ইমরুল কায়েস। ছবি: প্রিয়.কম

স্রোতের বিপরীতে ইমরুলের সাহসী সেঞ্চুরি

তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে সুযোগ পেয়েছেন দলের ইনিংস গোড়াপত্তন করার। সেই সুযোগটা বেশ ভালোভাবেই কাজে লাগিয়েছেন বাঁহাতি এই ওপেনার।

মুশাহিদ
সহ-সম্পাদক
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০১৮, ১৭:৫৪ আপডেট: ২১ অক্টোবর ২০১৮, ১৮:৪২


ইমরুল কায়েস। ছবি: প্রিয়.কম

(প্রিয়.কম) স্কোয়াডে না থাকলেও এশিয়া কাপের মাঝপথে ডেকে পাঠানো হয় ইমরুল কায়েস ও সৌম্য সরকারকে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে গিয়েই একাদশে সুযোগ পেয়ে যান ইমরুল। তবে ওপেনার হিসেবে নয়! বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যানকে নামানো হয় ছয় নম্বরে। প্রথমবারের মতো ছয় নম্বরে নেমেও আস্থার প্রতিদান দেন তিনি। খেলেন ৭২ রানের অপরাজিত ইনিংস। এই ইনিংস খেলার পথে ষষ্ঠ উইকেটে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের সঙ্গে গড়েন ১২৮ রানের দুর্দান্ত জুটি।

পরের দুই ম্যাচে ব্যাট না হাসলেও ইমরুলের ওপর আস্থা রাখেন নির্বাচকরা। জায়গা পেয়ে যান ঘরের মাঠে চলমান জিম্বাবুয়ে সিরিজের স্কোয়াডে। এরপর তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে সুযোগ পেয়েছেন দলের ইনিংস গোড়াপত্তন করার। সেই সুযোগটা বেশ ভালোভাবেই কাজে লাগিয়েছেন বাঁহাতি এই ওপেনার। এই ম্যাচে দিয়েই ইমরুল তুলে নিয়েছেন ওয়ানডে ক্যারিয়ারের তৃতীয় সেঞ্চুরি।

শেষ পর্যন্ত এই সেঞ্চুরিকে বাঁহাতি এই ওপেনার রূপ দেন ক্যারিয়ার সেরা ইনিংসেও। আউট হওয়ার আগে ইমরুল করেন ১৪৪ রান। এটা বাংলাদেশের পক্ষে যৌথভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের ইনিংস। সর্বশেষ এশিয়া কাপে মুশফিক ও করেছিলেন ১৪৪ রান। ওয়ানডেতে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের মালিক তামিম ইকবাল। মজার ব্যাপার, এই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেই তামিম খেলেছিলেন ১৫৪ রানের ক্যারিয়ার সেরা সেই ইনিংস।

রবিবার মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাটিং করতে নেমে শুরুতে কিছুটা হোঁচট খায় বাংলাদেশ। ১৫ রানেই বিদায় নেন ওপেনার লিটন কুমার দাস। তার আগে ব্যক্তিগত ২ রানে জীবন পান তিনি। কিন্তু সেটাকে কাজে লাগাতে পারেননি ডানহাতি এই ওপেনার।

এরপর ব্যক্তিগত ৭ রানে জীবন পান ইমরুল। সেটাকে বেশ ভালোভাবেই কাজে লাগিয়েছেন তিনি। তুলে নিয়েছেন ওয়ানডে ক্যারিয়ারের তৃতীয় সেঞ্চুরি। ১১৮ বলে ৮ চার ও ৩ ছক্কায় সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি। এর মধ্যে প্রথম ৫০ রানের জন্য ইমরুল খেলেছেন ৬৪ বল। বাকি ৫০ রান পূর্ণ করার জন্য তার লেগেছে ৫৪ বল।

সেঞ্চুরি পূর্ণ করার পথে তৃতীয় উইকেটে মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে ৪৯ রানের জুটি গড়েন ইমরুল। এরপর চতুর্থ উইকেটে মোহাম্মদ মিথুনের সঙ্গে ৫১ রানের জুটি গড়েন তিনি। কিন্তু কেউ তাকে যোগ্য সঙ্গ দিতে পারেননি। মুশফিক ১৫ ও মিথুন ৩৭ রানে সাজঘরে ফেরেন। তাতেও খেই হারাননি ইমরুল। উইকেটের এক প্রান্ত আগলে নিজের ইনিংসটিকে রূপ দিয়েছেন সেঞ্চুরিতে। এটা মিরপুরের হোম অব ক্রিকেটে ইমরুলের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি।

প্রিয় খেলা/শান্ত  

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন
নতুন প্রেমে মজেছেন নেইমার!
প্রিয় ডেস্ক ১৯ নভেম্বর ২০১৮
টেলিভিশনে আজকের খেলা
প্রিয় ডেস্ক ১৯ নভেম্বর ২০১৮
আবারও নেইমার-কাভানির দ্বন্দ্ব!
মুশাহিদ ১৮ নভেম্বর ২০১৮
বিসিএলে দল পাননি আশরাফুল
মুশাহিদ ১৮ নভেম্বর ২০১৮
১৭ বছর পর ইংল্যান্ডের লঙ্কা জয়
প্রিয় ডেস্ক ১৮ নভেম্বর ২০১৮
স্পন্সরড কনটেন্ট
ট্রেন্ডিং