নেপাল ও বাংলাদেশের মধ্যকার ম্যাচের একটি মুহূর্ত। ছবি: সংগৃহীত

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েই সেমিফাইনালে বাংলাদেশ

সেমিফাইনাল নিশ্চিত হলেও দুই দলের সামনে ছিল গ্রুপ সেরা হওয়ার লড়াই। সেই লড়াইয়ে সাফল্য পেয়েছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৮ নারী ফুটবল দল।

মুশাহিদ
সহ-সম্পাদক
প্রকাশিত: ০২ অক্টোবর ২০১৮, ২১:৫৮ আপডেট: ০২ অক্টোবর ২০১৮, ২১:৫৮
প্রকাশিত: ০২ অক্টোবর ২০১৮, ২১:৫৮ আপডেট: ০২ অক্টোবর ২০১৮, ২১:৫৮


নেপাল ও বাংলাদেশের মধ্যকার ম্যাচের একটি মুহূর্ত। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানকে ১৭-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে আগেই সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছিল বাংলাদেশ। সেই পাকিস্তানকেই ১২-০ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালের টিকেট নিশ্চিত করে নেপাল। সেমিফাইনাল নিশ্চিত হলেও দুই দলের সামনে ছিল গ্রুপ সেরা হওয়ার লড়াই। সেই লড়াইয়ে সাফল্য পায় বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৮ নারী ফুটবল দল।

গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে নেপালকে ২-১ গোলে হারায় বাংলাদেশের মেয়েয়া। আর এই জয়ের ফলে সাফ অনূর্ধ্ব-১৮ নারী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েই সেমিফাইনাল নিশ্চিত করল গোলাম রব্বানী ছোটনের শিষ্যরা। প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানকে ১৭-০ গোলে উড়িয়ে দেওয়া দলের মোট পয়েন্ট দাঁড়িয়েছে ৬।

আগামী শুক্রবার (৫ অক্টোবর) ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ‘এ’ গ্রুপের রানার্সআপ ভুটানের বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। আর একই দিন অপর সেমিফাইনালে নেপালের প্রতিপক্ষ ভারত।

মঙ্গলবার ভুটানের থিম্পুর চাংলিমিথাং স্টেডিয়ামে নেপালকে শুরু থেকে চাপে রাখে বাংলাদেশ। ৬ মিনিটেই এগিয়ে যাওয়ার দারুণ এক সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ। কৃষ্ণা রানী সরকারের বাড়িয়ে দেওয়া বল নিয়ে নেপালের ডি-বক্সে ঢুকেছিলেন সিরাত জাহান স্বপ্না। কিন্তু বল ঠিকমতো নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেননি তিনি।

১৬ মিনিটে পাওয়া সুযোগ কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। শামসুন্নাহারের লম্বা ক্রস ধরে একা নেপালি গোলরক্ষককে বোকা বানিয়ে ব্যবধান ১-০ করেন সিরাত জাহান স্বপ্না। পাকিস্তানকে উড়িয়ে দেওয়া ম্যাচে ৭ গোল করেছিলেন এই ফরোয়ার্ড।

প্রথমার্ধেই ব্যবধান দ্বিগুণ করে বাংলাদেশ। ৩২ মিনিটে নেপালের গোলরক্ষক রুপনা চাকমার গোল কিক থেকে বল নিয়ে কোনোরকম বাধা ছাড়াই নেপালের ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন কৃষ্ণা। নেপালের গোলরক্ষককে এগিয়ে আসতে দেখেই তার মাথার উপর দিয়ে বল তুলে মেরে জালে জড়ান এই বাংলাদেশি ফরোয়ার্ড।

এরপর ৪১ মিনিটে ডি বক্সের মধ্যে কৃষ্ণা ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। কিন্তু পেনাল্টি কিক থেকে ব্যবধান বাড়াতে পারেননি শামসুন্নাহার সিনিয়র। এই ডিফেন্ডারের ডান পায়ের মাটি গড়ানো শট গোলপোস্টের বাইরে দিয়ে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।

দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ে অবশ্য গোলের দেখা পেয়েছে নেপাল। কিন্তু রাশমি কুমারীর এই গোল নেপালের পরাজয়ের ব্যবধান কমানো ছাড়া কোনো কাজে আসেনি।

প্রিয় খেলা/আজহার

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...