ভারতের মুম্বাই শহর। ছবি: সংগৃহীত

মুম্বাইয়ে কেন বাংলাদেশিদের খোঁজ চলছে

‘নিউ ইয়র্ক বলুন বা মুম্বাই, পৃথিবীর সব বড় বড় শহর গড়ে তুলেছে ইমিগ্র্যান্টরা। আপনি যদি ইমিগ্র্যান্টদের ঢুকতে না-দেন, তাদের সংস্কৃতিকে আপন করে না নেন, কিছুতেই কোনো শহরের উন্নতি হবে না।’

আবু আজাদ
সহ-সম্পাদক
প্রকাশিত: ১৩ অক্টোবর ২০১৮, ২২:৫২ আপডেট: ১৪ অক্টোবর ২০১৮, ০৮:৩৫


ভারতের মুম্বাই শহর। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) ভারতের আসামে জাতীয় নাগরিকপঞ্জী বা এনআরসি নিয়ে তুমুল বিতর্কের মধ্যেই দেশটির বিভিন্ন প্রান্তে অবৈধ বিদেশিদের শনাক্ত করার দাবি তুলছে বিজেপিসহ কয়েকটি রাজনৈতিক দল।

এ পটভূমিতে আবারও মুম্বাইয়ে বাংলাভাষীদের অবৈধ বাংলাদেশি আখ্যা দিয়ে তাদেরকে ভারত থেকে বহিষ্কারের দাবি উঠেছে। কিন্তু ভোট সামনে রেখে বাংলাভাষী শ্রমজীবী গরিব মানুষগুলোকে বাংলাদেশি আখ্যা দিয়ে আরও একবার রাজনৈতিক বলির পাঁঠা বানানোর চেষ্টা চলছে না তো? খবর বিবিসি বাংলার

ভায়ান্দারের ‘বাংলাদেশ বস্তি’

মুম্বাইয়ের দক্ষিণ প্রান্তে চার্চগেট স্টেশন শেষপ্রান্তে ভায়ান্দার স্টেশন। পাশেই শহরের গরিব মানুষের এক বিশাল কলোনি, যা ‘বাংলাদেশ বস্তি’ নামে পরিচিত।

সম্প্রতি ভায়ান্দারের ওই বস্তির নাম উঠে এসেছে দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবের আলোচনাতেও।

শাসক দল বিজেপির ভাইস প্রেসিডেন্ট ও এমপি বিনয় সহস্রবুদ্ধের দাবি, ‘সুদূর বাংলাদেশ থেকে অসংখ্য লোকজন অবৈধভাবে ভারতে ঢুকে ভায়ান্দারে পাড়ি দিচ্ছে। মুম্বাইয়ের আশেপাশে টিলা-জঙ্গলগুলো দখল করে তারা গড়ে তুলছে বসতি, চালাচ্ছে নানা বেআইনি ধান্দা। এমনকি পুলিশ হানা দিতে গেলেও তাদের পাথর ছুড়ে তাড়িয়ে দিচ্ছে এই বাংলাদেশিরা!’

সহস্রবুদ্ধের মতে, অবৈধ বাংলাদেশির সমস্যা শুধু আসামের নয়, মুম্বাইসহ গোটা দেশেই তা ‘টাইম বোমার মতো টিক-টিক’ করছে।

বাংলাদেশ বস্তির চা দোকানী উষা দেবী। ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ বস্তির চা দোকানী উষা দেবী। ছবি: সংগৃহীত

অবশ্য দলের সভাপতি অমিত শাহ আরও একধাপ এগিয়ে ভারতে থাকা বাংলাদেশিদের কখনো ‘ঘুষপেটিয়া’ (অনুপ্রবেশকারী), কখনো ‘দীমক’ (উইপোকা) বলেও গালাগাল করছেন। কিন্তু যেমনটা তারা বলছেন, সত্যিই কি বাংলাদেশিরা ছেয়ে ফেলছেন মুম্বাই শহরতলির বস্তিগুলো?

