মানহানির মামলায় গত ২৩ অক্টোবর থেকে কারাগারে রয়েছেন ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন। সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণের ফাইল ছবি।

ডিভিশন চেয়ে হাইকোর্টে মইনুল হোসেনের আবেদন

কেরানিগঞ্জ কারাগারে ব্যারিস্টার মইনুলকে সাধারণ বন্দী হিসেবে রাখা হয়েছে।

আমিনুল ইসলাম মল্লিক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০১৮, ১২:৪৩ আপডেট: ২৮ অক্টোবর ২০১৮, ১২:৪৩
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০১৮, ১২:৪৩ আপডেট: ২৮ অক্টোবর ২০১৮, ১২:৪৩


মানহানির মামলায় গত ২৩ অক্টোবর থেকে কারাগারে রয়েছেন ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন। সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণের ফাইল ছবি।

(প্রিয়.কম) কারাগারে ডিভিশন চেয়ে (প্রথম শ্রেণির নাগরিকের মর্যাদা) হাইকোর্টে আবেদন করেছেন ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন

২৮ অক্টোবর, রবিবার সকালে মইনুল হোসেনের পক্ষে এ আবেদন করেন তার আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন

সাংবাদিকদের আইনজীবী খন্দকার মাহবুব জানান, বিচারপতি শেখ হাসান আরিফের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে আবেদনটির ওপর শুনানি হতে পারে।

গত ২৩ অক্টোবর মানহানির একটি মামলায় ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন ঢাকার সিএমএম আদালত। কেরানিগঞ্জ কারাগারে তাকে সাধারণ বন্দী হিসেবে রাখা হয়েছে।

গত ২২ অক্টোবর রাজধানীর উত্তরায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) নেতা আ স ম আবদুর রবের বাসা থেকে ব্যারিস্টার মইনুলকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশের একটি দল। গ্রেফতারের পরপরই তাকে গোয়েন্দা কার্যালয়ে নেওয়া হয়। সেখানে ব্যারিস্টার মইনুলকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়।

গত ১৬ অক্টোবর মধ্যরাতে একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টকশোতে সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টির এক প্রশ্নের জবাবে মইনুল হোসেনের মন্তব্যের জেরে দায়ের করা একটি মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়।

এর আগে টকশোর ওই ঘটনার পর রংপুরে ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের বিরুদ্ধে ১০ কোটি টাকার মানহানির মামলা করেন নগরীর মুলাটোল মহল্লার বাসিন্দা মিলি মায়া নামের এক নারী। তার পক্ষে রংপুরের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দাখিল করেন সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আইনুল হোসেন।

আদালতের বিচারক আরিফা ইয়াসমিন মুক্তা মামলাটি গ্রহণ করেন। এই মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়। বিভিন্ন জেলায় আরও বেশকয়েকটি মামলা হয়েছে মইনুলের বিরুদ্ধে। এর মধ্যে দুটি মামলায় হাইকোর্ট থেকে তিনি জামিন নিয়েছেন।

প্রিয় সংবাদ/শিরিন/রুহুল

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...