বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স ৮ মডেলের বিমানটিকে সমুদ্রে পতিত হতে দেখেছে সমুদ্র বন্দর ছেড়ে যাওয়া একটি টাগ বোট। লায়ন এয়ারলাইন্সের একটি বিমানের সংগৃহীত ছবি।

১৮৮ আরোহী নিয়ে লায়ন এয়ারলাইন্সের বিমান বিধ্বস্ত

সোমবার সকাল ৬টা ২০ মিনিটের দিকে ফ্লাইটটি জাকার্তা ছাড়ে। ১৩ মিনিট পর বিমানবন্দরের সঙ্গে এটির যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

আয়েশা সিদ্দিকা শিরিন
সহ-সম্পাদক
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০১৮, ১০:৪১ আপডেট: ২৯ অক্টোবর ২০১৮, ১৫:২৫
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০১৮, ১০:৪১ আপডেট: ২৯ অক্টোবর ২০১৮, ১৫:২৫


বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স ৮ মডেলের বিমানটিকে সমুদ্রে পতিত হতে দেখেছে সমুদ্র বন্দর ছেড়ে যাওয়া একটি টাগ বোট। লায়ন এয়ারলাইন্সের একটি বিমানের সংগৃহীত ছবি।

(প্রিয়.কম) ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা থেকে ১৮৮ আরোহী নিয়ে লায়ন এয়ারলাইন্সের বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স ৮ মডেলের একটি বিমান উড্ডয়নের কয়েক মিনিট পর সমুদ্রে বিধ্বস্ত হয়েছে।

২৯ অক্টোবর, সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ৬টা ২০ মিনিটের দিকে দেশটির পাংকাল পেনাং শহরের উদ্দেশে নিয়মিত শিডিউলের জেটি৬১০ ফ্লাইটটি জাকার্তা ছেড়েছিল।

ইন্দোনেশিয়ার অনুসন্ধান ও উদ্ধার সংস্থার মুখপাত্র ইউসুফ লতিফ আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম রয়টার্সকে বলেন, ‘এটা নিশ্চিত যে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে।’

বার্তা সংস্থা এএফপিকে ইউসুফ লতিফ বলেন, ‘সমুদ্রের ৩০ থেকে ৪০ মিটার গভীরে ডুবে গেছে বিমানটি। এটির সন্ধানে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।’

কর্তৃপক্ষ জানায়, উড্ডয়নের ১৩ মিনিটের মাথায় বিমান বন্দরের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় লায়ন এয়ারলাইন্সের বিমানটির। সমুদ্র বন্দর ছেড়ে যাওয়ার সময় একটি টাগ বোট বিমানটিকে সমুদ্রে পড়ে যেতে দেখেছে।

দুর্ঘটনার পরপরই লায়ন এয়ার গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এডওয়ার্ড সিরাত বলেন, ‘এই মুহূর্তে কোনো মন্তব্য করতে পারছি না। আমরা সব তথ্য ও ডাটা সংগ্রহের চেষ্টা করছি।’

বিবিসি অনলাইনের খবরে বলা হয়েছে, বিমানটিতে দুজন পাইলট, পাঁচ জন ক্রু এবং তিন শিশুসহ ১৭৮ আরোহী ছিলেন বলে এক সংবাদ সম্মেলনে এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে দেশটির অনুসন্ধান ও উদ্ধার সংস্থার প্রধান মুহাম্মদ সায়ুগি বলেন, ‘আরোহীদের মধ্যে কেউ বেঁচে আছেন কি না, তা এখনও আমরা জানি না। আমরা আশা করতে পারি, প্রার্থনা করতে পারি, কিন্তু নিশ্চিত করে বলতে পারি না।’

ইন্দোনেশিয়ার একটি টেলিভিশনের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এপি জানিয়েছে, সাগরের একটি স্থানে জ্বালানি তেল ছড়িয়ে পড়েছে এবং সেখানে কিছু ধ্বংসাবশেষ দেখা গেছে।

এ ছাড়া ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার মুখপাত্র সুতোপো পুরো নুগ্রোও তার টুইটার অ্যাকাউন্টে সাগরে ভাসতে থাকা ভ্যানিটি ব্যাগ, বই, স্মার্টফোন এবং বিমানটির ধ্বংসাবশেষের কিছু অংশের কয়েকটি ছবি পোস্ট করেছেন।

প্রিয় সংবাদ/রুহুল

পাঠকের মন্তব্য(১)

মন্তব্য করতে করুন


Masoqur Rahman Khan
Masoqur Rahman Khan

Sad...

loading ...