো ভালো লোকগীতি শুনি নাই। প্রায় ছয় সাত মাস হলো ওনার গান প্রকাশ হল। কিন্তু প্রকাশ হওয়ার পর কোথাও আর আমি তার শুনতে পাইনি। এমন কী অ্যালবামটা প্রকাশ হওয়ার খবরটাও শুনি নাই। শুধু অ্যালবামই প্রকাশ হয়ে গেল। দেখা গেছে কষ্ট করে অ্যালবামটি প্রকাশ করেছেন। কিন্তু প্রচার করার মাধ্যমটা তিনি হয়তো জানতেন না। অনেক সময় দেখা যায়, একটা ক্লাসিক্যাল গানের সঙ্গে অসামঞ্জস্য মিউজিক ভিডিও প্রকাশ হচ্ছে। যা কিনা পুরোই অনর্থক। দিনে দিনে গান ব্যবসায় পরিণত হচ্ছে।

সাইদ কামরুজ্জামান সুজন। ছবি: শাছুল হক রিপন, প্রিয়.কম

প্রিয়.কম: ব্যক্তিগতভাবে সংগীত বিষয়ে আপনি কী ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হয়েছেন?

সাইদ কামরুজ্জামান সুজন: হ্যাঁ, সমস্যার মুখোমুখি আমিও হয়েছি। এই মুহূর্তে বলব না। কিন্তু একদিন ঠিকই বলব। আর তাদের এসব স্টুপিডিটি আমার জন্য আশীর্বাদ। কমন প্রবলেমের কথা বলতে গেলে, দেখা গেল কাজ করে দিলাম। কিন্তু কখন কোনটা প্রকাশ পেল না পেল তার খবর ঠিকঠাক মতো জানা যায় না। কিছু দিন আগে, আমি একজনের গান পরিচালনা করেছি। তার নামটা বলব না। এরই মধ্যে তার গানটা প্রকাশ পেয়েছে। তিনি গানটির ভিডিও নির্মাণ করেছেন শ্রীলঙ্কা থেকে। এরপর ওই গানের সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর দেখি সেই গানের সংগীত পরিচালকের জায়গায় এক বিদেশি ব্যক্তির নাম। এরপর আমি ওই নিউজের স্ক্রিন শট নিয়ে সেই শিল্পীকে দেখিয়ে জিজ্ঞেস করে বললাম, ‘এটা কী ছিল? ব্যাপারটা আমি বুঝি নাই’। আমার প্রতিক্রিয়াতে তিনি বলেন, ‘যারা এটা এডিট করেছেন তারা আসলে বুঝে নাই, এটা তাদের ভুল ছিল’। তার এই উত্তরে আমি কিন্তু ঠিকই বুঝে গেছি যে কাজটা ওই সংগীতশিল্পী ইচ্ছা করেই করেছেন। কারণ সে দেখাতে চেয়েছিল যে, মিউজিক ভিডিও যেহেতু শ্রীলঙ্কায় করা হয়েছে তাই তিনি দেখাতে চেয়েছেন যে ওই গানের সংগীতপরিচালকও শ্রীলঙ্কান।

প্রিয়.কম: আপনি আর কানসূতা এই দুই নিয়ে আপনার মতামত কী?

সুজন: আমিতো একটু আড়ালের মানুষ। সত্যি কথা বলতে আমি এতো ফোকাসে আসতে পছন্দও করি না। তাই ফোকাসে আমার যাওয়াও হয় না। এ কারণে কানসূতার আয়োজনটা আমার জন্য ভালো ছিল। আগে আমি প্রচুর শো করতাম। কনসার্ট ও টেলিভিশনের সরাসরি অনুষ্ঠান এক সময় প্রচুর করতাম। এখন আসলে অনুষ্ঠান করা বাদ দিয়ে দিয়েছি। চ্যানেলগুলোতে দেখা যায়, যাদের আসলে অন্য কিছু করা কথা তারা সংগীতের একটি অংশ নিয়ে বসে আছেন। এ কারণে বাদ দিয়ে দিয়েছি। গানটা এখন হয়ে গেছে ব্যবসা। কোন গান কতো ভিউ হল, কী হলো না হলো এই আর কী।

প্রিয়.কম: সংগীত নিয়ে কি ধরনের কাজ করছেন?

