শনিবার শিশু একাডেমী থেকে ‘কিশোর-কিশোরী ক্লাব’ স্থাপন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন মেহের আফরোজ চুমকি। ছবি: প্রিয়.কম

সারা দেশে ৫ হাজার কিশোর-কিশোরী ক্লাব উদ্বোধন

যৌন নির্যাতন ও নিপীড়ন প্রতিরোধসহ ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বিয়য়ে ক্লাবগুলোতে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কিশোর-কিশোরীদের সচেতন করা হবে।

সফিউল আলম রাজা
প্রধান প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৯:৩৩ আপডেট: ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৯:৩৩
প্রকাশিত: ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৯:৩৩ আপডেট: ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৯:৩৩


শনিবার শিশু একাডেমী থেকে ‘কিশোর-কিশোরী ক্লাব’ স্থাপন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন মেহের আফরোজ চুমকি। ছবি: প্রিয়.কম

(প্রিয়.কম) সারা দেশে প্রায় ৫ হাজার কিশোর-কিশোরী ক্লাব স্থাপন করা হচ্ছে। প্রকল্পটি মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়াধীন মহিলা বিষয়ক অধিদফতরের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হবে।

২২ সেপ্টেম্বর, শনিবার সকালে শিশু একাডেমী থেকে ‘কিশোর-কিশোরী ক্লাব’ স্থাপন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি

এই প্রকল্পের মাধ্যমে সারা দেশে চার হাজার ৫৫৩ ইউনিয়ন ও ৩৩০টি পৌরসভায় মোট চার হাজার ৮৮৩টি কিশোর-কিশোরী ক্লাব স্থাপন করা হচ্ছে।  

ইভটিজিং বন্ধ, বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ, জেন্ডার বেইজড ভায়োলেন্স প্রতিরোধে যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য ও অধিকার (এসআরএইচআর), জন্ম নিবদ্ধন, বিবাহ নিবন্ধন, যৌতুক প্রতিরোধ, শিশু অধিকার, নারী অধিকার, জেন্ডার ভিত্তিক বৈষম্য দূর, যৌন নির্যাতন ও নিপীড়ন প্রতিরোধসহ ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বিয়য়ে ক্লাবগুলোতে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কিশোর-কিশোরীদের সচেতন করা হবে।

প্রতিটি ক্লাবের সদস্য সংখ্যা হবে ৩০ জন। এর মধ্যে ২০ জন মেয়ে এবং ১০ জন ছেলে। তা ছাড়া সকল ক্লাবের সদস্যরা বিভিন্ন দিবস উদযাপন, খেলাধুলা, বই-ম্যাগাজিন, সংগীত, আবৃত্তি, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা, মুক্ত আলোচনা, আন্তঃক্লাব প্রতিযোগিতা ও ক্যারাটে প্রশিক্ষণ নিতে পারবে।

উদ্বোধনের সময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বৃহৎ অংশ কিশোর-কিশোরী। বর্তমানে কিশোর-কিশোরীর সংখ্যা ৩ কোটি ৬৩ লাখ ৮০ হাজার, যা মোট জনসংখ্যার ২১.৪ শতাংশ। দেশের এই ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সঠিকভাবে গড়ে তুলতে তাদেরকে মূল ধারায় সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন। পারস্পরিক সহমর্মিতার সম্পর্ক গড়ে তোলার মধ্য দিয়ে ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটানোর লক্ষ্যে কিশোর-কিশোরী ক্লাব প্রকল্প স্থাপন করা হয়েছে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘সামাজিক সমস্যা দূর করতে হলে মানসিকতার পরিবর্তন করতে হবে। কিশোর-কিশোরীদের বয়ঃসন্ধিকাল মানসিক বিকাশের উপযুক্ত সময়।’

মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী রওশন আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নাছিমা বেগম এনডিসি, বাংলাদেশ শিশু একমি[ডমীর চেয়ারম্যান কথা সাহিত্যিক সেলিনা হোসেন, ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার কে এম আলী আজম। এতে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন কিশোর-কিশোরী ক্লাব স্থাপন প্রকল্পের পরিচালক বিকাশ চন্দ্র সিকদার।

সচিব নাছিমা বেগম এনডিসি বলেন, কিশোর-কিশোরীরা ক্লাবের মাধ্যমে সৃজনশীল ও গঠনমূলক কর্মকাণ্ডে প্রশিক্ষণ গ্রহন করবে এবং এর মাধ্যমে পরিবর্তনের ধারক বা চেঞ্জ এজেন্ট হিসেবে কিশোর-কিশোরী ও নারীদের প্রতি সহিংস আচরণের বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে পারবে। ফলে নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি দূর হবে।

প্রিয় সংবাদ/হিরা/শান্ত 

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...