ভায়ান্দারের তথাকথিত ‘বাংলাদেশ বস্তিতে’ খোঁজ নিতে গিয়ে বের হয়ে চমকপ্রদ তথ্য। বস্তির বাসিন্দারা জানান, কলোনির নাম বাংলাদেশের নামে হলেও সেখানে একঘর বাঙালি পর্যন্ত নেই। বরং বাইরের একটা দেশের নামে কেন তাদের কলোনির নাম, সেটাই তাদের এতদিন ভাবিয়ে এসেছে।

অবশ্য পুরনো বাসিন্দাদের কাছে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ৪০-৫০ বছর আগে যখন পুরনো ঝোপড়পট্টি ভেঙে এই কলোনি প্রতিষ্ঠা করা হয়। তখন বাংলাদেশ যুদ্ধে জেতার সম্মানেই বস্তিটির নাম বাংলাদেশ বস্তি করা হয়। কিন্তু না, কোনদিন কোনো বাঙালি এই তল্লাটে কখনই ছিল না।

অবৈধ বাংলাদেশিদের নিয়ে গবেষণার জন্য ফেলোশিপ

‘বাংলাদেশ বস্তি’ নামটা ব্যবহার করেই কথিত অবৈধ বিদেশিদের বিরুদ্ধে মুম্বাইয়ের আবেগকে খুঁচিয়ে তুলতে চাইছেন বিজেপি নেতারা।

ভায়ান্দারের এই বাংলাদেশ বস্তি থেকে কয়েক মাইল দূরেই বিশাল গ্রামজুড়ে আরএসএস-এর থিঙ্কট্যাঙ্ক তথা এনজিও ‘রামভাউ মহালগি প্রবোধিনীর সদর দফতর।

অবৈধ বাংলাদেশিরা মুম্বাইয়ের অর্থনীতিতে কী ধরনের বিরূপ প্রভাব ফেলছে, তা নিয়ে বিশদ গবেষণার জন্য একটি ফেলোশিপও চালু করছেন তারা।

প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালক রবীন্দ্র সাঠে মনে করেন, এই ইস্যুতে কোনো আপস করারই অবকাশ নেই।

রবীন্দ্র সাঠে বলেন, ‘আমরা ধর্মের ভিত্তিতে মানুষের সঙ্গে বৈষম্য করতে চাই না। কিন্তু অবৈধ বাংলাদেশিদের প্রশ্নটা জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত, আর সেটাকে দলীয় রাজনীতির ঊর্ধ্বেই রাখা উচিত।’

‘আসামের সাবেক রাজ্যপাল এস কে সিনহা তার এক রিপোর্টে বলেছিলেন, নিম্ন আসামের পাঁচটি জেলায় যেভাবে বাংলাদেশি মুসলিমরা ঢুকেছে, তাতে তারা একদিন বাংলাদেশের সঙ্গে সংযুক্তিরও দাবি জানাতে পারে। ফলে আমাদের সতর্ক হতে হবে এখনই।’

ড. সাঠের মতে, অবৈধ বাংলাদেশিদের ভারত থেকে ডিপোর্ট করা ছাড়া কোনো উপায় নেই, আর দিল্লি যদি সেটা দক্ষতার সঙ্গে করতে পারে, তাহলে বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক নষ্ট হওয়ারও কোনো আশঙ্কা নেই।

বান্দ্রা-কলানগরের বাঙালি মুসলিমরা

অবশ্য এই যে হাজার হাজার অবৈধ বাংলাদেশির কথা বলা হচ্ছে, মুম্বাইয়ের কোনো বস্তিতেই সহজে তাদের দেখা মিলবে না, বরং সেখানকার বাঙালি বাসিন্দারা সবাই জানাবেন, তারা পশ্চিমবঙ্গ থেকেই এসেছেন।

ঘাইঘাটার আশরাফ বললেন, ‘প্রুফ-টুফ চেক করে, দেখে আধার কার্ড প্যান কার্ড, এসব আছে কি না! আমরা বলি আমরা ইন্ডিয়ারই লোক। সব আইডেন্টিটি দেখে সন্তুষ্ট হলে পুলিশ ছেড়ে দেয়, নয়তো ধরে নিয়ে যায়।’

আজিম শেখ বলেন, ‘আজকাল খুব একটা সমস্যা নেই। আর বাংলাদেশি আছে খবর পেলে আশেপাশের বাড়িই ইঙ্গিত দিয়ে দেয়, তখন এসে ধরপাকড় করে। সবাই তো আমরা এখন পেপার (কাগজপত্র) নিয়েই ঘোরাফেরা করি!’

