শেষ মুহূর্তে চলছে প্রতিমাগুলোতে রং তুলির আঁচড়ের কাজ। ছবি: প্রিয়.কম

কুষ্টিয়ায় প্রস্তুত ২৩৭ পূজামণ্ডপ

দুর্গা প্রতিমা গড়া শেষ হলে রং তুলির আঁচড়ে ফুটিয়ে তোলা হয় অবয়ব।

কাঞ্চন কুমার
কন্ট্রিবিউটর, কুষ্টিয়া
প্রকাশিত: ১৩ অক্টোবর ২০১৮, ১৫:১৭ আপডেট: ১৩ অক্টোবর ২০১৮, ১৫:১৭
প্রকাশিত: ১৩ অক্টোবর ২০১৮, ১৫:১৭ আপডেট: ১৩ অক্টোবর ২০১৮, ১৫:১৭


শেষ মুহূর্তে চলছে প্রতিমাগুলোতে রং তুলির আঁচড়ের কাজ। ছবি: প্রিয়.কম

(প্রিয়.কম) আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে কুষ্টিয়ায় ২৩৭টি পূজা মণ্ডপ প্রস্তুত করা হয়েছে। বিগত বছরগুলোর মতো মণ্ডপ সংলগ্ন সড়কে আলোকসজ্জা করা হচ্ছে। শেষ মুহূর্তে চলছে প্রতিমাগুলোতে রং তুলির আঁচড়ের কাজ।

দুর্গাপূজা সনাতন ধর্মালম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব হওয়ায় নতুন পোষাকে দেবীর আরাধনা করতে অনেকে ব্যস্ত নতুন পোষাক কিনতে। শহরের অধিকাংশ মার্কেটগুলোতে বেশ ভিড় দেখা গেছে।

কুষ্টিয়া জেলা পূজা উৎযাপন পরিষদের সহ-সভাপতি বিশ্বজিৎ বিশ্বাস জানান, অতীতের চেয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রতি ভালো অবস্থানে রয়েছে। তা ছাড়াও দুর্গাপূজা উপলক্ষে স্থানীয় প্রশাসন যথেষ্ট নিরাপত্তা দিয়ে থাকেন। এ বছর কুষ্টিয়া জেলায় ২৩৭টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে।

কুষ্টিয়া জেলা পূজা উৎযাপন পরিষদের সভাপতি নরেন্দ্র নাথ সাহা বলেন, ‘গতবারের চেয়ে এবার মন্দিরের সংখ্যা বেশি। তাই উৎযাপনটাও বেশি হবে বলে আশা করছি। এখন প্রতিমা তৈরি এবং প্যান্ডেল নির্মাণের কাজ চলছে। ইতোমধ্যে প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকও হয়েছে। পূজা নির্বিঘ্ন করতে প্রশাসন থেকে আমরা সার্বিক সহযোগিতা পাচ্ছি।’

প্রতিমাশিল্পী সুকান্ত মালাকার জানান, প্রতিমা তৈরিতে প্রচুর কাঁচাপণ্যের প্রয়োজন হয়। প্রতিমা তৈরিতে মূলত মাটি, বাঁশ-খড়, দড়ি, লোহা, ধানের কুঁড়া, পাট, কাঠ, রঙ, বিভিন্ন রঙের সিট ও শাড়ি-কাপড় লাগে। প্রতিমা গড়া শেষ হলে রং তুলির আঁচড়ে ফুটিয়ে তোলা হয় অবয়ব।

সুকান্ত মালাকার আরও জানান, বছরের অন্যান্য সময় তেমন কাজ না থাকলেও এই সময় ব্যস্ততা বেড়ে যায়। বাজারে পণ্যের দাম বাড়ায় এবার প্রতিমা তৈরিতে খরচ কিছুটা বেড়েছে। তবে সময়ের সঙ্গে মানুষের জীবন যাত্রার ব্যয় বাড়লেও সে অনুযায়ী প্রতিমা তৈরির মজুরি বাড়েনি।

কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার (এসপি) এস এম তানভীর আরাফাত জানান, পূজা মণ্ডপগুলোতে পোষাকে ও সাদা পোষাকে প্রতিটি মন্দিরে নজরদারি থাকবে। মন্দিরগুলোতে সার্বক্ষণিক আনসার থাকবে। এ ছাড়াও টহল টিম থাকবে। পূজা কমিটির স্বেচ্ছাসেবকরাও সহযোগিতা করবেন। সব মিলিয়ে মন্দিরগুলোতে নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে।

প্রিয় সংবাদ/শিরিন/কামরুল

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...