কুষ্টিয়া শহরের সিরাজুল হক মুসলিম হাই স্কুলে শনিবার অভিভাবক সমাবেশে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ। ছবি: প্রিয়.কম

সরকারের পতন ঘটানোর ক্ষমতা কারো নেই: হানিফ

হানিফ বলেন, ‘গত পাঁচ বছর ধরেই দেশবাসী আন্দোলনের কথা শুনে আসছে। বিএনপির যদি আন্দোলন করার শক্তি থাকত, তবে সরকার অনেক আগেই বিদায় হয়ে যেত।’

কাঞ্চন কুমার
কন্ট্রিবিউটর, কুষ্টিয়া
প্রকাশিত: ১৩ অক্টোবর ২০১৮, ১৮:০৩ আপডেট: ১৩ অক্টোবর ২০১৮, ১৮:০৩
প্রকাশিত: ১৩ অক্টোবর ২০১৮, ১৮:০৩ আপডেট: ১৩ অক্টোবর ২০১৮, ১৮:০৩


কুষ্টিয়া শহরের সিরাজুল হক মুসলিম হাই স্কুলে শনিবার অভিভাবক সমাবেশে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ। ছবি: প্রিয়.কম

(প্রিয়.কম) বর্তমান সরকারের পতন ঘটানোর ক্ষমতা কারো নেই বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ

১৩ অক্টোবর, শনিবার দুপুরে কুষ্টিয়া শহরের সিরাজুল হক মুসলিম হাই স্কুলে অভিভাবক সমাবেশে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে হানিফ এ মন্তব্য করেন।

হানিফ বলেন, ‘গত পাঁচ বছর ধরেই দেশবাসী আন্দোলনের কথা শুনে আসছে। বিএনপির যদি আন্দোলন করার শক্তি থাকত, তবে সরকার অনেক আগেই বিদায় হয়ে যেত। জনগণ সঙ্গে আছে বলেই সরকারের পতন ঘটানোর ক্ষমতা আর কারো নেই।’

‘২১ আগস্টের হামলা যদি রাষ্ট্রযন্ত্র করে থাকে তবে পিলখানা হত্যাকাণ্ডও এই সরকারের দ্বারা করা হয়েছে’—বিএনপির এমন দাবির জবাবে হানিফ বলেন, ‘ইতোমধ্যেই পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার হয়েছে। ২১ আগস্ট হামলার সঙ্গে বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা জড়িত ছিল, এটা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। লন্ডনে বসে বিএনপি নেতা এই হামলার কলকাঠি নেড়েছে; তার তথ্য-প্রমাণ ইতোমধ্যেই চলে এসেছে। সেটারও তদন্ত চলছে। আশা করছি এ বিষয়ে খুব শিগগিরই দেশবাসী জানতে পারবে।’

বিএনপির সমালোচনা করে হানিফ বলেন, ‘বিএনপি এখন একটি সন্ত্রাসী দল, তা আন্তর্জাতিক আদালতেও প্রমাণিত। ২১ আগস্টের পরে দেশেও এটা প্রমাণ হয়েছে যে, বিএনপি সামগ্রিক অর্থে একটি সন্ত্রাসী দল। এই দলের রাজনীতি করার কোনো অধিকারই থাকতে পারে না।’

‘এ রকম একটি দলের আন্দোলন নিয়ে দেশবাসী ভাবছে না। আগামী নির্বাচন সংবিধানের বাইরে কিছু হওয়ার সম্ভাবনা নেই। এ নিয়ে সন্ত্রাসী দলের সঙ্গে আলাপ-আলোচনারও কিছু নেই। তথাকথিত আন্দোলনের বুলি দিয়ে কোনো কাজ হবে না। আন্দোলনের নামে আবারও যদি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করতে নামে, তবে জনগণই শক্ত ব্যবস্থা নেবে।’

ওই সময় স্কুলের সভাপতি অ্যাডভোকেট অনুপ কুমার নন্দীর সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী, কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মনজুর কাদের প্রমুখ।

প্রিয় সংবাদ/নোমান/আজহার

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...