ফলে পুলিশ আসল বাংলাদেশিদের ধরপাকড় করলেও তাতে তাদের তেমন কোনো সমস্যাও নেই বলে দাবি করছেন এরা।

বান্দ্রায় নার্গিস দত্তের নামে গড়ে ওঠা এই কলোনিতেও থাকেন বহু বাংলাভাষী। ছবি: সংগৃহীত
বান্দ্রায় নার্গিস দত্তের নামে গড়ে উঠা এই কলোনিতেও থাকেন বহু বাংলাভাষী। ছবি: সংগৃহীত

বলিউডের প্রয়াত অভিনেত্রী নার্গিসের নামে যে নার্গিস কলোনি, সেখানকার রাজু শেখ যেমন বলছিলেন, ‘ধরে শুধু বাংলাদেশিদেরই। হাতকড়া পরিয়ে হয়তো নিয়ে যায়, কিংবা ট্রেনে করে ফেরত পাঠিয়ে দেয়। তবে এগুলো নিউজ চ্যানেলেই দেখি, নিজের চোখে কখনো দেখিনি।’

অবশ্য মুম্বাইতে কোনো বাংলাদেশি নেই, সেই দাবিও কেউ করেন না। মুম্বাইয়ের স্থানীয় নেতারা জানেন তারা আছেন, কিন্তু বাংলাদেশিদের বিরুদ্ধে তাদের বিশেষ কোনো রাগ-বিদ্বেষও নেই।

বান্দ্রা-চার্চগেট রুটের নিত্যযাত্রীরা বলছিলেন, ‘গরিব মানুষ রুটিরুজির সন্ধানে আসে, কী আর বলা যায়?’

বাংলাদেশিরা অনেকেই যে কলকাতা দিয়ে ঢোকে, সেখানে ভারতের নাগরিক পরিচয়পত্র বানিয়ে নিয়ে মুম্বাইতে চলে আসেন, সেটাও তারা জানেন। কিন্তু শহরে যারা পঞ্চাশ বছরেরও বেশি সময় ধরে আছেন, তারাও কোনদিন দেখেননি, এই বাংলাদেশিরা কোনো সমস্যা সৃষ্টি করছেন।

‘ভোটের জন্যই খুঁচিয়ে তোলা হচ্ছে এই ইস্যু’

তাহলে মুম্বাই কি শহরের এই কথিত অবৈধ বাংলাদেশিদের নিয়ে মোটেই চিন্তিত নয়? মুম্বাইয়ের সবচেয়ে বিখ্যাত বাঙালিদের একজন, কবি-সাংবাদিক-চিত্রনির্মাতা ও শিবসেনার সাবেক এমপি প্রীতীশ নন্দী সটান জবাব দেন, ‘একেবারেই না!’

নরিম্যান পয়েন্টে নিজের অফিসে বসে প্রীতীশ নন্দী বলেন, ‘আসলে ভোটের জন্য মাঝে মাঝে কিছু কিছু পার্টি চেঁচামেচি করে এই ইস্যুটা নিয়ে। কারণ তারা জানে, যদি ঘৃণা ছড়ানো যায়, তাহলে সেটা রাগের জন্ম দেবে, আর সেই রাগটা নাগরিকদের ভোটিং প্যাটার্ন বদলে দেবে।’

‘দুর্ভাগ্যজনক বিষয় হলো, এই রাগটাই কিন্তু এখনকার এই সময়ে সবচেয়ে ডমিন্যান্ট মেটাফোর! আইডিয়াটা হলো সবাই যেন রেগে যেতে চাইছে, একটা লড়াই করার বাহানা খুঁজছে!’