সুজন: আমার ভালোলাগার জায়গা হচ্ছে এক্সপেরিমেন্টাল গান। গানকে ভেঙেচুরে, গান নিয়ে নানা রকমের পরীক্ষা নীরিক্ষা চালাতে আমার ভালোলাগে। ইন্সট্রুমেন্ট অ্যাকস্টিক নিয়ে কাজ করতে পছন্দ করি। কাজ করার সময় নিজের অনুভূতিগুলো দিয়েই কাজ করি। কার কী ভালো লাগবে বা মন্দ লাগবে এ নিয়ে মাথা ঘামাই না। এ জন্যই হয়তো নিজের কিছু শ্রোতা তৈরি হচ্ছে। যারা এ ধরনের গান ভালোবাসেন, যা আমার জন্য ইতিবাচক।

প্রিয়.কম: আন্তর্জাতিক মানের সংগীতশিল্পী তৈরির ক্ষেত্রে আমাদের দেশের সংগীত প্রতিষ্ঠানগুলোর বর্তমান অবস্থা কেমন?

সুজন: সেই ক্ষেত্রে শেখার জন্য কিন্তু আমাদের এখানে বাইরের দেশের মতো তেমন কোনো ভালো প্রতিষ্ঠান নাই। আমাদের ছেলে মেয়েরা আসলেই শিখতে চায়। যদি এমন হতো যে ভালো আন্তর্জাতিক মানসম্মত পণ্ডিতরা আমাদের শেখাবেন। তারা আসবেন, ঠিক যেমন আমারা তাদের খুঁজছি। তাহলে এটা বাংলাদেশের মিউজিক ইন্ডাস্ট্রির জন্যও খুব ভালো হবে। আমরা মিউজিক্যালি বেশ অনেকটাই পিছিয়ে। তবে গানের দিক দিয়ে অনেক এগিয়ে। কারণ আমাদের দেশে লোকগীতি অনেক বেশি স্ট্রং।

প্রিয়.কম: সংগীত শেখা নিয়ে আপনার কী ধরনের বেগ পোহাতে হয়েছে?

সুজন: হুম, সমস্যায় আমি নিজেও পড়ছি। যেমন আমার ব্যান্ডে ছিল নীরব। বর্তমানে ও চিরকুট ব্যান্ডের সঙ্গে পিয়ানো বাজায়। তো ওকে আমি জিজ্ঞেস করলাম, আমি আসলে পিয়ানো শিখতে চাচ্ছি। আমি যখন গান কম্পোজিশন করি, নোটতো সব জানি, কিন্তু কানে শুনে তারপর পিয়ানো দিয়েই কম্পোজ করি। আমি কিন্তু সব না জেনেই করছি। আমি নীরবকে বললাম, ‘আমি নোটেশন শিখতে চাই। বাংলাদেশে কে আছেন ভালো নোটেশান শেখায়?’ যদিও আমি ওর আগে থেকেই মিউজিক করছি তার পরেও জিজ্ঞেস করেছি। তো ও আমাকে বলল, ‘ভাইয়া, আপনি এখানে শিখতে পারবেন না। এর চেয়ে ভালো মাসে একবার ইন্ডিয়া গিয়া শিখে আসেন। ‘যেহেতু আমি মিউজিক করি, তাই আর কোনো উপায় নাই। তাই মাসে একবার ভারতে গিয়ে শিখে আসা ছাড়া আমি আর উপায়ও দেখছি না।

সাইদ কামরুজ্জামান সুজন। ছবি: শাছুল হক রিপন, প্রিয়.কম

প্রিয়.কম: কীভাবে সংগীত পরিচালক হয়ে উঠলেন?

