মৌচাষি জোহায়ের ফাতানি। ছবি: সংগৃহীত

শরীরজুড়ে মৌমাছি নিয়ে ৮০ মিনিট কাটালেন সৌদি নাগরিক

পুরো শরীরজুড়ে মৌমাছির চাক বেঁধে আছে। চোখ-মুখও ঢেকে ফেলেছে।

আশরাফ ইসলাম
সহ-সম্পাদক
প্রকাশিত: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১১:৩৯ আপডেট: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১১:৪২


মৌচাষি জোহায়ের ফাতানি। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) পুরো শরীরজুড়ে মৌমাছির চাক বেঁধে আছে। চোখ-মুখও ঢেকে ফেলেছে। মৌমাছি এসে তার শরীরে বসছে আবার উড়ে যাচ্ছে। এভাবে ৮০ মিনিট শরীরে মৌমাছি নিয়ে কাটিয়েছেন একজন মৌচাষি।

সৌদি আরবের মৌচাষি জোহায়ের ফাতানির একটি ছবি সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ওই ছবিটির কারণেই তিনি রাতারাতি ইন্টারনেট সেলিব্রেটি হয়ে গেছেন। 

আরব নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদির এই মৌচাষির পুরো শরীরজুড়ে ৪৯ কেজি ওজনের মৌমাছি ঢেকে রেখেছিল। চোখ, নাক, কান সবই ঢেকে গিয়েছিল মৌমাছি দিয়ে। এ সময় তার নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যাচ্ছিল। এ ছাড়া মৌমাছি তার শরীরে হুল ফুটিয়েছে। 

সৌদি মৌচাষির শরীরজুড়ে মৌচাক। ছবি: সংগৃহীত

মৌচাষি জোহায়ের ফাতানি জানান, মৌমাছি তার মুখ ঢেকে ফেলেছিল। শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল। তার পায়ে মৌমাছিগুলো হুল ফুটিয়েছে। এ অবস্থায় ৮০ মিনিটের বেশি তার দাঁড়িয়ে থাকা সম্ভব হয়নি। 

মৌচাষি জোহায়ের ফাতানি। ছবি: সংগৃহীত

বাদশাহ আব্দুল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজ করেছেন ফাতানি। মৌমাছি নিয়ে তিনি যখন প্রথম কাজ করেন, তখন তার মাত্র তিনটি মৌচাক ছিল। এখন ৩০টি। এসব মৌচাক থেকে তিনি ৮০০ কেজির বেশি মধু আহরণ করতে পারেন।

ভালো ফুলের জন্য তিনি দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়ান। দাবদাহ ও ঠান্ডা আবহাওয়া থেকে মৌমাছিকে বাঁচাতে তিনি ব্যবস্থা নেন।

ফাতানির ভাষায়, ‘এ বিষয়ে আমি বৈজ্ঞানিক ও বাস্তবিক অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। মৌচাষ নিয়ে কৃষি প্রকৌশলীরাও আমাকে প্রশিক্ষণ দিয়েছেন।’

প্রিয় সংবাদ/রুহুল 

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন
জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন কোথায়, কীভাবে
প্রদীপ দাস ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮
২৯ সেপ্টেম্বরের পর জাতীয় ঐক্যের কমিটি
মোক্তাদির হোসেন প্রান্তিক ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮
নারায়ণগঞ্জে ‘মাদক ব্যবসায়ী’ সাজুসহ গ্রেফতার ৪
ইমামুল হাসান স্বপন ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮
খুলনার নবনির্বাচিত মেয়রের দায়িত্ব গ্রহণ
শেখ নোমান ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮
প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকদের ১০ দফা দাবি
প্রিয় ডেস্ক ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮
স্পন্সরড কনটেন্ট
ট্রেন্ডিং