‘মুম্বাইয়ের সেই রাগটাকে উসকে দিতেই কিছু দক্ষিণপন্থী দল, এই অসহায় গরিব বাংলাদেশিদের ব্যবহার করছে’, বলেন প্রীতীশ।

‘সিঁদুর পরে হিন্দু সেজেও বাড়িতে কাজ নেয় অনেকে’

মুম্বাইয়ের পোয়াইতে আকাশছোঁয়া বহুতল সোসাইটিগুলোতে যারা গৃহকর্মীর কাজ করেন, তাদের অনেকেই যে আসলে বাংলাদেশি, তা নিয়ে যেমন কোনো সন্দেহই নেই; এমনই এক ফ্ল্যাটের মালকিন পারমিতা ভট্টাচার্যর।

তিনি বলছিলেন, ‘প্রথম সন্দেহটা হয় নাম থেকেই, কারণ টিপিক্যাল বাঙালি মুসলিম নাম। তারপর যখন বলে তারা বনগাঁ-মসলন্দপুর-বসিরহাট থেকে এসেছে, তখন মোটামুটি ধরেই নেওয়া যায় সীমান্ত পেরিয়েই ভারতে ঢুকেছে তারা।’

মুম্বাইয়ের অসংখ্য ফ্ল্যাটে গৃহপরিচারিকা বা রাঁধুনির কাজে এদের সাধারণত নিয়োগ করা হয় বিভিন্ন বেসরকারি এজেন্সির মাধ্যমে, সেই এজেন্সির লোকজনই তাদের পরিচয়পত্র বা আধার কার্ড বানিয়ে দেয় বলে জানান পারমিতা ভট্টাচার্য।

পারমিতা বলেন, ‘কেউ কেউ কাজ পেতে মুসলিম থেকে হিন্দু হতেও দ্বিধা করে না, মানে ধরা যাক সিঁদুর পরে নিল, একটা হিন্দু নামও নিল। অনেক ক্ষেত্রে স্বামী তাড়িয়ে দিয়েছে, এই জাতীয় কোনো গল্পও সঙ্গে থাকে, যদিও কেউই সেটা যাচাই করার গরজ দেখায় না।’

‘তবে মুম্বাই অবশ্য এদিক থেকে বেশ আধুনিক, বেশির ভাগ লোকই ডোমেস্টিক মেইডের ধর্ম নিয়ে মাথা ঘামায় না, তাদের কাজটা হলেই হলো’, যোগ করেন পারমিতা।

মুম্বাই-সিঙ্গাপুরের ধাঁচে ওয়ার্ক পারমিট কেন নয়?

শহরে যতক্ষণ কাজের সুযোগ আছে, ততক্ষণ বাইরে থেকে মানুষের ঢল ঠেকানো যাবে না।

ভারতে রয়্যাল ব্যাংক অব স্কটল্যান্ডের সাবেক প্রধান ও মুম্বাইয়ের রাজনীতিবিদ মীরা সান্যাল মনে করেন, এই সিস্টেমটাকেই আসলে ‘রেগুলারাইজ’ করা বা বৈধতার আওতায় আনা দরকার।

মীরা সান্যাল বলেন, ‘মুম্বাই শহরটাই তো গড়ে তুলেছে, বাইরে থেকে আসা লোকজন। শুধু ভারতের নয়, ভারতের বাইরে থেকেও এখানে এসেছে আর্মেনিয়ান ইহুদীরা, পার্সি বা ইরানিরা। জল যেমন নিজের লেভেল খুঁজে নেয়, তেমনি কাজের সুযোগ থাকলে বাইরের মানুষ মুম্বাইতে আসবেই, বাংলাদেশিরা ব্যতিক্রম হতে যাবে কেন?’

