দীপিকা পাড়ুকোন। ছবি: সংগৃহীত

সাহসী প্রমাণ করতে নিজের হতাশার কথা জানাননি দীপিকা

যখন তিনি নিজের অবসাদের কথা বলেছিলেন, তখন তিনি জানান, নিজেকে জাহির করার জন্য বা সাহসী প্রমাণ করার জন্য তা বলেননি, বরং শুধু নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছিলেন।

শামীমা সীমা
সহ-সম্পাদক
প্রকাশিত: ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৪:১৬ আপডেট: ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৪:১৬


দীপিকা পাড়ুকোন। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) অবসাদে ভোগার কথা সরাসরি গণমাধ্যমে জানিয়ে তোলপাড় লাগিয়ে দিয়েছিলেন দীপিকা পাড়ুকোন। বলিউড গণমাধ্যম থেকে শুরু করে শীর্ষ পর্যায়েও বিস্তর আলোচনা হয় তাকে নিয়ে। দীর্ঘদিন ধরে ডিপ্রেশনে ভুগেছেন তিনি। এক সাক্ষাৎকারে নিজেই এ কথা জানান দীপিকা। অনেক কষ্ট করে ওই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে এসেছিলেন বলেই জানালেন তিনি।

নিজের ক্যারিয়ারে চূড়ান্ত সফল দীপিকা। একসময়ের নামী মডেল এখন বলিউডের এক নম্বর অভিনেত্রী। হলিউড থেকেও পাচ্ছেন একের পর এক প্রস্তাব। তবুও আবার যদি অবসাদ ঘিরে ধরে, সেই ভয় পিছু ছাড়ছে না দীপিকার। যখন তিনি নিজের অবসাদের কথা বলেছিলেন, তখন তিনি জানান, নিজেকে জাহির করার জন্য বা সাহসী প্রমাণ করার জন্য তা বলেননি, বরং শুধু নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছিলেন।

একটি অনুষ্ঠানে ৩২ বছরের নায়িকা দীপিকা জানান, যখন তিনি এর মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি শুধু চেয়েছিলেন সৎ থাকতে আর চেয়েছিলেন যাতে তার ভক্তরা সত্যিটা জানতে পারেন। সৎ থাকার জন্য তার এই বিষয়টি বিশ্বকে জানানো দরকার ছিল বলে মনে করেন দীপিকা। চার বছর আগে তার সঙ্গে যা হয়েছিল, তা শেয়ার করে তিনি নিজেকে সাহসী প্রমাণ করতে চাননি, কিংবা বিদ্রোহীও হতে চাননি। দীপিকা জানান, তিনি যে ক্রমশ হতাশ হয়ে পড়ছেন, তা তার মা প্রথম বুঝতে পারেন।

প্রাথমিক পর্যায়ে দীপিকার মা তাকে চিকিৎসকের কাছে পাঠান। সেই সময় তিনি বুঝতেই পারেননি কী হচ্ছে। কোনো কাজে তার মন বসত না। কিছু করতে ইচ্ছা করত না। সেখান থেকেই তার মা বুঝতে পারেন তিনি হতাশায় ভুগছে। তার ডাক্তার দেখানো দরকার। এ ব্যাপারটা তারজীবন বদলে দিয়েছিল। ভারতে এসবের খুব একটা চর্চা নেই, তাই মানুষ খুব একটা জানেন না। তবে তার এই অভিজ্ঞতা তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে দৃঢ় করেছে।

দীপিকা এও জানান, সবাই খুব সহজে কোনো মানুষকে বিচার করে ফেলে। কারও সম্পর্কে কিছু ধারণা করা বা কিছু বলা খুব সহজ। কিন্তু সবার জীবনে একটা গল্প থাকে। যদি সেই গল্পটি সম্পর্কে জানা যায়, তাহলে আশপাশের মানুষের সম্পর্কে ধারণাই বদলে যায়। দীপিকা যখন হতাশায় ভোগেন, মনে হয় পেটের মধ্যে গিট বাঁধা আছে। সঙ্গে সঙ্গে বুঝে যান নিজের দিকে এবার মনোযোগ দিতে হবে। ভাবনা চিন্তাকে সংযত করতে হবে। আর এর সবথেকে ভালো উপায়, জোরে জোরে শ্বাস নেওয়া আর ঘুম।

সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

প্রিয় বিনোদন/গোরা 

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন
তথ্যচিত্রে সৈয়দ হক
মিঠু হালদার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮
‘মাকে পাঠানো হয়েছিল আমার নগ্ন ছবি’
তাশফিন ত্রপা ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮
প্রিয় অবসর : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮
প্রিয় ডেস্ক ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮
‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ ২০১৮’ প্রচার শুরু
মিঠু হালদার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮
স্পন্সরড কনটেন্ট