সুজন: আমি ছিলাম আর্টের স্টুডেন্ট। বাবা গান করতেন। ভাইয়ার একটা মেটাল ব্যান্ড ছিল। কিন্তু আমি তার বিপরীত। আমি মেলোডি পছন্দ করি। সেই থেকে বাসায় সবসময়ই একটা গানের পরিবেশ তৈরি হয়ে ছিল। পঞ্চম শ্রেণী থেকেই গিটারটা বাজাই। আমার নিজের একটা ব্যান্ড আছে। সেই ব্যান্ড থেকে আমাদের প্রথম গানটি প্রকাশ হয় ২০০৪ সালে। ব্যান্ড মানেইতো ভাঙবে আবার জোড়া লাগবে। তো সেই ব্যান্ডটা ভাঙতে, ভাঙতে শেষে ব্যান্ডের নাম রাখা হয় ‘পরিধি’। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘জি সিরিজ’ থেকে পরিধির প্রথম অ্যালবাম প্রকাশ পায় ২০০৯ সালে। এরপর আমার একক গানের অ্যালবাম প্রকাশ পায় ২০১১ সালে। এ অ্যালবামের সবগুলো গান আমিই পরিচালনা করি। ২০১৪ সালে আমার দ্বিতীয় একক অ্যালবাম প্রকাশ হয়। এ অ্যালবামের সবগুলো গানও পরিচালনা করি আমি।

প্রিয়.কম: পেশা হিসেবে আমাদের দেশে গানের ভবিষ্যৎ কী?

সুজন: যদি শুধু গান গাওয়াই হয়। তাহলে তার ভবিষ্যৎ অন্ধকার। একদম ঘুটঘুটে অন্ধকার। আমাদের দেশে এখনো বেশিরভাগ মানুষের কাছে, গান, ছবি আঁকা কিংবা ছবিতোলা এগুলো কোনো পেশার আওয়াতায় পড়ে না। যারা সংগীত পরিচালনা করছেন তাদের মধ্যে দেখা যায়, ছবির ব্যাকগ্রান্ড মিউজিক করছেন, টেলিভিশন কমার্শিয়াল, রেডিও কমার্শিয়ালের মিউজিক ও জিঙ্গেল করছেন। একটা না একটা কাজ লেগেই থাকছে। কিন্তু যারা শুধুই গান করেন। তারা বিভিন্ন অনুষ্ঠান থাকলে কিংবা গান গাইলেই শুধু টাকা পাবেন, না গাইলে পাবেন না। এক্ষেত্রে শুধু গেয়ে জীবনযাপন করাটা একটু কঠিন।

প্রিয় বিনোদন/গোরা 

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন
কানাডায় ‘দেবী’
নিজস্ব প্রতিবেদক ১৬ নভেম্বর ২০১৮
‘মিস্টার বাংলাদেশ’ ৫০ প্রেক্ষাগৃহে
নিজস্ব প্রতিবেদক ১৬ নভেম্বর ২০১৮
অবশেষে রণবীর-দীপিকার বিয়ের ছবি প্রকাশ
তাশফিন ত্রপা ১৫ নভেম্বর ২০১৮
স্কুলে ভর্তি হচ্ছে আব্রাম
নিজস্ব প্রতিবেদক ১৫ নভেম্বর ২০১৮
চার দিনব্যাপী বিয়ে হবে কপিল শর্মার
তাশফিন ত্রপা ১৫ নভেম্বর ২০১৮
প্রচার হবে গেম অব থ্রোনসের শেষ মৌসুম
তাশফিন ত্রপা ১৫ নভেম্বর ২০১৮
ঢাকার হলে জনি ডেপের জাদু ও ‘দ্য গ্রিঞ্চ’
তাশফিন ত্রপা ১৫ নভেম্বর ২০১৮
স্পন্সরড কনটেন্ট
বাসায় ফিরেছেন বেবী নাজনীন | বিনোদন
বাসায় ফিরেছেন বেবী নাজনীন | বিনোদন
ইত্তেফাক - ৩ মাস, ২ সপ্তাহ আগে
হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরলেন বেবী নাজনীন
হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরলেন বেবী নাজনীন
এনটিভি - ৩ মাস, ৩ সপ্তাহ আগে
সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন বেবী নাজনীন
সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন বেবী নাজনীন
বাংলা নিউজ ২৪ - ৩ মাস, ৩ সপ্তাহ আগে
বাসায় ফিরলেন বেবী নাজনীন
বাসায় ফিরলেন বেবী নাজনীন
জাগো নিউজ ২৪ - ৩ মাস, ৩ সপ্তাহ আগে
বেবী নাজনীন হাসপাতালে
বেবী নাজনীন হাসপাতালে
যুগান্তর - ৪ মাস আগে
হাসপাতালে বেবী নাজনীন
হাসপাতালে বেবী নাজনীন
এনটিভি - ৪ মাস আগে
ট্রেন্ডিং