বেনাপোল স্থলবন্দর। ছবি: সংগৃহীত

ট্রানজিট সুবিধায় প্রথমবারের মতো নেপালে পণ্য রপ্তানি হচ্ছে

দক্ষিণ এশীয় চার দেশের (ভারত, বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটান) মধ্যে ট্রানজিট চুক্তির পর প্রথমবারের মতো বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে নেপালে পণ্য রপ্তানি হতে যাচ্ছে।

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ০৭ অক্টোবর ২০১৮, ১১:২৫ আপডেট: ০৭ অক্টোবর ২০১৮, ১১:২৬
প্রকাশিত: ০৭ অক্টোবর ২০১৮, ১১:২৫ আপডেট: ০৭ অক্টোবর ২০১৮, ১১:২৬


বেনাপোল স্থলবন্দর। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) দক্ষিণ এশীয় চার দেশের (ভারত, বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটান) মধ্যে ট্রানজিট চুক্তির পর প্রথমবারের মতো বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে নেপালে পণ্য রপ্তানি হতে যাচ্ছে।

বণিক বার্তায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়,  প্রথম দফায় ২৫ হাজার ৩৫০ টন সার নেপালে রপ্তানি হবে। এই সার প্রথমে মোংলা বন্দর দিয়ে চীন থেকে বাংলাদেশে আমদানি করা হবে। পরে তা স্থানীয়ভাবে মোড়কজাত করে বেনাপোল স্থলবন্দর ব্যবহার করে নেপালে রপ্তানি করা হবে।

সারের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স লিটমন্ড শিপিং লিমিটেড ও দেশ ট্রেডিং করপোরেশন। লিটমন্ড শিপিংয়ের ব্যবস্থাপক সৈয়দ মূর্তজা আলী বাপ্পী জানান, চীনের একটি বন্দর থেকে ২৫ হাজার ৩৫০ টন সার নিয়ে মোংলা বন্দরে নোঙর করেছে সেন্ট ভিনসেনের পতাকাবাহী জাহাজ এমভি ঠেটো টোকজ। এমভি ঠেটো টোকজ থেকে সার খালাসের পর প্রাথমিকভাবে ছোট লাইটারেজ জাহাজে করে তা যশোরের নওয়াপাড়ায় আনা হবে। সেখান থেকে বেনাপোল রুটের মাধ্যমে ভারতের বীরগঞ্জ কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স হয়ে মালবাহী ট্রেনে করে এ সব সার নেপালে নেওয়া হবে। এক সপ্তাহের মধ্যে জাহাজের পুরো পণ্য খালাসের কাজ শেষ হবে।

ভারত, ভুটান ও নেপাল বাংলাদেশের ভূখণ্ড ব্যবহারের ট্রানজিট সুবিধার আওতায় মোংলা সমুদ্রবন্দর ও বেনাপোল স্থলবন্দর ব্যবহার করবে— এমন নীতিগত সিদ্ধান্ত আগে থেকেই ছিল। বাকি ছিল শুধু আনুষ্ঠানিকতা।

দেড় মাস আগে চীন থেকে জাহাজটি মোংলা বন্দরের উদ্দেশে ছেড়ে আসে। জাহাজটিতে আনা সারের আমদানি মূল্য এক কোটি ১১ লাখ ৫৪ হাজার টাকা। এ সার এক কোটি ৩২ লাখ ৩৭ হাজার ৭৭০ টাকায় নেপালে রপ্তানি হবে বলে জানিয়েছেন দেশ ট্রেডিং করপোরেশনের স্বত্বাধিকারী আমিনুর রশিদ।

তিনি জানান, চীন থেকে নেপালের জন্য প্রতি হাজার টন ৪৪০ ডলার দরে ঢালাই সার আমদানির পর তা স্থানীয়ভাবে মোড়কজাত করে ৫২২ ডলার ২০ সেন্ট দরে নেপালে রপ্তানি করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ট্রানজিট সুবিধায় পণ্য আমদানি-রপ্তানির বিপরীতে কোনো শুল্ক আদায়ের সুযোগ নেই। তবে এ সব পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে অবকাঠামো ব্যবহার, তা রক্ষণাবেক্ষণ, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ইত্যাদি সেবার জন্য মাশুল আদায় করা যাবে।

প্রিয় সংবাদ/নোমান/রুহুল