জাতীয় প্রেসক্লাবের তৃতীয় তলায় জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন। ছবি: সংগৃহীত

শিগগিরই কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট

এই সফরে জোটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ থাকবেন এবং শারদীয় দুর্গাপূজার পরপরই তা শুরু হবে।

মোক্তাদির হোসেন প্রান্তিক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৫ অক্টোবর ২০১৮, ০৯:১০ আপডেট: ১৫ অক্টোবর ২০১৮, ০৯:১০
প্রকাশিত: ১৫ অক্টোবর ২০১৮, ০৯:১০ আপডেট: ১৫ অক্টোবর ২০১৮, ০৯:১০


জাতীয় প্রেসক্লাবের তৃতীয় তলায় জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) দাবি আদায়ে আন্দোলনের সঙ্গে জনগণকে সম্পৃক্ত করতে খুব শিগগিরই কর্মসূচি নিয়ে রাজনীতির মাঠে নামার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

কর্মসূচির মধ্যে থাকছে দেশব্যাপী জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের সাংগঠনিক সফর, লিফলেট বিতরণ, পথসভা ও সমাবেশ। দুই একদিনের মধ্যে বৈঠক করে এ কর্মসূচি চূড়ান্ত করা হবে। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক দায়িত্বশীল সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

গত ১৩ অক্টোবর, শনিবার সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে জাতীয় প্রেসক্লাবে আনুষ্ঠানিকভাবে এই জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আত্মপ্রকাশ ঘটে। সরকারবিরোধী রাজনৈতিক সমমনা দল গণফোরাম, বিএনপি, নাগরিক ঐক্য ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল এই চার দলের সমন্বয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ঘোষণা করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে জোটের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছাত্রলীগের সাবেক ছাত্রনেতা সুলতান মোহাম্মদ মুনসুর ঘোষণা করেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট অল্প কিছুদিনের মধ্যে কর্মসূচি নিয়ে সারা দেশ সফর করবে। এই সফরে জোটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ থাকবেন। এই অল্প কিছুদিন শারদীয় দুর্গাপূজার পরপরই শুরু হবে।

১৪ অক্টোবর রাতে গণফোরামের কার্যনির্বাহী সভাপতি সুব্রত কুমার চৌধুরী প্রিয়.কমকে বলেন, ‘সবেমাত্র জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ঘোষণা করা হয়েছে। কাজেই দু’এক (আজ-কাল) দিনের মধ্যে আমরা জোটের সঙ্গে সম্পৃক্তরা একত্রে বসব। সেখানে আগামী কর্মসূচি করণীয় নির্ধারণ হতে পারে। কবে, কখন, কোথায় সমাবেশ করা হবে জানি না, তবে সারা দেশে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতাদের সফরের মাধ্যমে জনগণকে আমাদের প্রস্তাবিত দাবি ও লক্ষ্যগুলো সম্পর্কে অবহিত করার উদ্যোগ নেওয়ার বিষয় চূড়ান্ত করা হবে।’

সূত্র মতে, জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ায় এগিয়ে আসা যুক্তফ্রন্ট ও বিকল্পধারা বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে থাকা, না থাকার বিষয়টি নিয়ে নতুন করে যখন ভাবনায় রাখা হয়েছে তখন নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না ও বিকল্পধারা বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব মাহী বি চৌধুরীর একটি ফোনালাপ ফেসবুকসহ সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তাই জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতৃত্বকে খুবই সতর্কতার সঙ্গে অগ্রসর হতে হচ্ছে।

অবশ্য জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক রতন প্রিয়.কমকে বলেন, ‘মাহমুদুর রহমান মান্না জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে আছেন, কাজেই মাহী বি চৌধুরীর সঙ্গে ফোনালাপ বা কথোপকথন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে কোনো অন্তরায় বা প্রতিবন্ধকতা করবে না। তা ছাড়া একজন রাজনীতিবিদ অন্য আরেকজন রাজনীতিবিদের সঙ্গে কথা বলতেই পারেন।’

প্রিয় সংবাদ/রুহুল

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...