ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়ে ইভাঙ্কা ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

হ্যালির জায়গায় ইভাঙ্কা!

‘ওই পদে ইভাঙ্কাই যোগ্যতম। তবে এর মানে এই নয় যে, ওকেই বেছে নিচ্ছি।’

আশরাফ ইসলাম
সহ-সম্পাদক
প্রকাশিত: ১১ অক্টোবর ২০১৮, ১১:৫২
আপডেট: ১১ অক্টোবর ২০১৮, ১১:৫২


ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়ে ইভাঙ্কা ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিকি হ্যালি ৯ অক্টোবর, মঙ্গলবার পদত্যাগ করেছেন। এরপর ওই পদে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বড় মেয়ে ইভাঙ্কা ট্রাম্পকে নিয়োগ দেওয়া হতে পারে বলে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে।

২৪ ঘণ্টা পেরোনোর আগেই ডোনাল্ড ট্রাম্প বললেন, ‘ইভাঙ্কা যদি যায়, আমি নিশ্চিত সেটা একটা মারকাটারি ব্যাপার হবে।’

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাহলে কি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট তার দ্বিতীয় সন্তানকেই হ্যালির বদলি হিসেবে বেছে নিচ্ছেন? সাংবাদিকরা মধ্যে যখন এ বিষয়ে সবে মাত্র চাপা গুঞ্জন শুরু হয়, সেই মুহূর্তে আবারও মুখ খুললেন ট্রাম্প। 

ট্রাম্প বলেন, ‘ওই পদে ইভাঙ্কাই যোগ্যতম। তবে এর মানে এই নয় যে, ওকেই বেছে নিচ্ছি। তাহলে তো আবার স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠবে।’

হ্যালির সঙ্গে আলোচনা করেই দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে নাম ঘোষণা করা হবে বলে জানান ট্রাম্প।

সদ্য সাবেক জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিকি হ্যালি। ছবি: এএফপি

ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের একের পর এক কর্তার পদত্যাগের পর জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিকি হ্যালিও মঙ্গলবার পদত্যাগের কথা জানান। তবে ঠিক কী কারণে তিনি পদত্যাগ করেছেন, তা স্পষ্ট নয়। মার্কিন প্রশাসনের ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো বলছে, নিকি হ্যালি অপ্রত্যাশিতভাবে পদত্যাগ করেছেন ও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন।

নিকি হ্যালি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সবচেয়ে আস্থাভাজন নারী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

কূটনীতিক হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর নিকিকে নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। পরবর্তী সময়ে ফিলিস্তিন ইস্যুতে তার লাগামহীন বক্তব্যের কারণে বিশ্বব্যাপী সমালোচিত হন। এ ছাড়া একই ইস্যুতে জাতিসংঘে উত্থাপিত একটি ভোটে যুক্তরাষ্ট্র প্রথমবারের মতো হেরে যায়।

মার্কিন সাংবাদিক ও লেখক মাইকেল উলফ তার ‘ফায়ার অ্যান্ড ফিউরি’ বইয়ের একটি অধ্যায়ে ট্রাম্পের সঙ্গে নিকি হ্যালির প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে বলেও দাবি করেছিলেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্টকে বহনকারী বিমান এয়ারফোর্স ওয়ান ও ওভাল অফিসে ট্রাম্পের সঙ্গে নিকি হ্যালি ব্যক্তিগত সময় কাটিয়েছেন বলেও উলফের বইয়ে দাবি করা হয়। যদিও এ সব বিষয় অস্বীকার করেছেন নিকি হ্যালি।

জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত হওয়ার আগে নিকি হ্যালি সাউথ ক্যারোলাইনার গভর্নর ছিলেন। তার বাবা মা উভয়ই ভারতীয়।

প্রিয় সংবাদ/আশরাফ/রুহুল

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন
স্পন্সরড কনটেন্ট