মীরা সান্যাল বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলো জেনোফোবিয়া ছড়াতে পারে, কিন্তু আমি মনে করি বিদেশি কর্মীদের জন্য এই শহরে বৈধ ওয়ার্ক পারমিট চালু করা উচিত, যাতে তারা এখানে এসে মাথা উঁচু করে কাজ করে আবার ফিরেও যেতে পারে।’

মীরা সান্যাল
রাজনীতিবিদ মীরা সান্যাল। ছবি: সংগৃহীত

মীরা সান্যাল, ‘সিঙ্গাপুর বা হংকংয়ে তো ঠিক এই জিনিসই আছে, এই পারমিটের মাধ্যমেই সেখানে বহু বিদেশি গৃহপরিচারিকার কাজ করে থাকেন।’

প্রীতীশ নন্দীও বিশ্বাসও মনে করেন, মুম্বাইয়েরও উচিত বাংলাদেশিসহ সব বিদেশি অভিবাসীদের জন্য দরজা খুলে দেওয়া।

প্রীতীশ নন্দী বলেন, ‘নিউ ইয়র্ক বলুন বা মুম্বাই, পৃথিবীর সব বড় বড় শহর গড়ে তুলেছে ইমিগ্র্যান্টরা। আপনি যদি ইমিগ্র্যান্টদের ঢুকতে না-দেন, তাদের সংস্কৃতিকে আপন করে না নেন, কিছুতেই কোনো শহরের উন্নতি হবে না।’

নিরাপত্তার দাবি বনাম অর্থনীতির ফর্মূলা

আরএসএস ভাবধারার গবেষক রাভি পোখর্না আবার মনে করেন, ঢিলেঢালা সীমান্ত দিয়ে যেভাবে বিদেশিরা এতদিন ভারতে ঢুকেছে, সেই জিনিস চলতে থাকলে ভারতের স্থিতিশীলতাই বিপন্ন হয়ে পড়বে।

রাভি পোখর্না বলেন, ‘আজকের এই যুগে সীমান্তে ফাঁকফোকর রেখে চলা সম্ভবই নয়। সীমান্ত দিয়ে কাদের আমরা ঢুকতে দিচ্ছি, তারা এ দেশে এসে কী করছে, সেটা তো নাগরিকদের অবশ্যই জানতে হবে।’

আসামের পর দেশের নানা প্রান্তে যে এখন নাগরিক তালিকা তৈরির দাবি উঠছে, সেটাতেও তাই সাধারণ মানুষের উদ্বেগেরই প্রতিফলন দেখেন তিনি।

মুম্বাইয়ের কথিত বাংলাদেশিরাও আপাতত এই বিতর্কের জাঁতাকলে পড়েছেন, তারা কি নিরাপত্তার হুমকি না কি অভিবাসী শ্রমিক হিসেবে কিছু অধিকারও তাদের প্রাপ্য?

এর আগেও বহুবার মুম্বাইতে অবৈধ বাংলাদেশিদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক স্লোগান উঠেছে, আবার থিতিয়েও গেছে।

মাস ছয়েকের মধ্যেই ভারতে সাধারণ নির্বাচন, অন্তত তখন পর্যন্ত কিছু কিছু রাজনৈতিক দল যে, এই ইস্যুতে তাদের ভোগাবে, সেই ইঙ্গিত কিন্তু পরিষ্কার!

প্রিয় সংবাদ/শান্ত 

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন
খাসোগি হত্যায় প্রকাশ্যে এলো নতুন তথ্য
আশরাফ ইসলাম ২২ অক্টোবর ২০১৮
‘আইন মেনে চলব, নিরাপদ সড়ক গড়ব’
আয়েশা সিদ্দিকা শিরিন ২২ অক্টোবর ২০১৮
১৯ মাস পর ঘোড়াশালে ইউরিয়া উৎপাদন শুরু
আয়েশা সিদ্দিকা শিরিন ২২ অক্টোবর ২০১৮
ট্রাকচাপায় বাবার পর আহত ছেলের মৃত্যু
কাঞ্চন কুমার ২২ অক্টোবর ২০১৮
স্পন্সরড কনটেন্ট
ট্রেন্ডিং