‘#মি টু’। ছবি: সংগৃহীত

এবার নেপালে ‘#মি টু’

নেপালে যৌন হেনস্তার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ-প্রতিবাদ অন্য মাত্রায় পৌঁছেছে বলে মনে করছেন সমাজকর্মীরা।

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ২৫ অক্টোবর ২০১৮, ১১:৩০ আপডেট: ২৫ অক্টোবর ২০১৮, ১১:৩০
প্রকাশিত: ২৫ অক্টোবর ২০১৮, ১১:৩০ আপডেট: ২৫ অক্টোবর ২০১৮, ১১:৩০


‘#মি টু’। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) ১৩ বছরের এক মেয়েকে গত জুলাই মাসে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছিল। এখন পর্যন্ত দোষীরা ধরা পরেনি, উল্টো পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে ঘটনা আড়াল করার। আর এ নিয়ে প্রতিবাদ মুখর নেপাল। ভারতে যখন ‘#মি টু’ আন্দোলনের কারণে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এম জে আকবর পদত্যাগ করেছেন, সেখানে নেপালে যৌন হেনস্তার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ-প্রতিবাদ অন্য মাত্রায় পৌঁছেছে বলে মনে করছেন সমাজকর্মীরা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্মলা নামে এক স্কুল ছাত্রী ধর্ষণ ও খুনের বিচারের দাবিতে প্রথম নেপালের সমাজকর্মীরা পথে নামে। ‘রেইজ এগেইনস্ট রেপ’ ও ‘জাস্টিস ফর নির্মলা’ হ্যাশট্যাগের বন্যা বইছে এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। 

হিমা বিস্তা একজন নারী অধিকার কর্মী। তিনি জানান, ভারতের মতো নেপালে ‘#মি টু’ আন্দোলন এখনো ছড়িয়ে পড়েনি। তবে শুরু হয়েছে। গ্রামীণ এলকায় এ বিষয়ে মুখ খোলাতো আরও কঠিন বিষয়।

হিমা বলেন, ‘এই সমাজে মিটু বলার মতো সাহসিনী থাকলে আমি খুশিই হবো।’

প্রতিবেদন থেকে অারও জানা গেছে, ধীরে ধীরে হলেও নেপালের নারীরা মুখ খুলতে শুরু করেছেন। গত দুই সপ্তাহে অনেকেই কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি নিয়ে মুখ খুলেছেন। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন কাঠমান্ডুর সাবেক মেয়র কেশব স্থাপিত। 

সাবেক এই মেয়রের বিরুদ্ধে দুই নারীর অভিযোগ, তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন।

রসমিলা নামে এক নারী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ‘কেশবের যৌন প্রস্তাবে রাজি হইনি বলে ১৫ বছর আগে চাকরি হারাতে হয়েছে।’

সাবেক মেয়র কেশব অবশ্য সংবাদপত্রে দেওয়া সাক্ষাতকারে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

দেশটির জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের কর্মকর্তা মোহনা আনসারি মনে করেন, নেপালের প্রতিবাদী নারীদের জন্য এ রাস্তা ওতটা সহজ নয়।

তিনি জানান, দুইজন নারীর হয়ে লড়ছেন তিনি। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মুখ খোলায় ওই দুই নারীকে এখন পালিয়ে বেড়াতে হচ্ছে। 

প্রিয় সংবাদ/আশরাফ/রুহুল

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...